Sunday, 25 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

এক প্রশ্ন ১৪ বার, জবাব দেননি রিপাবলিকান-দলীয় প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী মিট রমনি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 60 বার

প্রকাশিত: October 31, 2012 | 2:37 PM

অনলাইন ডেস্ক : ক্ষমতায় থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘূর্ণিঝড়দুর্গত এলাকার জন্য জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থাকে (এফইএমএ) কীভাবে কাজে লাগাতেন, সাংবাদিকদের এমন একটি প্রশ্ন বারবার এড়িয়ে গেছেন রিপাবলিকান-দলীয় প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী মিট রমনি। হাফিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে আজ বুধবার বলা হয়, ওহাইওতে হারিকেন স্যান্ডির কারণে দুর্গত মানুষের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার ত্রাণ বিতরণের পর তাঁকে এ প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। রমনির জন্য প্রচারাভিযানে নিয়োজিত রয়েছে এমন একটি বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়, সাংবাদিকেরা রমনিকে কমপক্ষে পাঁচবার প্রশ্ন করেছে যে, প্রেসিডেন্ট হলে তিনি এফইএমএ বিলুপ্ত করবেন কি না বা এ ব্যাপারে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি বারবার প্রশ্নটি এড়িয়ে গেলেও টেলিভিশনের ক্যামেরায় তা শোনা গেছে। আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রমনি কিছু নির্দিষ্ট প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন। একটি পত্রিকার একজন প্রতিবেদক প্রথমবার করা প্রশ্নের জবাব না পেয়ে চিত্কার করে আবার একই প্রশ্ন করেন ‘গভর্নর, আপনি কি এফইএমএ তুলে দেবেন?’ কয়েকটি বার্তা সংস্থার প্রতিবেদকেরা একই ধরনের প্রশ্ন করলেও রমনি নিশ্চুপ থাকেন। তাঁরা প্রশ্ন করেন, ‘গভর্নর, আপনি কি আরও কোনো দুর্গত এলাকায় যাবেন?’ ‘গভর্নর, আপনাকে ১৪ বার প্রশ্ন করা হলেও আপনি কেন প্রশ্নের জবাব দিতে চাইছেন না?’ গত বছর রিপাবলিকান পার্টির প্রাথমিক বাছাই বিতর্কের সময় রমনি বলেছিলেন, তিনি মনে করেন, দুর্যোগের মুহূর্তে ত্রাণকার্যক্রম চালানোর দায়িত্ব থাকা উচিত অঙ্গরাজ্য সরকার এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে। তিনি বলেন, ‘সব সময়ই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে সাহায্য নেওয়ার সুযোগ থাকে। যথাসময়ে সাহায্য নিয়ে আবার সেটি ঠিকমতো ফিরিয়ে দেওয়া উচিত। এটিই যথার্থ কাজ। এ ছাড়া আপনি আরও একধাপ এগিয়ে যেতে পারেন। বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে সাহায্য নিতে পারেন সেটি ফিরিয়ে দেওয়ার শর্তে। কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট থেকে কোন কোন খাত বাদ দেওয়া দরকার—এমন ভাবনার বদলে আমাদের ভাবা উচিত বাজেটে আমরা কোন কোন খাত রাখব।’ ত্রাণতত্পরতা নিয়ে প্রশ্নের পর রমনি বলেন, ‘এভাবে আর নয়। আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যত্ জলাঞ্জলি দিয়ে আমরা এসব চালাতে পারি না। আমার মতে, সোজা কথায় এটি অনৈতিক। দিনের পর দিন বেশি বেশি ঋণ নিয়ে সেগুলো আমাদের সন্তানদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার কোনো মানেই হয় না। আমরা ভালো করেই জানি, সেগুলো পরিশোধ করার আগেই আমরা মরে যাব। এসব অর্থহীন।’ হারিকেন স্যান্ডির তাণ্ডব যত এগিয়ে আসতে থাকে, রমনির এসব বক্তব্য আরও বেশি করে সামনে আসতে থাকে। রমনি কীভাবে দুর্যোগ সামাল দেবেন, তা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে ওঠে। রমনির প্রচারাভিযান ব্যবস্থাপনা বিভাগের পক্ষ থেকে খুব দ্রুত জানানো হয়, দুর্যোগ প্রতিরোধে তিনি এফইএমএকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবেন। প্রচারাভিযানের মুখপাত্র আমান্দা হেনবার্গ বলেন, ‘গভর্নর রমনি মনে করেন, দুর্যোগ প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকা উচিত সংশ্লিষ্ট এলাকার রাজ্য সরকারের ওপর। যেসব জায়গায় দুর্গত মানুষের জন্য সাহায্য ও সহায়তা একান্ত প্রয়োজন, সেখানে প্রাথমিক উদ্ধার তত্পরতা চালানোর জন্য রাজ্য সরকারই হলো সবচেয়ে ভালো পছন্দ। তবে এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার ও এফইএমএর পক্ষ থেকে সহায়তা চালু থাকা দরকার।’প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ