Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

আপনার শিশু খেতে চায় না?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 49 বার

প্রকাশিত: June 13, 2013 | 6:17 PM

                                            আসফিয়া আজিম : বেশির ভাগ অভিভাবকের অনুযোগ, তাঁর শিশুসন্তানটি কিছু খেতে চায় না। শিশুদের খাওয়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইনফ্যান্ট অ্যান্ড ইয়াং চাইল্ড ফিডিংয়ের দিকনির্দেশনা রয়েছে। এ ছাড়া আরও কিছু সংস্থার পরামর্শ রয়েছে। তারা বলছে— ১. শিশু বসতে শেখার পরপরই তাকে নিজে নিজে খাবার খেতে অভ্যস্ত করে তুলুন। বিভিন্ন খাবারের রং, ধরন, গন্ধ শেখার পাশাপাশি তা ধরতে ও খাওয়ার মাধ্যমে শিশু খাবারের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে। ২. শিশুকে কখনোই জোর করে কিংবা বকা দিয়ে বা মারধর করে খাওয়ানো যাবে না। উৎসাহ দিয়ে ও প্রশংসা করে শিশুকে খাওয়াতে হব। মনে রাখতে হবে, কোনো কোনো সময় শিশুর বৃদ্ধির গতি কিছুটা হ্রাস পায়। শিশু কখনো কখনো নিষ্ক্রিয় থাকে, সেসব সময় তার খাবারের চাহিদাও কমে আসে। ৩. শিশুকে সকাল, দুপুর ও রাতের মূল খাবারের মধ্যে দুবার হালকা নাশতা দেওয়া প্রয়োজন। যখন-তখন খাবার খাওয়াতে জোর করবেন না। খাবারের সঠিক সময়সূচি থাকা চাই। নাশতা যেন খুব ভারী না হয়। আর তা যেন মূল খাবারের কাছাকাছি সময়ে দেওয়া না হয়।  ৪. অনেক ক্ষেত্রেই অভিভাবকেরা একই পরিমাণ নাশতা ও মূল খাবার শিশুকে দিয়ে থাকেন, যা তার ক্ষুধামন্দা তৈরি করে। তাই নাশতার পরিমাণ কম ও মূল খাবার বেশি হওয়া দরকার। ৫. শিশুর পছন্দকে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি খাবারে বৈচিত্র্য আনতে হবে। যেমন শিশুকে বলা যেতে পারে, ‘তুমি আপেল নাকি আম কোনটা খেতে চাও?’ শিশু যেটা খেতে চাইবে, সেটাই তাকে দিতে হবে। ৬. শিশুকে ফলের রস বা জুস না খাইয়ে আস্ত ফল খাওয়ান। খুব বেশি পরিমাণে তরল খাওয়ালে শিশুর পেট ভরে যাবে, কিন্তু পুষ্টির চাহিদাতে ঘাটতি দেখা দেবে। ৭. শিশুকে চকলেট, চিপস, জুস ও ফাস্ট ফুড-জাতীয় খাবার যত কম দেওয়া যায় ততই ভালো। এসবে শিশুর ক্ষুধা কমে যায়, সহজে আর খিদে পায় না। শিশু মূল খাবারের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। ৮. একই ধরনের খাবার বারবার খাওয়াবেন না। খাবারে বৈচিত্র্য আনা জরুরি। ৯. শিশুকে তার খাওয়ার সময় বেঁধে দিন ২০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে। ওই সময়ের মধ্যে শিশু তার বরাদ্দ পরিমাণ খাবার শেষ করতে না পারলে সরিয়ে নিন, জোর করবেন না। শিশুকে আধা ঘণ্টার বেশি সময় ধরে খাওয়ালে শিশুর মধ্যে অরুচি তৈরি হয় এবং হজমে ব্যাঘাত ঘটে। ১০. টেলিভিশন বা গেম দেখতে দেখতে শিশুকে খাওয়ানো যাবে না। পরিবারের সবাই একত্রে বসে শিশুকে সঙ্গে নিয়ে খেলে খাওয়ার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে শিশু। জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV