Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

ইরাকে বিমান হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের : অভিযানে ওবামার অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 195 বার

প্রকাশিত: August 8, 2014 | 2:20 PM

 
শিফারুল শেখ : ইরাকে দুটি যুদ্ধবিমান দিয়ে হামলা শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল ইরাকের জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের সদস্যদের ওপর এই হামলা চালানো হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। হামলায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে সীমিত আকারে হামলা চালানোর অনুমতি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। এছাড়া জঙ্গিদের অবরোধের মধ্যে থাকা ইয়াজিদি সমপ্রদায়ের কয়েক হাজার মানুষের জন্য এরই মধ্যে বিমান থেকে জরুরি সহায়তা ফেলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস, গার্ডিয়ান ও আল-জাজিরার।

পেন্টাগন জানিয়েছে, ইরাকে কট্টর ইসলামপন্থী গোষ্ঠী আইসিসের বিরুদ্ধে তারা বিমান হামলা চালিয়েছে। পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি রিয়াল অ্যাডমিরাল জন কিরবি জানিয়েছেন, কুর্দিস্তানের নিকটবর্তী ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় শহর ইরবিলের কাছে আইসিস’র ভারি অস্ত্র লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এফ-১৮ যুদ্ধবিমান থেকে ২২৫ কেজি ওজনের লেজার গাইডেড বোমা নিক্ষেপ করা হয়। কুর্দি মিলিশিয়া পেশমার্গার যোদ্ধারা আইসিসের হাত থেকে ইরবিল শহর রক্ষার জন্য লড়াই করছে। কিরবি বলেন, আইসিএসের যোদ্ধারা ইরবিলের যে স্থানে কুর্দি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ওই ভারি অস্ত্র ব্যবহার করছিলেন তার খুব কাছেই মার্কিন কর্মকর্তাদের অবস্থান।
বৃহস্পতিবার প্রয়োজনে সীমিত বিমান আক্রমণ চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বারাক ওবামা। নিজের নিরাপত্তা সংক্রান্ত উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনার পরে এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পাশাপাশি কোনও পরিস্থিতিতেই ইরাকে মার্কিন সেনা ফিরবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর আগেই পেন্টাগন জানিয়েছিল, সুন্নি জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক অ্যান্ড সিরিয়া’র (আইসিস) হামলায় ইরাকের উত্তর-পশ্চিমে সিনজার পর্বতে আশ্রয় নেওয়া ইয়াজিদি সম্পদায়ের খ্রিস্টানদের জন্য বিমান থেকে ত্রাণসামগ্রী ফেলা হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এই সমপ্রদায়ের অধিকাংশ মানুষই হয় ক্ষুধা-তৃষ্ণায়, না হলে আইসিস’র অত্যাচারে মারা যেতে পারেন বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। বিমান হামলার অনুমতি দিলেও বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, বিশ্বের সব সমস্যার সমাধান করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র চোখ বুজে বসেও থাকতে পারে না। সিনজার পর্বতে খ্রিস্টানদের গণহত্যা আটকাতে ত্রাণের পাশাপাশি প্রয়োজনে বিমান আক্রমণও জরুরি বলে তিনি জানান।
সিরিয়ার বেশ কিছু অংশে প্রভাব বিস্তার করার পর চলতি বছরের মার্চ থেকে ইরাকের সুন্নি প্রধান অঞ্চলগুলোতে অভিযান শুরু করে সুন্নি জঙ্গি গোষ্ঠী আইসিস। তাদের ঝড়ের বেগে আক্রমণে উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিম ইরাকের একের পর এক শহরের পতন হয়। সঙ্কটে পড়ে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকির নেতৃত্বাধীন সরকার। এর পরে নিজেদের দখল করা এলাকা ইসলামিক রাষ্ট্রের পরিচয় দিয়ে খিলাফতের ঘোষণা করে আইসিস। নিজেদের নেতা আবু বকর আল-বাগদাদিকে খলিফা বলেও ঘোষণা করে তারা। এর পরে বেশ কিছুদিন আইসিস’র অগ্রগতির চেষ্টা লক্ষ করা যায়নি। এর মধ্যে অবশ্য ইরাকের শিয়া প্রধান সরকারের সেনা সংগঠিত হয়ে আইসিসকে পাল্টা আক্রমণ করে। কয়েকটি শহর ইরাকি সেনা পুনর্দখলও করেছিল। কিন্তু তারপরও ইরাকের একটি বড় অংশ আইসিস’র নিয়ন্ত্রণে থেকে যায়।
আইসিস’র সঙ্গে লড়াইয়ে ইরাকি সেনাকে সাহায্য করতে যুক্তরাষ্ট্র আগেই মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞ ও সেনার প্রায় ৩শত জনের দলকে ইরাকে পাঠিয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মালিকির বারবার অনুরোধেও আকাশপথে আইসিস জঙ্গিদের উপরে আক্রমণ চালাতে অস্বীকার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে মালিকি সরকারের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের অবনতিও হয়। এমনকী, মার্কিন সাহায্য না পেয়ে মালিকি, রাশিয়ার কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কেনেন। এ বার সেই ইরাকেই বিমান হামলার অনুমতি দিলেন ওবামা। এর পিছনে ইরাকের সংখ্যালঘু খ্রিস্টানদের সামপ্রতিক সঙ্কট দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।ইত্তেফাক

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ