USA

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ছাত্রলীগের সাবেক নের্তৃবৃন্দ’র আয়োজনে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন : অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সম্মেলন দাবি


ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সম্মেলন দাবির মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ছাত্রলীগের সাবেক নের্তৃবৃন্দ’র আয়োজনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ৩৬তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপিত হয়েছে নিউইয়র্কে। স্থানীয় সময় ১৭ মে বুধবার জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি হলে এ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র সফররত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. লিয়াকত শিকদার। সমাবেশে মো. লিয়াকত শিকদার যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সকল নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। সমাবেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানসহ কতিপয় নেতা ব্যবসা-বাণিজ্যের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগকে ধ্বংশের দ্বার প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। বক্তারা ড. সিদ্দিুকর রহমানের অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের বিবরণ তুলে ধরেন। এসময় মো. লিয়াকত শিকদার বিষয়টি যথাস্থানে জানানোর আশ্বাস দিয়ে বলেন, প্রকাশ্য সমাবেশে নয় দলের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমাধান করা উচিত। শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবারে ঐক্যের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, নিউইয়র্ক হচ্ছে বিশ্বের রাজধানী। এখান থেকে দলকে বলিষ্ঠ ভূমিকায় অবতীর্ন হতে হবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সকল নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিশেষ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্য নির্বাহী সদস্য হিন্দাল কাদির বাপ্পার সভাপতিত্বে এবং দপ্তর সম্পাদক প্রকৌঃ মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় শ্রমিক লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, নর্থ আমেরিকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম বাদশা, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. শাহ মোঃ বখতিয়ার আলী, জনসংযোগ সম্পাদক কাজী কয়েস, কার্যকরী সদস্য রেজাউল করিম চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, স্টেট আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, সাবেক কেন্দীয় ছাত্র নেতা হিমেল, সাবেক ছাত্র নেতা শরীফ কামরুল আলম হীরা, হোসেন সোহেল রানা, পারভেজ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন, সহ সভাপতি মঞ্জুর চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমদ, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সুবল দেবনাথ, ছাত্রলীগ নেতা জেড এ জয়, জাহাঙ্গীর এইচ মিয়া, আফতাব উদ্দিন, এডভোকেট লুৎফর রহমান, খান শওকত, নাফিউর রহমান তুরান, এডভোকেট এমাদ উদ্দিন, ইলিয়ার রহমান, রুমানা আক্তার, ফরিদা আরবি, জাহিদ হাসান, মাসুদ মোল্লা, জসিম উদ্দিন ভুইয়া, সৈয়দ সাজ্জাদ রায়হান, সাইকুল ইসলাম, ওয়ালী হোসেন, অহিদুজ্জামান লিটন, হেলাল মিয়াসহ সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মো. আশরাফ উদ্দিন, পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন সুবল দেবনাথ। সকল শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
সমাবেশে মো. লিয়াকত শিকদার বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রথম ভিত্তি। সেদিন বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনার হাতে আওয়ামী লীগের পতাকা তুলে দেয়ার ফলেই তার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। দেশ আর দলের ওই ক্রান্তিকালে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে না ফিরলে আওয়ামী লীগ আর ক্ষতায় ফিরে আসতে পারতো না। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার ফলেই বঙ্গবন্ধু হত্যা, যুদ্ধাপরাধীসহ সকল হত্যাকান্ডের বিচার হচ্ছে। শেখ হাসিনা জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে ২০০৮ সালে ভিশন ২০২১ ঘোষণা করেছিলেন। জাতির পিতা যে স্বপ্ন আর আকাঙ্খা নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই আকাঙ্খাকে পূর্ণতা দিতে শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশ এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নয়নের মহাসড়কে। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের নির্বাচনে পুনরায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে কোন ষড়যন্ত্র সংঘবদ্ধভাবে মোকাবেলার করতে হবে।
তিনি বিএনপি ঘোষিত ভিশন-২০৩০ এর সমালোচনা করে বলেন, জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা বিরোধী প্রক্রিয়াশীল গোষ্ঠী জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যা করে সংবিধান ও গণতন্ত্র লুণ্ঠিত করে। ক্ষমতায় থেকে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ও জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার আইন করে বন্ধ রেখে ছিল। হাওয়া ভবন থেকে হুকুম দিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য গ্রেনেড হামলা সহ পরিচালনা করা হয় একাধিক হত্যা প্রচেষ্টা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।সভাপতির বক্তব্যে হিন্দাল কাদির বাপ্পা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান নিজকে বিশ্ব আওয়ামীলীগ সভাপতি বলে দাবি করেন। আওয়ামীলীগ সরকার বিরোধী লোকজন দ্বারা পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি আয়োজিত ‘সময়ের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক ফারাক্কা লং মার্চ-এর তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান দলের নীতি বিরুদ্ধ কাজ করেছেন।
আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম বাদশা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ছাত্রলীগের সাবেক নের্তৃবৃন্দ’র আয়োজনে শেখ হাসিনার ৩৬তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সমাবেশে যোগদানের জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. লিয়াকত শিকদারসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।সাবেক ছাত্র নেতা প্রকৌঃ মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান অসাংগঠনিক ও স্বৈরাচারী কায়দায় দল পরিচালনা করছেন। কমিটি গঠন করার পর থেকে তিনি বছরের বেশিরভাগ সময় বাংলাদেশে অবস্থান করে ব্যবসা-বানিজ্য, তদবির লবিংয়ে ব্যস্ত থাকেন। কথায় কথায় নেতা-কর্মীদের বহিঃস্কার, পদন্নোতি, পদায়ন ও ভারপ্রাপ্ত দিয়ে সংগঠনের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছেন।
সাবেক ছাত্র নেতা এ্যাড. শাহ মোঃ বখতিয়ার আলী বলেন, দলকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ব্যবসায়ীদের কবল থেকে দলকে রক্ষা করতে হবে।সিলেট জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সভপতি কাজী কয়েস বলেন, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা-কর্মীদের অবমূল্যায়ন করে অরাজনৈতিক লোকদের প্রাধান্য দিয়ে দলকে অকার্যকর করে রাখা হয়েছে।রেজাউল করিম চৌধুরী তার বক্তব্যে সভাপতির অসাংগঠনিক কার্যকলাপে তিনি দলীয় কর্মকান্ড থেকে নিজকে গুটিয়ে রেখেছেন বলে জানান।শরীফ কামরুল আলম হীরা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগকে যেভাবে ঘৃনিত সংগঠনে পরিণত করা হয়েছে এখানে কাজ করা দূরূহ হয়ে পড়েছে। ৩ বছরের কমিটি ৭ বছরে উন্নীত হয়েছে তার পরেও সম্মেলনের খবর নেই।
বক্তারা বলেন, ২০১৯ সালের নির্বাচনে পুনরায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। দল থেকে ঘাপটি মেরে থাকা খুনী মোশতাকের দোসর, জামায়াত-শিবিরের এজেন্টদের চিহ্নিত করতে হবে।তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করার পর থেকে ড. সিদ্দিকুর রহমান বছরের অধিকাংশ সময় বাংলাদেশে অবস্থান করে ব্যবসা-বানিজ্য, তদবির লবিংয়ে ব্যস্ত থাকেন। তার ব্যবসায়িক পার্টনার নিজাম চৌধুরীর সাথে ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্ব-ঐক্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগকে একটি অকার্যকর, বিশৃঙ্খলা সংগঠনে পরিনত করেছে।বক্তারা বলেন, সিদ্দিক-নিজামের ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্ব ও স্বার্থ হাসিলের প্রতিযোগীতায় কথায় কথায় নেতা-কর্মীদের বহিঃস্কার, পদন্নোতি, পদায়ন ও ভারপ্রাপ্ত দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ ও দেশ-বিদেশে হাস্যকর করে তুলেছে। দলের অভ্যন্তরে গ্রুপিং ও কোন্দলের জন্যে সিদ্দিকুর রহমানকে দায়ী করে তারা বলেন হাই কমান্ডের দোহাই দিয়ে একের পর এক দলের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার উদ্দেশ্যে ৭ বছরের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সম্মেলন দিতে অস্বীকার করে যাচ্ছেন। নেতা-কর্মীরা তাদের বক্তব্যে সিদ্দিকুর রহমানের ওপর প্রচন্ড ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। অবিলম্বে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে সম্মেলন না দিলে সাবেক ছাত্রনেতারা বৃহত্তম কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলে হুমকি দেন।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের র‌্যালি
এদিকে, শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন উপলক্ষে একই দিন সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে এক র‌্যালির আয়োজন করা হয়। শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন উপলক্ষে দলটির বিবাদমান দু’গ্রুপের পৃথক অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভয় হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানায়।উভয় অনুষ্ঠানেই যুক্তরাষ্ট্র সফররত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. লিয়াকত শিকদার যোগদান করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সকল নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল সিটির জ্যাকসন হাইটসে নিউ মেজবান পার্টি হলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিবাদমান গ্রুপের দু’দফা সংঘর্ষ এবং নিউইয়র্ক পুলিশের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের নের্তৃত্বে অনুষ্ঠিত এ র‌্যালি পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ। র‌্যালিতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান ও শামসুদ্দিন আজাদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান ও আব্দুল হাসিব মামুন, কোষাধ্যক্ষ আবুল মনসুর খান, মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ আশরাফুজ্জামান, প্রবাসীকল্যাণ সম্পাদক মো. সোলায়মান আলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, উপ-প্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান টনি, উপ-দফতর সম্পাদক এম এ মালেক, নির্বাহী সদস্য শাহানারা রহমান, ডেনি চৌধুরী, খোরশেদ খন্দকার, উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ডা. মাসুদুল হাসান, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মমতাজ শাহানাজ ও নুরুন্নাহার গিনী, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোরশেদা জামান, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহ্বায়ক তারিকুল হায়দার চৌধুরী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি দরুদ মিয়া রনেল।


Leave a Comment