USA

৫৮ সেকেন্ডে সিএন টাওয়ারের ১১৫ তলায়


কেরামত উল্লাহ বিপ্লব, টরন্টো থেকে : এক সেকেন্ড কম কিংবা বেশি নয়। ডিজিট্যাল ঘড়ির কাঁটা ধরে ঠিক ৫৮ সেকেন্ড লাগলো সিএন টাওয়ারের চূঁড়ায় উঠতে। টিকেট ৪৬ কানাডিয়ান ডলার। বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির এই এলিভেটর দিয়ে মিনিটে শত শত পর্যটক উঠছেন কানাডার গৌরবময় এই টাওয়ারে।
২০০৯ সাল পর্যন্ত যা ছিল বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু স্থাপনা। দুবাইয়ে বুরুজ খলিফা টাওয়ার উদ্বোধনের পর সেই সন্মান হারিয়েছে সিএন টাওয়ার। ১৪৭ তলার সমান যার উচ্চতা ৫৫৩ মিটার।
দুবাইয়ে এই দশকে তৈরি বুরুজ খলিফা টাওয়ারের উচ্চতা ৮২৯ মিটার। ১৫৪ তলা। ১৯৭৬ সালে সিএন টাওয়ার গড়তে খরচ হয়েছিলে ৬ কোটি ৩০ লাখ কানাডিয়ান ডলার।
এই দশকে দুবাইয়ের বুরুজ খলিফায় খরচ দেড় বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্ত এখনো সারা বিশ্বের পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু টরন্টোর সিএন টাওয়ার। বছরে ২০ লাখ পর্যটক আসেন এখানে। নির্মণেশৌলী আর নিরাপত্তা এতোই মজবুত যে ৪১ বছরেও বড় কোনো দুর্ঘটনার উদাহারণ নেই সিএন টাওয়ারে।
এখন নতুন করে যুক্ত হয়েছে গ্লাস ফ্লোর। আড়াই ইঞ্চি মোটা স্বচ্ছ কাঁচের মেঝেতে দাঁড়িয়ে ১১৫ তলা থেকে পর্যটকরা দেখতে পারেন নিচের রাস্তা, গাড়ি চলাচল।
গ্রিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে এটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু গ্লাসফ্লোর। সিএন টাওয়ারের ইথিওপিয়ান কর্মী এ্যালোরা এলিভেটরে ওঠার সময়ই চ্যালেঞ্জ দিলেন, চূঁড়ায় পৌঁছাতে যদি ৫৮ সেকেন্ডের বেশি সময় লাগে তাহলে টিকেটের টাকা ফেরত। সাথে উপরের ঘুর্ণায়মান থ্রি সিক্সটি ডিগ্রি রেঁস্তোরায় খাওয়া ফ্রি। কিন্ত না। উঠা বা নামতে গিয়ে চুলচেরা সময় ধরেও ৫৮ সেকেন্ডের বেশি সময় লাগলো না।


Leave a Comment