আমেরিকা প্রবাসীর বিয়ের প্রতারণায় গৃহবধূ, মিথ্যা মৃত্যুর সংবাদ : ১৫ বছর পর ফেসবুকে খোঁজ মিললো!
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : মোবাইলের প্রেমোজ সম্পর্কের সূত্র ধরে বাংলাদেশী বংশভুত আমেরিকা প্রবাসীর বিয়ের প্রতারণায় ঢাকার এক গৃহবধু সর্বশান্ত হয়েছে। ভাইকে দিয়ে মিথ্যা মৃত্যুর সংবাদ পাঠিয়ে অভিনব কৌশলে নিজেকে আতœগোপন করেন। দীর্ঘ ১৫ বছর পর ফেসবুকে মিললো সেই প্রতারকের খোঁজ। লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, মোবাইলের মাধ্যমে ৪ মাস প্রেমোজ সম্পর্কের সূত্র ধরে গত ২০০২ সালের আগষ্ট মাসে রাঘরির গুফতা টুটুল নামে বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলার এক আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশে যায়। রাঘবির ওই প্রেমিকা স্কুল শিক্ষিকা অপরাজিতা দে মুক্তির পরিবারের সাথে দেখা করে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। টুটুলের প্রথম স্ত্রীর সাথে ডিভোর্জসহ সে ঘরে একটি সন্তান থাকায় মুক্তির পরিবার তার সাথে বিয়ে দিতে রাজি ছিলো না। তখন সুচতুর টুটুল তার আমেরিকায় গাড়ি, বাড়ি, ব্যবসা ও অনেক অর্থের প্রাচুর্যের প্রলোভন দেখিয়ে মুক্তিকে এক প্রকার জোর করে ২৫ আগষ্ট ২০০২ সালে আমেরিকা প্রবাসী ভারজেনিয়া এলাকার এ্যালেক্স আন্দিরা এয়ারলিংটন শহরের সিবানন্দ গুফতা’র ছেলে রাঘবির গুফতা টুটুল (৬২)’র সাথে ঢাকায় ঢাকেশ^রী মন্দির ও নোটারি পাবলিক কর্মকর্তার মাধ্যমে ঢাকার খিঁলগাও এলাকার সুনিল কুমার দে’র মেয়ে ও মহিলা সমিতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অপরাজিতা দে মুক্তি (৪৪)’র পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়।
বিয়ের ১৫ দিনের পর প্রবাসী স্বামী টুটুল আমেরিকায় পাড়ি জমায়। যাওয়ার আগে স্ত্রী’র পরিবারের কাছ থেকে মুক্তির জন্য আমেরিকায় পোশাকের দোকান দিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে নেয়। তাছাড়া স্ত্রী মুক্তিকে তাড়াতাড়ি আমেরিকা ভিসা করে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে মুক্তির কাছ থেকে আরো ২০ ভরি স্বর্ণ নিয়ে নেয়। পরে মুক্তিকে আমেরিকা নিয়ে আসার জন্য গত ১৯ অক্টোবর ২০০২ সালে একটি পাসপোর্ট তৈরী করায়।
যাওয়ার ৬ মাস পর টুটুলের বড় ভাই রাজা গুফতা মুক্তির বাসায় এসে টুটুল আমেরিকাতে রোড এ্যাকসিডেন্ট করে মারা যাওয়ার খবর দেয়। তাছাড়া টুটুলের মা পারুল গুফতা কলকাতার বেহালা থেকে তার ছেলে টুটুল মরে যাওয়ার খবর টেলিফোনের মাধ্যমে মুক্তির পরিবারকে জানায়। এ খবরে মুক্তির মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। নিমিসে স্বপ্ন ভেঙ্গে নিঃস্ব হয়ে পড়েন তিনি। নিঃসঙ্গতার মধ্যে জীবনের দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সম্প্রতি স্বামীর সম্মান ও স্মৃতি রক্ষার্থে মুক্তি খিলগাঁয়ে একটি পোশাকের দোকান দিয়ে একাকিত্ব ও মানবেতর জীবন যাপন করছে। ১৫ বছর পর গত ১০ অক্টোবর মুক্তির বান্ধবীর মাধ্যমে ফেসবুকে ধূরন্ধর ও প্রতারক টুটুলের সন্ধান পায়। টুটুলের বন্ধুর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে সে মরে নি। শুধু প্রতারণা করার জন্য এ নাটক করেছে। হতবাক হয়ে যায় মুক্তিসহ গোটা পরিবার। তবুও মুক্তি আশায় বুক বেঁধে টুটুলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। মুক্তি এ রকম প্রতারক ও জীবন নষ্ঠকারী ঠকের উচিৎ শিক্ষা ও শাস্তি দাবি করে ০১৯৬০-৫০৩০৬৯ নম্বরে সহযোগিতা চেয়েছেন।
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ