Wednesday, 24 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

ঈদে মীলাদুন্নবীর ঐতিহ্যকে আবারো ফিরে আনলো নিউইয়র্কের জেবিবিএ : ফেডারেল হলিডে’র প্রতি নেতৃবৃন্দের সমর্থন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 13 বার

প্রকাশিত: December 4, 2017 | 7:16 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কের মিনি বাংলাদেশ বলে খ্যাত জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী ব্যবসায়ী সংগঠণ জেবিবিএ ১৯৯৭ ইং সনে প্রতিষ্ঠা লাভ করার পর প্রায় প্রতি বৎসরই ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদে মীলাদুন্নবী পালন করার প্রথা সংগঠনে বিদ্যমান থাকলেও ২০১১ সনে গুটিকয়েক সদস্যের দ্বিমত মনোভাবে তা বন্ধ করে দেয়া হয়। হয়তবা সেই কারণেই সংগঠনে শুরু আভ্যন্তরীণ কোন্দল, রেষারেষি ও মনোমালিন্য যার ধারাবাহিকাতয় জেবিবিএ ভেঙ্গে পড়ে তিন টুকরোয়। প্রবীণ ব্যবসায়ীদের প্রচেষ্ঠয় ২০১৫ সনে তিন জেবিবিএকে এক করলেও পূর্ব রেষারেষির বিবাদ থামেনি। উদ্দেশ্য সবার শুভ। সংগঠনের মঙ্গল সব সদস্যেরই কামনা। কিন্তু কেন যেন সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পন্থায় সংগঠনটি এগোচ্ছিলো না। জেবিবিএ’র এমন অবস্থা দৃষ্টে সদস্যরা এর মঙ্গল এবং উন্নতি কামনায় বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদে মীলাদুন্নবীকে আবারও উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সেই লক্ষ্যেই গত শুক্রবার, ১লা ডিসেম্বর ২০১৭ ঠিক ১২ই রবিউল আউয়াল এর দিন সন্ধ্যা ৭:৩০টায় জ্যাকসন হাইটসের পালকি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হলো জেবিবিএ’র উদ্যোগে মহান ঈদে মীলাদুন্নবী উদ্যাপন। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী জেবিবিএর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহ নেওয়াজ। তিনি তার বক্তৃতায় অত্যন্ত আনন্দ চিত্তে সবাইকে অনুষ্ঠানে শুভআগমন জানিয়ে বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করতে পেরে এবং সকলের উপস্থিতিতে আমরা মুগ্ধ হয়েছি। জনাব নেওয়াজ বলেন, আমেরিকায় আমরা মুসলমানরা বিশ্বের মুসলমানদের সাথে তাল মিলিয়ে অত্যন্ত ঝাকঝমক পরিবেশে এই মহান মহতি অনুষ্ঠান ঈদে মীলাদুন্নবী পালন করে থাকি এবং আমার খুবই আনন্দ লাগছে যে, জেবিবিএ’র ব্যানারে আজ তা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমরা ঈদে মীলাদুন্নবীকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিয়ে আমেরিকান সরকারের নিকট ৫৭০ খৃষ্টাব্দে নবীজি জন্মের ইংরেজী তারিখের দিন অর্থাৎ এপ্রিল মাসের শেষ সোমবারকে ধার্য্য করে ফেডারেল হিলডে’র ক্যাম্পেইনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। তিনি বলেন, আমাদের বন্ধুবর জেবিবিএর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বর্তমান সদস্য ইমাম কাজী কায়্যূম মোহাম্মদী সেন্টারের উদ্যোগে ২০১১ সনে জ্যাকসন হাইটসে সর্বপ্রথম ঈদে মিলাদুন্নবীর শোভাযাত্রা প্রচলণের পরের বৎসর ২০১২ সনে অনুষ্ঠিত আন্তঃধর্মীয় ঈদে মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাম্পেইনটি শুরু করেছিলেন, যা এখনো প্রক্রিয়াধীন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমেরিকা উদ্যাপনের দেশ। আমরা মার্টিন লুথার কিং ডে’তে সরকারি ছুটি উপভোগ করি, যা একই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফলপ্রসূ হয়েছে। আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় মহান ঈদে মীলাদুন্নবীর দিনেও এ রকম ছুটি চাওয়ার অব্যাহত ক্যাম্পেইন ও প্রচারেই কেবল তা সম্ভব হয়ে উঠবে বৈকি। অনুষ্ঠানের সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ জিকো জেবিবিএ’তে অনুষ্ঠানটি আবারও ফিরিয়ে আনাকে তিনি ও তার কমিটির একটি সফল উদ্যোগ বলে মনে করেন। তিনি বলেন, আশা করি প্রবাসের বাকি সংগঠনগুলোও জেবিবিএ’র এই মহতি উদ্যোগকে অনুসরণ করবে। জেবিবিএ’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ সোলায়মান তার বক্তৃতায় আশা প্রকাশ করেন যে, জেবিবিএতে এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি আবারও আমরা করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি এবং ইনশাআল্লাহ প্রতি বৎসরই জেবিবিএর ব্যানারে আমরা তা অব্যাহত রাখবো।সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে সর্ব মাকসুদুর রহমান, আশরাফুল হাসান বুলবুল, লিয়াকত আলী, গিয়াস মজুমদার, মাহবুবুর রহমান টুকু প্রমূখ এ রকম একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য জেবিবিএ’কে তাদের নিজ নিজ বক্তৃতায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার মহানবীর এই মীলাদুন্নবী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলে তাকে বক্তৃতা দেয়ার সুযোগ দানে জেবিবিএ’র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। শাহ নেওয়াজ পতœী রেনু নেওয়াজ অনুষ্ঠানে নাতে রাসূল পরিবেশন করেন। নতুন প্রজন্ম নেওয়াজ তনয় সাদমান নেওয়াজ ঈদে মীলাদুন্নবী কি? ও কেন? শীর্ষক তার নিজের লেখা একটি ইংরেজী প্রবন্ধ পড়ে উপস্থিত সুধীদের মনোরঞ্জন করেন। শুরুতেই অনুষ্ঠানে সকলকে স্বাগত জানান সাধারণ সম্পাদক তারেক হাসান খান। সর্ব সূচনায় তেলওয়াত, হামদ ও র্নাত পরিবেশন করেন ইমাম কাজী কায়্যূম। অনুষ্ঠানটির যৌথ পরিচালনায় ছিলেন শাহ নেওয়াজ, ফাহাদ সোলায়মান ও ইমাম কাজী কায়্যূম। অনুষ্ঠান শেষে মাহফিলে মিলাদের মাধ্যমে জেবিবিএর সকল সদস্য ও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, প্রবাসী বাংলাদশী কমিউনিটি ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণের জন্য সম্মিলিত মোনাজাত প্রার্থনা করা হয়। মাহফিলে লঙ্গরে মীলাদুন্নবী আপ্যায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রবাসের ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV