ইয়াহুর ৫০ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়েছিল হ্যাকাররা, পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের সুপারিশ
ইয়াহুতে অনুপ্রবেশ করে প্রায় ৫০ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়েছিল হ্যাকাররা। ২০১৪ সালে ওই অনুপ্রবেশের ঘটনা গতকাল ইয়াহু কর্তৃপক্ষ প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে। এটিই ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্ঞাত সাইবার-অনুপ্রবেশের নজির। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
খবরে আরও বলা হয়, অনুপ্রবেশের মাধ্যমে হ্যাকাররা হাতিয়ে নিয়েছে ব্যবহারকারীদের ব্যাক্তিগত বহু তথ্য। এর মধ্যে রয়েছে নাম, ইমেইল, নিরাপত্তা প্রশ্ন ও উত্তর ও পাসওয়ার্ড। তবে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য হ্যাকাররা নিতে পারেনি। ইয়াহুর ধারণা এ হামলাটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত কোন হ্যাকারগোষ্ঠী চালিয়েছে। এফবিআই নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ঘটনাটি তারা তদন্ত করছে।
আগস্টের দিকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির ওপর বড় ধরণের হামলা হওয়ার খবর গণমাধ্যমে উঠে আসতে থাকে। তখন ‘পিস’ নামে একজন হ্যাকার প্রায় ২০ কোটি ইয়াহু ব্যবহারকারীর তথ্য বিক্রির চেষ্টা চালায়। ইয়াহু বৃহ¯পতিবার নিশ্চিত করে অনুপ্রবেশের আকার আরও বড়। ২০১৪ সালের পর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করলে এখনই করে নিতে ব্যবহারকারীদেরকে সুপারিশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ইয়াহুর মালিক ভেরাইজন বিবিসিকে জানায়, গত দুই দিনের মধ্যে হ্যাকের ঘটনাটি জানতে পেরেছে তারা। এ নিয়ে তাদের কাছে থাকা তথ্য খুবই সীমিত। ইয়াহু এক বিবৃতিতে বলেছে, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠীর অনলাইন অনুপ্রবেশ ও চুরি প্রযুক্তি শিল্পে ক্রমেই সাধারণ হয়ে উঠছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে তিনজন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদেরও ধারণা হামলাটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত। এর কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, রাশিয়ান গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে জড়িত পূর্বের হ্যাকগুলোর সঙ্গে এর মিল রয়েছে।
প্রশ্ন উঠছে হ্যাকের কথা স্বীকার করতে ইয়াহু এত সময় নিল কেন। সারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অ্যালান উডওয়ার্ড বলেন, ‘এটি উদ্বেগজনক যে, ২০১৪ সালের একটি অনুপ্রবেশ এতদিন সনাক্তের বাইরে রয়ে যেতে পারে। অবাক হওয়ারও বিষয় যে, প্রকাশ্যে বিবৃতি দিতে এতদিন লেগেছে। দুয়েক দিন লাগতে পারে। তাই বলে এত দিন? আমি ভাবতাম, এগুলো স্বীকার করে নেয়াটাই আখেরে প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো বলে প্রমাণিত হয়েছে।’
বিবিসির খবরে বলা হয়, এ হ্যাকের ব্যাপ্তি এত বড় যে তা ঢেকে দিয়েছে পূর্বের বড় অনুপ্রবেশের ঘটনাগুলোকে। যেমন, মাই¯েপসের ৩৫.৯ কোটি, লিংকডইনের ১৬.৪ কোটি ও অ্যাডোবির ১৫.২ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য চুরির ঘটনা আড়ালে চলে গেছে। ১৯৯৪ সালে জেরি ইয়াং ও ডেভিড ফিলো প্রতিষ্ঠা করেন ইয়াহু। নিজেদের প্রথম দশকজুড়ে ইন্টারনেট সেবার পথিকৃৎ ছিল এ প্রতিষ্ঠান। একসময় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ছিল ইয়াহু। দাম উঠেছিল প্রায় ১২৫০০ কোটি ডলার। তবে এ শতাব্দীর প্রথম দশকের শেষ থেকেই প্রভাব হারায় ইয়াহু। এক পর্যায়ে ভেরাইজনের কাছে মাত্র ৪৮০ কোটি ডলারে বিক্রি হয়ে যায়। প্রতিমাসে ইয়াহু মালিকানাধীন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ১০০ কোটিবারেরও বেশি ভিজিট করে মানুষ।মানবজমিন
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো