Wednesday, 24 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

একজনকে নেতা মেনে উদ্যোগ নিলে সবকিছুই সম্ভব : ফিলাডেলফিয়ার ডেপুটি মেয়র ড. নীনা আহমেদ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 184 বার

প্রকাশিত: December 4, 2017 | 8:58 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : আমেরিকার স্বাধীনতার ঐতিহ্যধারণকারী ‘লিবার্টি বেল’র সিটি ফিলাডেলফিয়ার ডেপুটি মেয়র ড. নীনা আহমেদ। এ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হবার সময় (২০১৫ সালের ফ্রেবুয়ারি) প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার এশিয়ান-আমেরিকান এ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ডার্স সম্পর্কিত উপদেষ্টা ছিলেন ব্ংালাদেশী-আমেরিকান এই বিজ্ঞানী। গত নির্বাচনে জয়ী হবার পর প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছরের ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের দিনই পদত্যাগ করেন ড. নীনা। তখনো তার মেয়াদ ফুরোতে বাকি ছিল বেশ ক’মাস। কিন্তু ট্রাম্পের সাথে নীতিগত গড়মিল স্পষ্ট বিধায় ড. নীনা দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোকেই শ্রেয় মনে করেছেন। তাঁর এ পদত্যাগের ব্যাপারটি সে সময়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল সুধীমহলে।

‘পাবলিক এ্যাঙ্গেজমেন্ট’ বিষয়ক ডেপুটি মেয়র ড. নীনা ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসা-বিজ্ঞানী হলেও সমাজকর্মকেই প্রাধান্য দিয়েছেন সব সময়। ফিলাডেলফিয়া এবং আশপাশের সিটির ইমিগ্র্যান্টদের স্বার্থে নিজেকে নিবেদন করেছেন। একইসাথে নারীদের অধিকার ও মর্যাদার প্রশ্নেও রয়েছেন সোচ্চার।

‘ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেন’র ফিলাডেলফিয়া চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট, পেনসিলভেনিয়া ইমিগ্রেশন এ্যান্ড সিটিজেনশিপ বোর্ডের পরিচালক, ফিলাডেলফিয়া সিটির সাবেক মেয়র মাইকেল এ নুটেরের এশিয়ান-আমেরিকান সম্পর্কিত কমিশনের (২০০৯-২০১৩) চেয়ারপার্সনের দায়িত্বও পালন করেছেন অত্যন্ত সুনামের সাথে। জেএনসি ক্যাপিটলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উপ-শহরের সার্বিক কল্যাণে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ এবং মাঝারি ও স্বল্প আয়ের মানুষদের উপযোগী বাণিজ্যিক প্রকল্পও হাতে নিয়েছেন। ফিলাডেলফিয়া ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব ম্যানেজার ড. নীনা বাংলাদেশীদের আরো অধিক হারে মূলধারায় সম্পৃক্ত হবার পরামর্শ দিয়েছেন। প্রশাসনে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা আদায়ের ক্ষেত্রে ঐক্যের বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেছেন মার্কিন রাজনীতির শীর্ষে অবস্থানের অভিজ্ঞতা অর্জনকারি এই সমাজকর্মী। নিজের শহর ফিলাডেলফিয়ায় একটি কম্যুনিটি সেন্টার গড়তে আগ্রহী ড. নীনা বললেন, ‘কম্যুনিটির মধ্যেকার সম্প্রীতির বন্ধন জোরদারের ক্ষেত্রে কম্যুনিটি সেন্টারের গুরুত্ব অপরিসীম। সিটি থেকে আমি সাধ্যমত সহায়তা দিতে চাই। তবে এগিয়ে আসতে হবে কম্যুনিটিকে। কাউকে না কাউকে নেতৃত্ব নিতে হবে। নেতৃত্বের প্রশ্নে আমরা অনেক সময়ই ঐক্যমতে উপনীত হতে পারি না বলে অনেক সুযোগ-সুবিধা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে।’

ড. নীনার সরল পরামর্শ, ‘সকলেই নেতা হতে পারেন না। কাউকে না কাউকে নেতা হিসেবে নিয়োগ করতে হয় এবং সেই নেতার পক্ষে অন্য সকলকে থাকতে হয়। তাহলেই গোটা কম্যুনিটির সম্মান বাড়ে মূলধারায়।’বিভিন্ন সিটি, অঙ্গরাজ্য এবং কাউন্টিতে গত ৭ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। প্রায় প্রতিটিতেই সুফল এসেছে ডেমক্র্যাটদের। এই নির্বাচনে বেশ কটি এলাকায় বাংলাদেশীরাও ছিলেন। তাদের ফলাফল প্রত্যাশিত হলো না কেন, সারা আমেরিকায় মিলিয়নেরও অধিক বাংলাদেশী সত্বেও মূলধারায় কদর বাড়ছে না কেন, বাংলাদেশের কল্যাণে এখনও কংগ্রেসে ধরনা দিতে অন্যের দ্বারস্থ হতে হয় কেন, এদেশে জন্মগ্রহণকারি সন্তানেরা মা-বাবার কালচারের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়াতে সংকোচ করছে কেন ইতাদি বিষয়ে বিস্তারিত বলেছেন ড. নীনা।উল্লেখ্য, মিশিগানে হেনসেন ক্লার্কের বিদায়ের পর এখন পর্যন্ত মার্কিন রাজনীতিতে জনপ্রতিনিধিত্বশীল দায়িত্বে অধিষ্ঠিত সর্বোচ্চ পদে রয়েছেন ড. নীনা। সে আলোকে মার্কিন রাজনীতিতে বাংলাদেশীদের গতিধারা সম্পর্কে ডেপুটি মেয়র ড. নীনার একটি দীর্ঘ সাক্ষাতকার প্রকাশিত হয়েছে চলতি সংখ্যা ‘সাপ্তাহিক ঠিকানা’য়। উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষায় সর্বাধিক জনপ্রিয় ঠিকানায় প্রকাশিত সাক্ষাতকারটি এখানে প্রশ্নোত্তর আকারে উপস্থাপন করা হলো। প্রশ্ন : গত ৭ নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমক্র্যাটরাই বিজয় পেলো। বিজয়ের এই ধারায় সামনের বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও কংগ্রেসের আধিপত্য ডেমক্র্যাটদের হাতে আসবে বলে মনে করেন?

উত্তর : এই নির্বাচনে মূলত: আমেরিকার মূল্যবোধের জয় হয়েছে। যে চেতনা আর মূল্যবোধে আমেরিকা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাকে সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর প্রতিটি আমেরিকান। বিশেষ করে পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া, অন্যের মতামতকে সম্মান জানিয়ে নিজের মতামতে ফিরিয়ে আনা, এ বিষয়গুলোর প্রতিফলন ঘটেছে এই নির্বাচনে। বিশেষ করে আমাদের এই সিটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিটি অধিবাসী যেন অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়। পরস্পরের সহযোগিতায় সবকিছু সম্পাদন করেন। এই নির্বাচনে যারা জয়ী হলেন, তারা এমন চেতনায় বিশ্বাসী। মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার এবং ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলকে সম্মান জানানোর মধ্যে যে আনন্দ, তা যিনি বা যারা লালন করেন, তারাই সত্যিকারের নির্বাচনে লাভবান হন।

প্রশ্ন : নির্বাচনে অন্য কোন ফেক্টর কাজ করেছে বলে কি মনে করেন?

উত্তর: সারা আমেরিকায় এক ধরনের ঘৃণার উদ্রেক ঘটানো হয়েছে বিগত কয়েক মাসে। কিন্তু সচেতন ভোটাররা তা পছন্দ করেন না। তারই সুস্পষ্ট একটি জবাব এসেছে এই নির্বাচনের ফলাফলে। সকল ধর্মের সমান অধিকার, নারীর প্রতি সম্মান, ইমিগ্র্যান্টদের কাজের সম্মান জানাতে যারা দ্বিধাগ্রস্ত, তারা ভোট পাননি। বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষের মধ্যেকার বৈষম্য যাতে প্রসারিত না হয়, এরও জবাব দেয়া হয়েছে ব্যালটে।

প্রশ্ন : ভোটারের মধ্যেকার এমন মনোভাবকে জাগ্রত রাখতে কী করা উচিত।
উত্তর : এই একটা নির্বাচনই শেষ নয়। ভোটারদের জাগিয়ে রাখতে সিটি অফিসিয়ালদের গুরুত্ব অপরিসীম। আমর্ াযারা মাঠে রয়েছি, সরাসরি জনগণের সাথে কথা বলছি, তাদেরকে সোচ্চার থাকতে হবে আমেরিকান চেতনা আর মূল্যবোধে সমগ্র জনগোষ্ঠিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে। আর এটি করতে হবে দল-মত নির্বিশেষে। কারণ, আমেরিকা যে মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা অটুট রাখতে না পারলে জাতিগতভাবে সকলেই প্রশ্নের সম্মুখীন হবো। আমাদের সকলকে মনে রাখতে হবে যে, এই নির্বাচনের ফলাফলই শেষ কথা নয়। সামনের নির্বাচনে আরো বেশী ভোট প্রদানের মাধ্যমে গণবিরোধী কাজে প্রবৃত্তদের প্রশাসন থেকে সরিয়ে দিতে হবে।

প্রশ্ন : ইমিগ্রেশন রিফর্ম প্রসঙ্গে কিছু বলবেন?
উত্তর : রিফর্ম করা খুবই জরুরী। এ কারণে আমাদের এই সিটির পক্ষ থেকে বর্তমান প্রশাসনের অনেক কাজেই অসহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেই। বিশেষ করে, আইসের বেআইনী তৎপরতার সাথে ফিলাডেলফিয়া সিটি থাকবে না। অর্থাৎ আইস (ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) যদি বলে যে, ‘কারাগারে থাকা অবৈধ ইমিগ্র্যান্টকে আমাদের কাছে দিয়ে দাও’, আমরা তাদের সে আহবানে সাড়া দেই না। তবে তারা যদি আদালত থেকে এ ধরনের কোন অনুমতি পত্র দেখায়, তাহলে আমরা সেটি করবো। অন্যথায় করা হচ্ছে না। কারণ, জজের সামনে গিয়ে না দাড়িয়ে কাউকে যদি আইস নিতে চায়, তাহলে বুঝতে হবে যে, লোকটি অযথা হেনস্থার শিকার হবেন, এমনকি তাকে মামুলি কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেয়া হতে পারে।

প্রশ্ন : ইমিগ্রেশন অভিযানে আইসকে সহায়তা না করলে ফেডারেল অনুদান থেকে বঞ্চিত হবার আশংকা রয়েছে।
উত্তর : সেটি আমরা জানি এবং ইতিমধ্যেই সে ব্যাপারেও আমরা বিকল্প পথ খুঁজে নিয়েছি। এমন হুমকির পর আমরা উচ্চ আদালতে যাই। মাননীয় আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে, ইচ্ছা করলেই ফেডারেল অনুদান বন্ধ করা যাবে না। আমাদের যা পাওনা তা আটকে রাখা যাবে না। এভাবে প্রতিটি ন্যায্য অধিকারের প্রশ্নে আপসহীন থাকতে হবে। প্রয়োজনে বারবার কোর্টে যেতে হবে। এ ব্যাপারে আমরা সংকল্পবদ্ধ। কারণ, এই সিটি তথা আমেরিকার মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার শপথ নিয়েই দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।

প্রশ্ন : প্রায় দু’বছর এ দায়িত্বে রয়েছেন। এ সময়ে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন?
উত্তর : মানুষের সাথে থেকে মানুষের কল্যাণে কাজের অভিজ্ঞতা আমার নতুন নয়। অনেক আগে থেকেই সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে জড়িত বিধায় নতুন কিছু মনে হয় না। তবে কাজের ক্ষেত্র প্রসারিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে এই সিটি পাশে রয়েছে, এটি বড় ভরসা এবং কাজে উৎসাহ বাড়ছে প্রতিদিনই। এই সিটির মেয়র আমাকে যাবতীয় সহায়তা দিচ্ছেন কম্যুনিটির সমৃদ্ধির প্রশ্নে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠি, তথা ইমিগ্র্যান্ট কম্যুনিটিকে তাদের অধিকার আর মর্যাদার প্রশ্নে সজাগ করার পাশাপাশি মূলধারায় আরো জোরালো অবস্থানে নেয়ার কাজটি আমি করছি।

প্রশ্ন : প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ গ্রহণের দিনই আপনি পদত্যাগ করেছেন এশিয়ান-আমেরিকান এ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ডার্স বিষয়ক উপদেষ্টা থেকে।
উত্তর : একইদিন আমিসহ ৪ জন পদত্যাগ করেছি। অন্যেরা এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। যদিও কোন কাজ নেই তাদের হাতে। শুধু পদবি ধরে রেখেছেন তারা। কারণ, এই কমিশন প্রতিষ্ঠা করেন বিল ক্লিন্টন। ওবামা এসে এটিকে আরো বেশী কর্মক্ষম করেছিলেন। বর্তমান প্রেসিডেন্ট এ কমিশনের ব্যাপারে ন্যূনতম পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত নেননি। ফলে এটি এক ধরনের কাগুজে প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। অথচ এটি গঠন করা হয় এশিয়ান-আমেরিকানদের স্বার্থে হোয়াইট হাউজের কর্মপরিধি ঢেলে সাজানোর পরামর্শ প্রদান এবং বাস্তবতার আলোকে নতুন নতুন পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করার জন্যে। আমরা চেষ্টা করেছিলাম বিরাট এই কম্যুনিটিকে ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করার জন্যে। অর্থাৎ চায়নিজ, ভারতীয়, জাপানিজ, বাংলাদেশী হিসেবে সকলের কোন কোন ইস্যুতে অভিন্ন সমস্যা থাকলেও সম্মুখে এগুনোর ক্ষেত্রে গড়মিল প্রকট। বিশেষ করে তুলনামূলকভাবে নতুন কম্যুনিটি হওয়ায় বাংলাদেশী-আমেরিকানরা যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, চায়নিজ কিংবা ভারতীয়রা সেগুলো অনেক আগেই অতিক্রম করেছেন। এই যে গড়মিল, সেগুলোর মধ্যে সমতার স্বার্থে হোয়াইট হাউজের পলিসি গ্রহণে সজাগ হতে হবে। কিন্তু বর্তমান প্রেসিডেন্ট ঐ কমিশন কন্টিনিউ করবেন বলেও মনে হচ্ছে না। কারণ, এখন পর্যন্ত কমিশনের শুন্য আসনগুলো পূরণের পদক্ষেপই নেয়া হয়নি। এমন অবস্থা হবে তা আগেই আমরা ট্রাম্পের মন্তব্য/মতামতে আঁচ করেছিলাম বলেই তার শপথ গ্রহণের দিনই পদত্যাগ করেছি।

প্রশ্ন : আগে ছিলেন জাতীয়ভিত্তিক দায়িত্বে। এখন শুধু এই ফিলাডেলফিয়া সিটিতে কাজ করছেন? গত দু’বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু বলবেন?
উত্তর : আমি সর্বাগ্রে চেষ্টা করছি সিটি প্রশাসনের প্রতিটি সেক্টরে যেন ভাষাগত সমস্যায় কেউ না পড়েন। যার যে ভাষা, তার মাধ্যমেই যাতে সিটির যাবতীয় ইনফরমেশন নাগরিকেরা পেতে পারেন, সেটিকে গুরুত্ব দিয়েছি। বাংলাদেশীরাও তা চাইলেই পাচ্ছে। সিটি সার্ভিস সকল নাগরিকের কাছে পৌঁছে দিতে এ এক অসাধারণ প্রক্রিয়া। বিশেষ করে, সিটি প্রশাসন যেসব কাজ করছে বা উদ্যোগ নিচ্ছে, সেগুলো প্রকৃত অর্থে নাগরিকের কল্যাণে আসছে কিনা, যদি না আসে বা কোন সমস্যা তৈরী হয়, তাহলে সে বিষয়েও সকলের মতামত নেয়া হচ্ছে। এজন্যেই ভাষাগত অধিকারের প্রতি আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি এবং প্রতিটি ভাষার মানুষের মতামতকে সাদরে গ্রহণ করা হচ্ছে।

প্রশ্ন : আপনার অফিসে নকশি কাঁথা শোভা পাচ্ছে?
উত্তর : এটি বাংলাদেশীরা উপহার দিয়েছেন। তা এখানে ডিসপ্লে করেছি বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে ভিনদেশীদের কাছে পৌঁছে দেয়ার অভিপ্রায়ে। এটি দেখিয়ে কৌতুহলী আমেরিকানদের সামনে বাংলাদেশের মহিলাদের কর্মদক্ষতার কথা উপস্থাপন করি। এটি করতে শিক্ষার প্রয়োজন হয়নি। বেশ ক’জন নারী নিজ হাতে এমন সুন্দর একটি কাঁথা সেলাই করেছেন।
প্রশ্ন : সিটির সাথে সর্বস্তরের মানুষের সম্পর্ক আরো গভীর করতে নতুন কোন পদক্ষেপ নিয়েছেন কি?
উত্তর : এই পোস্ট আগে ছিল না। আমিই প্রথম। এজন্যে সবকিছুই আমাকে করতে হচ্ছে। এটি
আমাকে বেশ উজ্জীবিত করে। আমি চেষ্টা করছি কম্যুনিটির বিশ্বাস/আস্থা অর্জনের জন্যে। মানুষ যদি আমার এই অফিসের ওপর আস্থা রাখতে পারেন বা যে কোন সমস্যার কথা নির্ভয়ে উপস্থাপনের মত ভরসা পান, তাহলেই ভাববো নয়া এ অফিস ঠিকমত কাজ করছে। এলক্ষ্যে ইতিমধ্যেই ৩টি অফিস চালু করেছি। অফিস অব এঙ্গেজমেন্ট ফর উইমেন, ব্ল্যাক মেইল এঙ্গেজমেন্ট এবং ইয়ুথ এঙ্গেজমেন্ট। এর বাইরে আগে থেকেই রয়েছে এশিয়ান-আমেরিকান এফেয়ার্স অফিস। প্রতিটি কমিশনের মধ্যে মিটিং হয়। তারা সুপারিশ প্রদান করে। আমরা সেগুলো পর্যালোচনার পর করণীয় ধার্য করি।

প্রশ্ন : এই সিটিতে বাংলাদেশী-আমেরিকানের সংখ্যা কত?
উত্তর : সঠিক সংখ্যা বলা মুশকিল। কারণ, অনেকেই সেনসাসে অংশ নেননি। আমরা নানাভাবে সকলকে অনুরোধ করেও এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারিনি যে সকলেই সেনসাসে অংশ নিয়েছেন। এমনি অবস্থায় ২০১৫ সালে পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপ অনুযায়ী ৫ হাজার। এই সিটির মোট জনসংখ্যা হচ্ছে এক লাখ ৮৮ হাজার। যদিও বাস্তবে অনেক বেশী। সেনসাসে সকলে অংশ নিলে সিটি, অঙ্গরাজ্য এবং ফেডারেল থেকে অনেক বেশী সুবিধা পাওয়া সম্ভব। একইভাবে কম্যুনিটিভিত্তিক অবস্থানও সংহত হয়। আশা করছি, সামনের সেনসাসে সকলে অংশ নিয়ে বাংলাদেশীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পথ সুগম করবেন।

প্রশ্ন: ইমিগ্র্যান্ট কম্যুনিটিতে কী ধরনের সমস্যা বেশী বলে মনে করছেন।
উত্তর : সিটি প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ কম থাকায় অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। বিশেষ করে যারা নতুন ব্যবসা চালু করেন, তাদেরকে বেশী সমস্যার মুখোমুখী পড়তে হয়। অথচ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ব্যবসার জন্যে, মাইনরিটি ব্যবসায়ীর জন্যে এদেশে অনেক সহযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলো জানা উচিত সকলের। আমি সেই দূরত্ব লাঘবের চেষ্টা করছি।

প্রশ্ন : এশিয়ান-আমেরিকান কমিশনও রয়েছে এই সিটিতে?
উত্তর: জ্বী। সেই কমিশনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যেই মিটিং করা হয়। সে সময় আমরা লোকজনের কথা শুনি। এছাড়া, ইমিগ্রেশন এফেয়ার্স কমিশন রয়েছে। তারা কাজ করছে নবাগতদের যাবতীয় সহায়তার জন্যে। এমনকি টেলিফোনে কীভাবে নিজের ভাষায় সহায়তা নিতে হয় সেটিও আমরা বিস্তারিতভাবে জানিয়ে দিচ্ছি।

প্রশ্ন: কর্মসংস্থান বৃদ্ধি বা হয়রানি রোধে কী করছেন।
উত্তর : যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানে আমরা সহায়তা/পরামর্শ দিচ্ছি। কখন কোথায় কাজ জুটে সেটিও জানানো হয়। এছাড়া, চলতি পথে কিংবা কর্মস্থলে কেউ যদি অযথা হয়রানি বা হেনস্থ্ওা শিকার হন এবং আমাদেরকে যদি জানানো হয়, তাহলে আমরা সংশ্লিষ্ট দফতরের সাথে ভিকটিমদের ব্যাপারে কথা বলি। ইমিগ্রেশনের স্ট্যাটাস এ ব্যাপারে কোনই বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। এই সিটির পুলিশসহ সকল এজেন্সীর কাছে বৈধ/অবৈধ সকল ইমিগ্র্যান্টের সমান অধিকার। হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যাপারেও রয়েছে একই নির্দেশনা। অর্থাৎ এই সিটির কোন মানুষই বৈষম্যের শিকার হবেন না, যদি তারা নিজের অধিকার সম্পর্কে সজাগ থাকেন। সজাগ করার দায়িত্বটিও আমরা পালনের চেষ্টা করছি।

প্রশ্ন : বাংলাদেশী-আমেরিকানদের জন্যে বিশেষ কোন পরিকল্পনা আছে কি?
উত্তর : মূল কথা হচ্ছে, নিজেদের চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। শুধু নিজেদের মধ্যে আবদ্ধ থাকলে চলবে না। নিজেরা সভা-সমাবেশ করুন, নিজেদের কালচার জাগ্রত রাখতে আরো বেশী সক্রিয় থাকুন-সেটি ভালো। তবে পাশাপাশি প্রতিবেশী ভিন্ন ভাষা, জাতি-বর্ণের মানুষের সাথেও মিশতে হবে। তাদের অনুষ্ঠানেও যেতে হবে। বিশেষ করে স্কুলে পিটিএ মিটিং, সিটি মেয়র অফিসের বিভিন্ন মিটিংয়ে অংশ নিতে হবে। অঙ্গরাজ্য প্রশাসন কিংবা এলাকার জনপ্রতিনিধিগণের মিটিংয়ে সাড়া দিতে হবে। তাহলে কী কী সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, সে সম্পর্কে ধারণা জন্মাবে। বিশেষ করে এই সিটির ইমিগ্রেশন বিষয়ক কমিশনের সকল সভায় উপস্থিত হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের বড় কোন ইভেন্টেও কমিশনের বাঙালি কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানানো দরকার। এই ধরনের ব্যবধান কমাতে আমি কোন আমন্ত্রণই উপেক্ষার চেষ্টা করি না। ইতিমধ্যেই আমি আমাদের কম্যুনিটির সকলকে জানিয়েছি এশিয়ান-আমেরিকান কমিশনের মিটিংয়ে উপস্থিত হতে আগ্রহীদের তালিকা প্রদানের জন্যে। এ প্রসঙ্গে আমি এখানকার ‘মোদের পাঠশালা’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলতে চাই। ওরা আফটার স্কুল প্রোগ্রাম করছে। স্থানীয় ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশী বংশোদ্ভ’ত ছাত্র-ছাত্রীরা এসে ঐ স্কুল পরিচালনায় সহায়তা করছে। এটি খুবই অনুকরণীয় একটি উদ্যোগ। সেটি ব্যক্তি উদ্যোগে চলছে। এক্ষেত্রে কম্যুনিটির জন্যে একটি মিলনায়তন বা ‘কম্যুনিটি সেন্টার’ দরকার। যেখানে বাংলাদেশী আমেরিকানরা মিলিত হবেন। বিশেষ করে নবাগতদের যাবতীয় পরামর্শ প্রদানের ব্যবস্থা থাকবে। তবে কম্যুনিটি সেন্টার কখনোই গভর্ণমেন্ট করে দেবে না। নন-প্রফিট সংস্থার মাধ্যমে তা করতে হয়।

প্রশ্ন: কম্যুনিটি সেন্টারের জন্যে আপনি কিছু করছেন?
উত্তর : আমি কাজ করছি। উদ্যমী ইয়ং পার্সন দরকার, যে বাংলা এবং ইংরেজীতে সমান পারদর্শী। অর্থাৎ এদেশের আলো-বাতাসে বড় হয়েছেন এবং বাংলাদেশের কালচার সম্পর্কেও ভালো ধারণা রাখেন। মাকিন প্রশাসনের ব্যাপারেও জানা আছে। এমন কিছু উদ্যমী মানুষ পেলে নন-প্রফিট অর্গানাইজেশন করা যেতে পারে কম্যুনিটি সেন্টারের স্বপ্ন পূরণের অভিপ্রায়ে। তাহলে এই সিটির পরিত্যক্ত কোন ভবনের বরাদ্দ নেয়া যেতে পারবে। কিন্তু বড়ই দুর্ভাগ্যের বিষয় যে, এমন একটি নন-প্রফিট অর্গানাইজেশনের নেতৃত্বে কে আসবেন, তা স্থির করাই সম্ভব হচ্ছে না। এমন অবস্থা শুধু বাংলাদেশীদেরই নয়, অন্য কম্যুনিটিতেও রয়েছে। সকলেই নেতা হতে চান। কিন্তু সেটি কি সম্ভব? একজনকে নেতা মেনেই সামনে এগুতে হবে। এটিও সকলকেই ধারণ করতে হবে যে, একজন লিডারশিপ নিলেও অন্যদেরও গুরুত্ব কম নয়। সকলেই সমান মর্যাদা পাবেন কম্যুনিটি সেন্টার নির্মাণের পর। আমি এসব নিয়ে কম্যুনিটিতে কর্মরতদের সাথে কথা বার্তা শুরু করেছি। একজনকে নেতা মেনে একটি সংস্থার মাধ্যমে আবেদন করার জন্যে। এটি হলেই স্বপ্ন পূরণের পথ ত্বরান্বিত হবে।

প্রশ্ন : তৃণমূলে কাজের মধ্য দিয়ে ডেপুটি মেয়রে অধিষ্ঠিত হবার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। এর আগে প্রেসিডেন্টের এশিয়ান-আমেরিকান এ্যান্ড প্যাসিফিক আইলান্ডার্স বিষয়ক উপদেষ্টা মন্ডলীতেও ছিলেন। আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি? ইউএস সিনেটর কিংবা হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ?
উত্তর : ইচ্ছা তো আছেই। প্রশাসনে থেকে কি করা যায়? নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কীভাবে কাজ করছেন-সেটিও দেখার কৌতুহল রয়েছে। হোয়াইট হাউজের পর সিটি হলে দেখছি। এখন ক্যাপিটল হিলের ব্যাপারে আগ্রহ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। তবে সবটাই নির্ভর করছে জনসমর্থনের ওপর। আমি কখনোই নিজেকে একা ভাবি না। সবসময় নিজে ওপরে উঠার সময় অন্যদের কথাও ভাবি যে, আমার এই পথটা ধরে তারাও যাতে উঠতে পারেন। আমি ইমিগ্র্যান্টদের ব্যাথা-বেদনার কথা খুব বেশী জানি এবং উপলব্ধিও করি। সে তাগিদেই সকল ইমিগ্র্যান্ট যাতে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে সক্ষম হন-সে জন্যে সর্বাত্মক চেষ্টায় রয়েছি।

প্রশ্ন : এই সিটির মেয়র পদে লড়াইয়ের কথা ভাবছেন?
উত্তর : না। সেটি সম্ভব নয়। কারণ, কম্যুনিটি হিসেবে আমরা একেবারেই ছোট। তাই মেয়র হতে হলে অনেকগুলো গ্রুপের সার্বক্ষণিক সহায়তা লাগবে। এজন্যে অন্যকিছু ভাবছি। তবে আশা করছি, আমাদের নতুন প্রজন্ম মেয়রের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবেন। আমি চাই, সিটি মেয়র অফিসে আমাকে দেখে অন্যেরাও অনুপ্রাণিত হউক। আরো বেশী বাঙালি সম্পৃক্ত হউক সিটি প্রশাসনে। ইতিমধ্যেই এক বাঙালি তরুণী চিঠি লিখেছেন। আমি তাকে সাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছি অফিসে আসার জন্যে। এভাবে, যারাই আসবে, তাদেরকেই আমি সময় দেব, সহযোগিতা পাবার পথ বাতলে দেব।

প্রশ্ন : এই সিটির বিশেষ একটি সড়কে বহুদেশের পতাকার সাড়িতে বাংলাদেশের পতাকাও উড়ছে।
উত্তর : এই পতাকা উঠানোর জন্যে অনেকদিন চেষ্টা হয়। বিভিন্ন গ্রুপ থেকেই সিটি মেয়রের কাছে আবেদন-নিবেদন করা হয়েছে। এক পর্যায়ে আমি যখন এই সিটির এশিয়ান-আমেরিকান কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে ছিলাম, সে সময়েই সেই চেষ্টা সফল হয়েছে। আমি স্থানীয় কাউন্সিলম্যান, কংগ্রেসম্যানদের কাছে প্রবাসীদের সে আবেদনের ব্যাপারটি জোরালোভাবে উপস্থাপন করেছিলাম। তারাও সিটি মেয়রকে লিখেছিলেন। বেঞ্জামীন ফ্রাঙ্কলিন পার্কওয়ে এবং ১৭ স্ট্রিটে গেলেই সে পতাকা দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন দেশের পতাকার সাথে। বাংলাদেশের পরিচিতি বহুজাতিক এ সিটিতে উজ্জ্বল হয়ে ভাসছে। এবং এটি সম্মিলিত চেষ্টার ফসল। এই পতাকা উঠানো উপলক্ষে বড়ধরনের একটি উৎসব হয়েছে। মেয়রসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিরাও ছিলেন সে উৎসবে। কম্যুনিটি সেন্টারের জন্যেও চাই একইধরনের উদ্যোগ। কে সামনে থাকলেন, কে পেছনে পড়লেন-সেটি বিবেচনায় না রেখে একজনকে সামনে দিয়েই এগুতে হবে। এমন মানসিকতা যাদের রয়েছে, তারাই সত্যিকার অর্থে লাভবান হচ্ছেন।

প্রশ্ন : মূলধারায় বাংলাদেশী-আমেরিকানদের আরো ঘনিষ্ঠতা অর্জনে আপনার পরিকল্পনা কী।
উত্তর : এই সিটির পাশেই আপারডারবি নামক একটি টাউনশিপ রয়েছে। সেখানকার একজন কাউন্সিল পার্সন রয়েছেন বাংলাদেশী। শেখ সিদ্দিক অনেক আগে থেকে মূলধারায় সম্পৃক্ত। পাশেই মিলবর্ণেও রয়েছেন কয়েকজন। এ দুটি সিটি খুবই ছোট হলেও জনসংখ্যাগতভাবে বাংলাদেশী আমেরিকানের অবস্থান ভালো। ফিলাডেলফিয়া সিটিতে যারা সিটিজেনশিপ নিয়েছেন, তাদের সকলকে ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে হবে। এরপর শুরু করতে হবে তৃণমূল থেকে। অর্থাৎ প্রতিটি এলাকাতেই কমিটি পার্সন রয়েছেন। সেটি একেবারেই ছোট পদ হলেও সেখান থেকেই উঠে এসেছি আমি নিজেও। আমার ছেড়ে দেয়া পদে এখন কাজ করছেন আমার স্বামী। আমাদের সে ওয়ার্ডে বাঙালি একেবারেই নেই। তবে অন্য সকলের সাথে চমৎকার সম্পর্ক গড়েছি। সকলেই তাদের ভরসার মানুষ বলে মনে করেন আমাকে। অর্থ্ৎা এলাকার মানুষের সাথে সম্পর্কের ভিত যত শক্ত হবে, ততোই সামনে এগিয়ে যাওয়া কিংবা ওপরে উঠার পথ সুগম হবে। এনআরবি নিউজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV