আন্তর্জাতিক নারী দিবস নিয়ে কৌশলী ইমা’র গান ‘এখন সবার মুখ ফোটে, কারো বুক ফাটে না’

বাংলা প্রেস (নিউইংল্যান্ড):আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘এখন সবার মুখ ফোটে, কারো বুক ফাটে না’ গান গাইলেন সমকালীন সঙ্গীত শিল্পী কৌশলী ইমা। নারী-পুরুষে বৈষম্যের প্রতিবাদে সাম্প্রতি ‘মাটির মানুষ’ অ্যালবামে তার এ গানটি প্রকাশিত হয়েছে। এ গানটিতে নারীর সমঅধিকারের দাবীসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়। কৌশলী ইমা সমকালীন গান গেয়ে খুব অল্প সময়ে অর্জন করেছেন প্রচুর জনপ্রিয়তা। তিনি ঢাকা সরকারি সঙ্গীত মহাবিদ্যালয় থেকে লোকসঙ্গীতে স্নাতক ডিগ্রি এবং লালমাটিয়া মহিলা কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি গান শিখেছেন লালন সম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীন, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, বিপুল ভট্টাচার্য্য, কিরন চন্দ্র রায়, চন্দনা মজুমদার ও জহির আলীমের কাছ থেকে। বর্তমানে তিনি তালিম নিচ্ছেন কলকাতার গোল্ডেন ভয়েস এওয়ার্ড বিজয়ী জনপ্রিয় শিল্পী শান্তনু ভৌমিক ও লোকসঙ্গীত সম্রাজ্ঞী গীতা চৌধুরীর কাছে। তিনি ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। বর্তমানে কানেকটিকাটের ম্যানচেস্টারে স্থায়ীভাবে বাস করছেন। দেশে অবস্থানকালে তিনি গান গেয়েছেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে।
কৌশলী ইমা মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত চিরসবুজ বাংলাদেশের মাটি আর মানুষের প্রতি গভীর ভালবাসা হৃদয়ে লালন করে গণমানুষের জন্য গান গেয়ে যাচ্ছেন। প্রবাসে শত প্রতিকুলতার মাঝেও তিনি এক নাগাড়ে সঙ্গীত চর্চা করে যাচ্ছেন। প্রচন্ড সাহসিকতার সাথে বলিষ্ঠ কন্ঠে সমাজের নানা অনিয়ম–দুর্নীতি, অন্যায়–অবিচার ও কুসংস্কারকে তিনি গানের ভাষায় দর্শক–শ্রোতাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেন। রাজনীতির নামে নেতা-নেত্রীদের ভন্ডামী, রাজাকারদের বিচারের দাবি, টিপাইমুখ বাঁধ বন্ধের দাবি, পিলখানার জঘন্য হত্যাকান্ড, নিমতলীর ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, নারী–পুরুষে বৈষম্য এবং অবৈধ অভিবাসীদের সুখ–দুঃখ নিয়ে তার গাওয়া গান শুনে দর্শক–শ্রোতার হৃদয় ছুঁয়ে যায়। রাষ্ট্রীয় মর্যাদা থেকে বঞ্চিত, অবহেলিত ও ভিক্ষে করে খাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তিনিই প্রথম গান গেয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি, দেশপ্রেম, মানবপ্রেম ও আধ্যাত্মিক বিষয় নিয়ে তার গাওয়া গান সর্ব মহলে প্রশংসিত। সমসাময়িক বিষয় এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু ভিত্তিক তার বৈচিত্র্যময় গান ইতোমধ্যে দেশ ও বিদেশে বেশ সুনাম কুড়িয়েছে। বৈচিত্র্যময় গানের সংকলন ‘আমলনামা ডট কম‘ ও ‘মাটির মানুষ‘ নামে তার দু‘টি অ্যালবাম বেরিয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়ে আসছে। ১৯১১ সালের ৮ মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সুচনা হয়। সূত্র মতে, ১৮৫৭ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে একটি পোশাক কারখানার নারী শ্রমিকরা দৈনিক ১২ ঘণ্টা থেকে শ্রমঘণ্টা কমিয়ে আট ঘণ্টা নির্ধারণ, ন্যায্য মজুরি ও কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। ওই আন্দোলনে তাঁরা আট ঘণ্টা কাজের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জয়ী হন। নারী আন্দোলনের এ দিনকে প্রাধান্য দিয়ে ১৯১০ সালে সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিন ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের প্রস্তাব করেন। তাঁর প্রস্তাব গৃহীত হয়ে পরের বছর ১৯১১ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিনটি নারী দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের