Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন পৃথিবী বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 132 বার

প্রকাশিত: March 14, 2018 | 9:47 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনে না ফেরার দেশে চলে গেলেন পৃথিবী বিখ্যাত পদার্থবিদ ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। বুধবার সকালে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজে নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।
স্টিফেন হকিংয়ের মৃত্যুর খবর তার পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য ‘বিগ ব্যাং থিউরি’র প্রবক্তা স্টিফেন হকিং। ২১ বছর বয়স থেকেই দুরারোগ্য মটর নিউরন রোগে ভুগছিলেন হকিং। শারীরিকভাবে প্রায় পুরোপুরি অচল হওয়া সত্ত্বেও বহু বছর ধরে তিনি তার গবেষণা কার্যক্রম সাফল্যের সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ১৯৮৮ সালে তিনি লিখেন ‘এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’। সারা বিশ্বে বইটির এক কোটিরও বেশি কপি বিক্রি হয়।
যেহেতু হকিং কথা বলতে ও নড়াচড়া করতে পারেন না, তাই তিনি কথা বলেন ভয়েস সিনথেসাইজারের মাধ্যমে। তাঁর মুখের পেশির নড়াচড়ার অনুযায়ী কথা বলে যন্ত্র। এছাড়া গলার কম্পাংক ও চোখের পাতার নড়াচড়ার মাধ্যমে তিনি কম্পিউটারে লিখতে পারেন বা ভয়েস জেনারেট করতে পারেন।
স্টিফেন হকিংয়ের মৃত্যুতে তার তিন সন্তান লুসি, রবার্ট এবং টিম বলেছেন “আমরা দু:খের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের প্রিয় বাবা আজ মারা গেছেন। তিনি একজন বড় বিজ্ঞানীই ছিলেন না তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ মানুষ, যাঁর কাজ বহু বছর বেঁচে থাকবে”।
১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন স্টিভেন উইলিয়াম হকিং। বিশিষ্ট ইংরেজ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ হিসেবে বিশ্বের সর্বত্র পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তাকে বিশ্বের সমকালীন তাত্ত্বিক পদার্থবিদদের মধ্যে অন্যতম হিসাবে বিবেচনা করা হয়। হকিং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লুকাসিয়ান অধ্যাপক হিসেবে ১ অক্টোবর, ২০০৯ তারিখে অবসর নেন। সজিব খান, আমাদের সময়.কম

স্টিফেন হকিং ছিলেন বেশ খেয়ালী
স্টিফেন হকিং বিশ্বাস করতেন যে তার অসুস্থতা তার জন্য কিছু উপকারও এনে দিয়েছে। তিনি বলেছিলেন, অসুস্থ হবার আগে তিনি জীবন নিয়ে বিরক্ত হয়ে উঠেছিলেন।
তিনি প্রায়সময়ই তার প্রথম প্রথম স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতার কথা বলতেন, যিনি ২০ বছরেরও বেশি তার দেখাশোনা করেছেন। যদিও তিনি যখন তার একজন নার্সের জন্য প্রথম স্ত্রীর সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করেন তখন তার বন্ধু এবং আত্মীয়-স্বজনরা বেশ অবাক হয়েছিলেন। ১৯৯৫ সালে তিনি তার সাবেক নার্সকে বিয়ে করেন।
২০০০ সাল নাগাদ আঘাতের কারণে তিনি বেশ কয়েকবার কেমব্রিজের একটি হাসপাতালে জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নেন। ঐসময় একটি অভিযোগ আসে যে তিনি কয়েক বছর যাবত নানাভাবে মৌখিক এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করে।
তবে তিনি ছিলেন বেশ খেয়ালী। তার হুইলচেয়ারটিই তিনি প্রায়সময় বেপড়োয়াভাবে চালাতেন এবং হকিং বারবার বলেন যে, তার এসব আঘাত কোন নির্যাতনের কারণে হয়নি। পরে বিষয়টি নিয়ে পুলিশও আর আগায়নি।
২০০৭ সালে তিনি প্রথম চলৎশক্তি হীন ব্যক্তি হিসেবে একটি বিশেষ বিমানে ওজনশূন্যতার অভিজ্ঞতা নেন। মানুষকে মহাকাশ ভ্রমণে উৎসাহ দেয়ার জন্যই তিনি এটি করেছেন বলে জানান।
“আমার বিশ্বাস পারমাণবিক যুদ্ধ, জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে তৈরি ভাইরাস অথবা অন্য কোন কারণে পৃথিবীতে প্রাণের অবসান হতে পারে। মানুষ যদি মহাকাশে না যায় তাহলে আমার মনে হয় মানবজাতির কোন ভবিষ্যৎ নেই। যেকারণে আমি মানুষকে মহাকাশে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে চাই”।
২০১৪ সালে স্টিফেন হকিংয়ের জীবন নিয়ে তৈরি হয় ‘থিওরি অফ এভরিথিং’ চলচ্চিত্র। জেন হকিংয়ের বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় চলচ্চিত্রটি।
ডিসকভারি চ্যানেলের সাথে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, পৃথিবীর বাইরে কোন বুদ্ধিমান জীবনের উপস্থিতি আছে এমন ধারণা করাটা সম্পূর্ণ যৌক্তিক এবং এলিয়েন বা ভিনগ্রহবাসীরা প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজে পৃথিবীতে অভিযান চালাতে পারে। সূত্র: বিবিসি

যে কারণে নোবেল পাননি হকিং
রাশিদ রিয়াজ : বিজ্ঞানের সাধনায় স্টিফেন হর্কি নিজেকে উৎসর্গ করে আবিষ্কার করেছিলেন ‘ব্ল্যাক হোলস আর মর্টাল’ তথ্য, কিন্তু তার এ তত্ত্ব প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। তাই তিনি পাননি নোবেল পুরস্কার।
ন্যাশনাল জিওগ্রফিক পত্রিকায় দ্য সায়েন্স অফ লিবার্টির লেখক টিমথি ফেরিস এর ব্যাখ্যা দিয়ে লিখেছিলেন, যদিও থিওরিটিকাল ফিজিক্সে এখন তার ব্ল্যাক হোলস আর মর্টাল থিওরি তর্কহীনভাবেই প্রতিষ্ঠিত, তবুও তার এই তত্ত্ব প্রমাণ করার কোনও উপায় ছিল না। যদি কোনওভাবে সেই তত্ত্ব প্রমাণ করা যেত তাহলে হয়তো তিনি নোবেল পেতেন। ফেরিস বলেন, এই তত্ত্ব প্রমাণ করা বর্তমানে প্রায় অসম্ভবই। তারার আকারের প্রথম ব্ল্যাক হোল বিস্ফোরণের এখনও কয়েক লাখ কোটি বছর বাকি রয়েছে।
প্রমাণের অভাবে ঠিক একই কারণে ১৯৬৪ সালে পিটার হিগস ‘হিগস বোসন’ তত্ত্বের জন্যে নোবেল পাননি। দীর্ঘ ৪৯ বছর পরে সার্ন এই তত্ত্বকে প্রমাণ করার পরই ২০১৩ সালে ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলাটের সঙ্গে যৌথভাবে পিটার হিগস নোবেল পান। টাইমস অব ইন্ডিয়া

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV