Saturday, 20 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

অভিবাসন আইন সংস্কার, অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রত্যয় ওবামার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 45 বার

প্রকাশিত: January 29, 2014 | 8:36 AM

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বার্ষিক স্টেট অব ইউনিয়ন ভাষণে অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই, মধ্যবিত্তদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি ও জীবনমান উন্নয়ন, নারীদের জন্য সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা, স্বাস্থ্যসেবা খাতে পরিবর্তন, অভিবাসন আইন সংস্কার, পররাষ্ট্রনীতিসহ নানা ইস্যুতে তার কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। গতকাল রাতে কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে স্টেট অব ইউনিয়ন ভাষণ দেন ওবামা। ভাষণে তিনি তার কর্মপরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি রূপরেখা উপস্থাপন করেছেন। বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলেন মার্কিন ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামা, বাস্কেটবল খেলোয়াড় জেসন কলিন্স, বোস্টন ম্যারাথনে বিস্ফোরণে বেঁচে যাওয়া কার্লোস আরেনডন্ডো, জেফ বাউম্যান ও ওকলাহোমা শহরের দমকল বাহিনীর প্রধান। এতে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কর্মজীবীদের ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো ও অবসরপ্রাপ্তদের জন্য তহবিল সৃষ্টির ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ২০১৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ভেঙে পড়া অভিবাসন ব্যবস্থা তিনি সংস্কারের ঘোষণাও দিয়েছেন। তিনি বলেন, এ বছরটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য যুগান্তকারী হতে পারে। মার্কিন আইনপ্রণেতাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান ওবামা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে সংস্কার উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রে জনগণের আয়ের তারতম্য, সামাজিক বৈষম্য বেড়েছে। সেখান থেকে উত্তরণে আইন প্রণেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। স্বাস্থ্যসেবা খাতে কোন ভাল প্রস্তাব থাকলে তা উপস্থাপনেরও আহ্বান জানান। মধ্যবিত্তদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি, চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য ঘণ্টায় ১০ ডলার ১০ সেন্ট নির্ধারণের নির্দেশ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন ওবামা। শীর্ষ জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার হুমকি নতুন মোড় নিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সারা বিশ্বে তারা স্থান করে নিয়েছে। ২০১৪ সালের মধ্যে কুখ্যাত গুয়ান্তানামো বে কারাগার বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেন তিনি। এদিকে কংগ্রেসের অনুমোদন না পেলেও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ইস্যুতে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিষিদ্ধের বিষয়ে সমঝোতায় আসা কঠিন হবে মন্তব্য করে ওবামা বলেন, আলোচনা চলাকালীন ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে গেলে তিনি ভেটো দেবেন। পররাষ্ট্রনীতি ইস্যুতে ওবামা বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি একটি ঐক্যবদ্ধ আফগানিস্তানকে দেখতে চান। সিরিয়ার বিরোধী যারা কোন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়, তাদের সমর্থন দেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। মার্কিন জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণের শুরুর দিকে তিনি বলেন, আপনারা আমাদের ঐক্যকে সুসংহত করেছেন। ৫ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে বেকারত্বের হার এখন সর্বনিম্ন হওয়ায় তিনি সমাজের সব স্তরের মানুষের অবদানের জন্য অভিবাদন জানান। সম্মিলিতভাবে এ বছরটিকে কর্মদ্যোগের বছর করে তোলার আহ্বান জানান ওবামা। উন্নতির ধারাকে আরও ত্বরান্বিত করা, বেকারত্ব কমানো, মধ্যবিত্তদের জন্য সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের আরও শক্তিশালী করে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। ওবামা বলেন, আজ আমাদের কর্মক্ষেত্রের অর্ধেকই নারী। অথচ তারা এখনও তারা পুরুষদের প্রতি ১ ডলার আয়ের বিপরীতে ৭৭ সেন্ট আয় করেন। এমনটা ঠিক নয়। আর ২০১৪ সালে এটা বিব্রতকর। নারীরা সমান কাজে সমান পারিশ্রমিক পাওয়ার দাবিদার। যুক্তরাষ্ট্রে যে সুযোগ-সুবিধা পেয়ে ওবামা দম্পতি ছোটবেলা থেকে বেড়ে উঠেছেন, তা দেশের প্রতিটি শিশু পাওয়ার দাবিদার এবং সে লক্ষ্য পূরণের পথেই তারা হাঁটছেন। ওবামা বলেন, তিনি দায়িত্ব নেয়ার সময় ১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন সেনা ইরাক ও আফগানিস্তানে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আফগানিস্তান থেকে দেশে ফিরেছে ৬০ হাজারেরও বেশি সেনা সদস্য।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV