Sunday, 25 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

আদমশুমারি: এক দশকে বাংলাদেশি বেড়েছে ৫৯ হাজার :লন্ডনে ব্রিটিশ শ্বেতাঙ্গরা সংখ্যালঘু!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 29 বার

প্রকাশিত: December 12, 2012 | 8:37 PM

 

যুক্তরাজ্যের ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে গত ১০ বছরে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা বেড়েছে ৫৯ হাজার। তবে অভিবাসী জনগোষ্ঠীর দিক থেকে বাংলাদেশিদের অবস্থান এক ধাপ নেমেছে। এদিকে লন্ডনে শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের সংখ্যা এই প্রথম মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের নিচে নেমে গেছে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগ গত মঙ্গলবার ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের আদমশুমারির প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ২০১১ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত ওই আদমশুমারির প্রতিবেদনে দেখা যায়, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা দুই লাখ ১২ হাজার। ১০ বছর আগে ২০০১ সালের আদমশুমারিতে এ সংখ্যা ছিল এক লাখ ৫৩ হাজার। তবে ২০০১ সালে অভিবাসী জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশিদের অবস্থান পঞ্চম হলেও এবার একধাপ কমে দাঁড়িয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। এ তালিকায় সবার ওপর আছে ভারত। ভারতীয় অভিবাসীর সংখ্যা ছয় লাখ ৯৪ হাজার। এরপর রয়েছে যথাক্রমে পোল্যান্ড, পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র ও জার্মানি। আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, লন্ডনের নাগরিকদের মধ্যে ব্রিটিশ শ্বেতাঙ্গের সংখ্যা এখন ৪৪ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০০১ সালে তা ছিল ৫৮ শতাংশ। তবে শ্বেতাঙ্গ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে লন্ডনে মোট শ্বেতাঙ্গ ৬০ শতাংশ। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে গত ১০ বছরে জনসংখ্যা ৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ কোটি ৬১ লাখে। এ ১০ বছরে অভিবাসীর সংখ্যা নাটকীয় হারে বেড়েছে। আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, মোট ৭৫ লাখ অভিবাসীর মধ্যে ৩৮ লাখ অভিবাসীই বেড়েছে এই দশকে। আর পৌর এলাকাগুলোর মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সর্বোচ্চ হার ছিল বাঙালি-অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস ও নিউহ্যাম বরায়। গত ১০ বছরে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে খ্রিষ্টধর্মে বিশ্বাসীদের হার কমেছে বলেও আদমশুমারিতে উল্লেখ করা হয়। ২০০১ সালে খ্রিষ্টধর্মে বিশ্বাসীদের সংখ্যা ৭২ শতাংশ থাকলেও এবার কমে দাঁড়িয়েছে ৫৯ শতাংশে। তবে এই সময়ে কোনো ধর্মে বিশ্বাস করেন না—এমন লোকের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২৫ শতাংশ হয়েছে। এ সময় সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীদের সংখ্যা। ২০০১ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ১৫ লাখ। ২০১১ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখে। আদমশুমারিতে উল্লেখ করা হয়, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে মোট জনসংখ্যার ১৬ শতাংশের বয়স ৬৫ বছরের ওপরে। এঁরা পেনশন ও রাষ্ট্রের সামাজিক কল্যাণমূলক সেবার ওপর নির্ভরশীল।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ