Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

অভ্যন্তরীণ শাসন ব্যবস্থা নিয়ে কিছু প্রশ্ন থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে: কংগ্রেসের শুনানীতে রবার্ট ব্ল্যাক

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 37 বার

প্রকাশিত: April 6, 2011 | 8:36 AM

 এনা : কংগ্রেসে ফরেন এফেয়ার্স বিষয়ক সাব কমিটিতে ৫ এপ্রিল ‘দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নির্ণয়’ শীর্ষক শুনানীতে অংশ নিয়ে সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ও ব্ল্যাক জুনিয়র বলেছেন, অভ্যন্তরীণ শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে সাম্প্রতিক কিছু প্রশ্ন উত্থাপিত হলেও বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রকে আন্তরিক সহায়তা দিচ্ছে। এসব ইস্যুর মধ্যে রয়েছে সন্ত্রাস নির্মূল, খাদ্য নিরাপত্তা, বিশ্বস্বাস্থ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তন। তিনি বলেন, ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে শেখ হাসিনা বিজয়ী হবার পর থেকেই বাংলাদেশে সন্ত্রাসীদের ঠাঁই হচ্ছে না, অধিকন্তু জঙ্গিবাদে লিপ্ত গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মি. ব্ল্যাক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের সাথে সম্পর্কোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং এ প্রক্রিয়ায় জ্বালানী ঘাটতি, পানির ন্যায্য হিস্যা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মত সমস্যা সমাধানের পথ সুগম করতে পারে। মি. ব্ল্যাক উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে। বিগত দশকে বাংলাদেশের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬% এর মত এবং ২০১৫ সালের মধ্যে সহ�্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের পথেও দেশটি এগুচ্ছে। মি. ব্ল্যাক বলেন, এতদসত্বেও এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ হিসেবেই রয়েছে। বিশ্বকে ঢেলে সাজাতে প্রেসিডেন্ট ওবামার ৩টি উদ্যোগ-বিশ্বস্বাস্থ্য সংহত, ভবিষ্যতের খাদ্য সংকট মোকাবেলা এবং জলবায়ু পরিবর্তন রোধকে বাংলাদেশ আন্তরিক অর্থে গ্রহণ করেছে। এর ফলে দীর্ঘ মেয়াদি উন্নয়নের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত এবং বাংলাদেশের জনজীবনের উন্নয়ন ঘটতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ হচ্ছে সেক্যুলার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র-যার রয়েছে ধর্ম এবং সম্প্রদায়গত সম্প্রীতির অনন্য নজির। উদ্ভাবনীতে সারাবিশ্বে সুনাম অর্জনকারী সুশীল সমাজ দেশটির অহংবোধকে উজ্জ্বল করেছে। এ সমাজ থেকেই শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার অর্জনকারীরা ড. মুহম্মদ ইউনূসের মত বিশ্বনন্দিত মানুষের জন্ম হয়েছে, যার হাতে গড়া গ্রামীণ ব্যাংক ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থার প্রবর্তক হিসেবে সুপরিচিত এবং এই ব্যাংক প্রদত্ত ক্ষুদ্রঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ-যার অধিকাংশই মহিলা এবং যাদের সহায়-সম্পদ বলতে কিছুই নেই। মি. ব্ল্যাক বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ প্রশ্নে বাংলাদেশ সরকার এবং ড. ইউনূসের মধ্যে প্রচন্ড বিরোধ তৈরী হয়েছে, যা বাংলাদেশের সুশীল সমাজেও প্রভাব ফেলেছে। দু�সপ্তাহ আগে আমি যখন বাংলাদেশে গিয়েছিলাম, বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং আমি সরকারের প্রতি আহবান রেখেছি সুশীল সমাজের মর্যাদা সুরক্ষার জন্য এবং গ্রামীণ ব্যাংকের স্বায়ত্বশাসন নিশ্চিত রাখতে। সে সময় আমি সতর্ক করেছি যে ড. ইউনূসের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি সমুন্নত এবং গ্রামীণের সুনাম ও কার্যকারিতা অটুট থাকে এমন একটি সম্মানজনক সমঝোতা করা সম্ভব না হলে আমাদের দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কে তার প্রভাব পড়তে পারে। এতদসত্বেও আমরা সব সময় প্রত্যাশা করি পরস্পরের স্বার্থে বাংলাদেশ ও তার জনসাধারণের সাথে একযোগে কাজের মাধ্যমে দেশটির এগিয়ে চলার পথ সুগম রাখতে। সাব কমিটির চেয়ারওম্যান ফ্লোরিডার রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান ইলিয়ানা রোস-লেথিনেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ শুনানীতে সাবেক চেয়ারম্যান কংগ্রেসম্যান গ্যারী একারম্যান, ইউএসএইডের সহকারী প্রশাসক নিশা দেশাই বিশোয়াল, স্টেট ডিপার্টমেন্টে আফগানিস্তান ও পাকিস্তান বিষয়ক স্পেশাল রিপ্রেজেনটেটিভ ডেনিয়েল ফেল্ডম্যান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান বিষয়ক উপ-পরিচালক ডোনাল্ড স্যাম্পলারও নিজ নিজ বক্তব্য উপস্থাপন করেন। মূল বক্তব্যে রবার্ট ব্ল্যাক জুনিয়র আরো বলেন, গত এক দশকে ভারত ৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ক্রয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। তিনি বলেন, মন্দা সত্বেও ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে পণ্য রফতানী বেড়েছে ১৭%। অপরদিকে আমদানী বেড়েছে ৪০%। পরস্পরের ব্যবসায়িক স্বার্থে আমরা সচেষ্ট রয়েছি বাণিজ্য সুবিধা আরো উদার করতে। একইসাথে বিনিয়োগ পরিধিও বিস্তৃত করার কাজ চলছে। যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বিনিয়োগও ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগের পরিমাণ ৪.৪ বিলিয়ন ডলার। 

 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ