Thursday, 25 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

আকরামুল কাদেরের দৃষ্টিতে মার্কিন নির্বাচন : আমেরিকার ইতিহাসে এবারই হচ্ছে সবচেয়ে ‘বাজে ইলেকশন’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 111 বার

প্রকাশিত: November 5, 2016 | 2:58 PM

মিজানুর রহমান : আমেরিকার ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে ‘বাজে ইলেকশন’ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের সদ্য সাবেক রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী যে ভাষায় একে অন্যকে আক্রমণ করছেন তা সত্যিই অচিন্তনীয়।’ ৮ই নভেম্বরের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে মানবজমিনের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকারে জ্যেষ্ঠ ওই কূটনীতিক এসব কথা বলেন।
২০০৯’র ৪ঠা নভেম্বর থেকে ২০১৪’র ৩১শে মে পর্যন্ত দীর্ঘ সময় প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় দেশটিতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বপালনকারী ওই কূটনীতিক তার সাক্ষাৎকারে ‘বাজে ইলেকশন’-এর ব্যাখ্যাও দেন। বলেন, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন তার প্রতিপক্ষ রিপাবলিকান পার্টির ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি অতটা আক্রমণাত্মক না হলেও ট্রাম্প অত্যন্ত নোংরাভাবে হিলারিকে আক্রমণ করছেন। নির্বাচনে হেরে গেলে তিনি (ট্রাম্প) ফল মেনে না নেয়ার হুমকিও দিয়েছেন! আমেরিকায় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলা কিংবা ফল বর্জন করা খুব সহজ নয় মন্তব্য করে ওই কূটনীতিক বলেন, ‘ইউএস ইলেকশনের রেজাল্ট চ্যালেঞ্জ করতে হলে মামলা করতে হয়। আমেরিকান সিস্টেম অনুযায়ী স্টেটে (অঙ্গরাজ্যে) কেস  করতে হয়। সেখানে প্রত্যেকটি স্টেটে ইলেকশন হয়। সুতরাং রেজাল্ট চ্যালেঞ্জ করতে হলে প্রত্যেক স্টেটে একটি করে কেস করতে হয়। হেরে গেলে রেজাল্ট চ্যালেঞ্জ করার হুমকি দিয়ে ডনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার নির্বাচনকে জটিল করে ফেলেছেন বলে মনে করেন রাষ্ট্রদূত কাদের। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগাম ভোট গ্রহণে ট্রাম্প জালিয়াতির অভিযোগ করেছেন। অথচ দেখা গেল (মিডিয়ার খবর) জালভোট দেয়ার দায়ে যে ৪-৫ জন ভোটার ধরা পড়েছেন তারা সবাই ট্রাম্পেরই সমর্থক। তিনি বলেন, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে কথা বলছেন। ন্যাটো কোন কাজ করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন। মুসলমানদের কটাক্ষ করে বক্তব্য দিচ্ছেন। মেক্সিকানদের বিরুদ্ধে বিষোদ্‌গার করছেন। আমেরিকার ইতিহাসে কোনো প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এভাবে কাউকে আক্রমণ করেননি।
ট্রাম্পের অব্যাহত এই আচরণকে ‘সত্যিই বড় দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তান আমল থেকে দুনিয়ার দেশে দেশে দূতিয়ালী করা ওই প্রবীণ কূটনীতিক। তিনি বলেন, এতকিছুর পরও আমরা দেখলাম এবিসি’র জরিপে ট্রাম্প এক পয়েন্ট এগিয়ে গেছেন। অবশ্য এখন দেখছি হিলারি ৩ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়। আলোড়ন সৃষ্টিকারী ওই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে নেতৃত্ব আসবে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হবে? জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন অনেক পরিণত। সেখানে নেতৃত্বে যে বা যারাই আসেন না কেন বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে তেমন কোনো পরিবর্তন হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি সুবিধা স্থগিত হয়েছে রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদেরের আমলে। তিনি অবশ্য তার মেয়াদ পূর্তি পর্যন্ত সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারে জোর চেষ্টা চালিয়েছেন। দেশটিতে তার স্থলাভিষিক্ত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং বাংলাদেশ মিশন এখনো সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। আসন্ন নির্বাচনের পর দেশটির বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি সুবিধা ফের চালুর কোনো সম্ভাবনা দেখেন কি-না? এমন প্রশ্নে কূটনীতিক আকরামুল কাদের বলেন, জিএসপি ফেরত পাওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের চাওয়া। স্থগিত হওয়ার পর থেকেই আমরা তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে আসছি। জিএসপি পর্যালোচনার পরবর্তী বৈঠকে বাংলাদেশের চাওয়ার বিষয়টি আলোচনা হবে জানিয়ে  সাবেক রাষ্ট্রদূত বলেন, জিএসপি ফেরত পাওয়ার জন্য বাংলাদেশকে ১৬টি শর্ত দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। আমরা তার সবক’টি পূরণ করেছি। এখন তারা (যুক্তরাষ্ট্র) এটাকে পলিটিক্যাল ইস্যু বানিয়ে ফেলছে। তা না হলে শর্ত পূরণের পর সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হতো। যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির ঢাকা সফরে দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা চাওয়া হয়েছে। পরবর্তী সরকারের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের ওই বাণিজ্য সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি কতটা মসৃণ হবে? জানতে চাইলে আকরামুল কাদের বলেন, শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধার বিষয়ে আমরা আরো আগে থেকেই বলে আসছি। আমরা বারবার বলছি, বলে যাবো। কারণ সাব সাহারান কান্ট্রিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ ওই সুবিধা দিচ্ছে। আমরা মনে করি এলডিসি কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশকেও যুক্তরাষ্ট্রের সেই সুবিধা দেয়া উচিত। আমরা এ জন্য ফাইট করছি। আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন আমাদের সাপোর্ট করছে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর নবগঠিত মার্কিন প্রশাসন অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা সামাল দিতে হয়তো কিছুটা সময় নেবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর নতুন নেতৃত্ব আমাদের দাবির বিষয়টি আমলে নেবেন বলেই আমার বিশ্বাস। তবে সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি খুব তাড়াতাড়ি হবে বলে মনে হয় না। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV