এ বছর বায়ুমণ্ডলে কার্বন নিঃসরণ রেকর্ড ছাড়াবে
এ বছর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের নিঃসরণ রেকর্ড ছাড়াবে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ আয়োজিত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের আগে বিজ্ঞানীরা এ বিপদের কথা জানালেন।
নেচার অব ক্লাইমেট চেঞ্জ এবং নেচার জিওসাইন্সের যৌথ গবেষণার ভিত্তিতে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। গত শনিবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারণা করা হচ্ছে, এই বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৪০ বিলিয়ন মেট্রিক টন কার্বন নিঃসরিত হবে, যা গত বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।
আজ মঙ্গলবার বিশ্বের ১২৫টি দেশের নেতারা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন। এ সম্মেলনে বিশ্বনেতারা গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনে বিরূপ প্রভাব কমাতে জোর পদক্ষেপ নেওয়ার একটি চুক্তিতে উপনীত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অসলোর আন্তর্জাতিক জলবায়ু এবং পরিবেশ গবেষণা কেন্দ্রের গবেষক গ্লিন পিটার এক বিবৃতিতে জানান, উষ্ণায়নকে লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাখতে বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ প্রতিবছর প্রায় ৭ শতাংশ হারে কমানোর প্রয়োজন হবে। তিনি আরও বলেন, ‘যদি কার্বন শোষণ এবং সংরক্ষণের প্রযুক্তি কাজে লাগানো না যায়, তবে বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমানো সম্ভব হবে না।’
গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্বে প্রায় ৭৫ শতাংশ কার্বন নিঃসরিত হয় কয়লা ও গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার এবং সিমেন্ট উৎপাদন থেকে। এ কার্বন-ডাই অক্সাইড তাপ ধারণ করে রাখে, যার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। যদি এখনই এ গ্যাসের নিঃসরণ তাৎক্ষণিক এবং উল্লেখযোগ্য হারে কমানোও হয়, তার পরও আগামী কয়েক দশকেও উল্লিখিত তাপমাত্রা কমানো সম্ভব হবে না।
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ করে যথাক্রমে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারত। চীন বিশ্বের মোট নিঃসরিত কার্বনের প্রায় ২৮ ভাগ। আর যুক্তরাষ্ট্র শতকরা ১৪ ভাগ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন শতকরা ১০ ভাগ এবং ভারত শতকরা ৬.৫ ভাগ কার্বন নিঃসরণ করে।
তবে মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণের দিক থেকে এখনো যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বেশি, যা চীনের তুলনায় দ্বিগুণ এবং ভারতের তুলনায় আট গুণ বেশি।
আর সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণ করে এমন দেশগুলোতে তা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্গমনের হার আগের বছরের তুলনায় শতকরা ১ দশমিক ৮ ভাগ কমাতে সক্ষম হয়েছে।
লাইভসায়েন্স।প্রথম আলো
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!