Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

এলিয়েনের খোঁজে নতুন পদ্ধতি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 130 বার

প্রকাশিত: July 8, 2013 | 1:31 AM

সৌরজগতের বাইরে নক্ষত্র, গ্যালাক্সিসহ অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুর আবিষ্কার নতুন বিষয় নয়। বহুকাল ধরেই মানুষ এক্ষেত্রে সাফল্য পেয়ে আসছে। সম্প্রতি সেই তালিকায় যোগ হয়েছে বহু আলোকবর্ষ দূরের একের পর এক গ্রহ। এত ঘন ঘন নতুন গ্রহের কথা জানা যাচ্ছে যে সেগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজখবর করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এত দূরে পৌঁছানোর ক্ষমতা মানুষের হাতে এখনও আসেনি। তাই টেলিস্কোপ বা অন্যান্য যন্ত্রই ভরসা। তবে সবার আগে যে প্রশ্নটা মনে জাগে সেটা হলো, সেখানে কি প্রাণ আছে বা কখনও ছিল? প্রাণের অস্তিত্বের জন্য চাই পানি। অন্তত আমাদের প্রচলিত জ্ঞান তাই বলে। অতএব বায়ুমণ্ডলে পানির অস্তিত্ব শনাক্ত করতে হবে। এবার ইউরোপের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ঠিক এই কাজের এক নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। পৃথিবীর বুকে অথবা মহাকাশে অবস্থিত বিশাল টেলিস্কোপের মধ্যে তা প্রয়োগ করা যায়। এর জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে, তার নাম ‘ক্রায়োজিনিক হাই রেজোলিউশন ইনফ্রারেড এশেল স্পেকট্রোগ্রাফ’। চিলির আটাকামা মরুভূমিতে ইউরোপীয় এক টেলিস্কোপে সেটি কাজে লাগানো হচ্ছে। সদ্য আবিষ্কৃত এক গ্রহের ওপর সেই পদ্ধতি প্রয়োগও করা হয়েছে। দূরের সেই গ্রহের এখনও কোনো নাম রাখা হয়নি। তবে জানা গেছে সেটি তার ‘সূর্য’র চারদিক প্রদক্ষিণ করতে মাত্র ২ দিন সময় নেয়। অত্যন্ত গরম এই গ্রহে ইস্পাতও গলে যাওয়ার কথা। দূরের গ্রহের খোঁজের পোশাকি নাম হলো ‘এক্সোপ্ল্যানেট’ গবেষণা। তাদের সূত্র অনুযায়ী ১৯৯৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত এর আওতায় আমাদের সৌরজগতের বাইরে মোট ৭২৩টি গ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে। নাসার হিসাব অনুযায়ী সংখ্যাটা অবশ্য ৮৭৯। আরও অনেক মহাজাগতিক বস্তু আদৌ গ্রহ কিনা, তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। স্বীকৃতি পেলে সেগুলোও গ্রহের তালিকায় স্থান পাবে। এখন পর্যন্ত দূরের কোনো গ্রহেই প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা পাওয়া যায়নি। তবে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন বিরকবি বলেছেন, আগামী কয়েক দশকে পৃথিবীর মতো গ্রহের খোঁজ আরও জোরালো হবে। নতুন এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে যদি পানি এবং সেইসঙ্গে প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় বা জানা যায় পৃথিবীর মতো আরও গ্রহ রয়েছে, তা হবে এক রোমাঞ্চকর আবিষ্কার। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV