আগ্নেয়গিরির লাভা গ্রাস করছে হাওয়াই দ্বীপকে
আমেরিকার হাওয়াই দ্বীপের পাহোয়া শহরকে ধীরে ধীরে গ্রাস করে ফেলছে আগ্নেয়গিরির সক্রিয় লাভা। শহরের কর্মকর্তারা সেখানকার বাসিন্দাদেরকে সম্ভাব্য স্থানান্তরের বিষয়ে প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
লোকালয়ের দিকে দিন দিন সক্রিয় লাভা এগিয়ে আসার কারণে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। গত ২৭ জুন শুরু হওয়া অগ্ন্যুত্পাতের ফলে কিলাউইয়া আগ্নেয়গিরি থেকে এ লাভা এরই মধ্যে পাহোয়ার প্রধান সড়কের কাছে পৌঁছে গেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ কেন্দ্র একথা বলেছে। পুনা এলাকার সবচেয়ে বড় শহর হচ্ছে পাহোয়া।
শহরের কর্মকর্তারা বলছেন, লাভার ভেতরে ঝুঁকিপূর্ণ কোনো উপাদান দেখা গেলে অথবা লাভার গতি যদি মারাত্মক পার্যায়ে চলে যায় অর্থাত্ লাভার কারণে লোকজন স্বল্প সময়ের নোটিশে ঘর-বাড়ি ছাড়তে পারবে না এমন পর্যায়ে গেলে তখন শহর খালি করার জন্য বাধ্যতামূলক নোটিশ দেয়া হবে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ কেন্দ্র জানিয়েছে, ২০০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপসমৃদ্ধ লাভাতে রয়েছে গলিত পাথর যার গতিপথ ৫০ থেকে ৭০ মিটার চওড়া। আর প্রতি ঘণ্টায় লাভার গতি হচ্ছে ৯ মিটার।
হাওয়াই কাউন্টির সিভিল ডিফেন্স বিভাগের পরিচালক ড্যারিল অলিভিয়েরা জানিয়েছেন, তারা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখছেন তবে অতটা মারাত্মক কিছু হবে না বলে আশা করছেন। লাভা যদি মূল মহাসড়ক ও হাইওয়ে দখল করে ফেলে তাহলে লোকজনকে যাতে বিকল্প রাস্তায় সরিয়ে নেয়ার কাজ করা যায় জরুরি বিভাগ সে ব্যবস্থাও করে রেখেছে।
১৯৮৩ সাল থেকে অব্যাহতভাবে কিলাউইয়া আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা নির্গত হচ্ছে কিন্তু গত দু বছর লাভা তার গতিপথ পরিবর্তন করেছে এবং উত্তর-পশ্চিমের পাহোয়া শহরের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় হাওয়াই দ্বীপের গভর্নর মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণার আবেদন করেছেন যাতে স্থানীয় জরুরি বিভাগের কর্মীরা কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তা পান। রয়টার্স/আমার দেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!