Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

ওবামার স্বাস্থ্য সংস্কার বাধা দূর হয়নি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 107 বার

প্রকাশিত: February 18, 2012 | 12:41 AM

 

ডেস্ক: পরিবর্তনের স্লোগান নিয়ে ক্ষমতায় আসা প্রথম আফ্রিকান বংশোদভূত মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা অনেক সংস্কার কর্মসূচিই হাতে নিয়েছেন। এসবের মধ্যে বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত কর্মসূচি হলো যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার আইন। এই সংস্কার আইনটি পাস করাতে ওবামাকে তার দলের ভেতর ও বাইরে থেকে প্রচণ্ড বিরোধিতা মোকাবিলা করতে হয়েছে। সব বাধা অতিক্রম করে অবশেষে ২০১০ সালের মার্চে এই আইনটি পাস হয়। প্রেসিডেন্ট ওবামা একে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেন। সেই থেকে এই আইনটি দু’বছর অতিক্রম করেছে। কিন্তু তার ওপর থেকে সংশয়ের কালো মেঘ এখনও দূর হয়নি। এই আইনটি আরেকটি বছর অতিক্রম করতে পারবে কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়। তাকে আরও দু’টি বড় বাধা অতিক্রম করতে হবে। প্রথমটি হলো- যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে আগামী মার্চ মাসের শেষের দিকে এই আইনটির উপর শুনানি হবে। আদালত ইচ্ছে করলে প্রেসিডেন্ট ওবামার করা এই আইনটি বাতিলও করে দিতে পারে। আর দ্বিতীয় বাধাটি হলো আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। কারণ তখন রিপাবলিকান প্রার্থী নির্বাচিত হলে তিনি এই আইন বাতিল করে দিতে পারেন। ফলে প্রেসিডেন্ট ওবামার এই আইনের ভবিষ্যৎ এখনও সুনিশ্চিত নয়। তবে অনিশ্চয়তার এমন দোলাচলে থেকেও এই আইন মার্কিন স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। পরিবর্তনের এই ধারা অব্যাহত থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের গোটা স্বাস্থ্যখাত চিরতরে বদলে যেতে পারে। বিশেষ করে সে দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনছে তা সামগ্রিক পরিবর্তনকে কয়েক ধাপ এগিয়ে নেবে। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড হেলথ গ্রুপ সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি গত বছর ১০২ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব আয় করেছে। তারা ৩৪ মিলিয়ন লোককে সেবা প্রদান করেছে। যা কানাডার সর্বমোট জনসংখ্যার সমান। ফলে এই প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তন গোটা মার্কিন স্বাস্থ্য খাতকেই প্রভাবিত করছে। ইউনাইটেড ও তার চিকিৎসকদের সম্মানি প্রদানের পদ্ধতি অন্যতম। যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত পদ্ধতির ঊর্ধ্বে উঠে তারা সম্পূর্ণ ভিন্ন পদ্ধতি চালু করেছে। সেখানের চিকিৎসকরা অসুস্থ রোগীকে সুস্থ করার পরিবর্তে অসুস্থ রেখে চিকিৎসা দিতে অধিক পছন্দ করেন। এ অবস্থায় ইউনাইটেড হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের জন্য প্রণোদনা ও পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে। ফলে চিকিৎসক ও সেবকদেরকে রোগীর প্রতি আরও তৎপর ও আন্তরিক করছে। হাসপাতালগুলোও তাদের সেবার মান বাড়াচ্ছে। এছাড়া, এই কোম্পানিটি চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যে যোগাযোগের অভিন্ন সেতুবন্ধন তৈরি করতে একটি মোবাইল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে। ফলে রোগীরা বেশি মাত্রায় উপকৃত হবেন। ইউনাইটেডের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা স্যাম হো বলেন, এই সংস্কার আমেরিকাকে আরও ভালো দিকে নিয়ে যাবে। এখানে আরও সুলভে সেবা পাওয়া যাবে। ইউনাইটেডের পাশাপাশি অন্যান্য ছোট-বড় সব বীমা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলো তাদের সেবার মান বাড়াতে বিভিন্ন পরিবর্তন আনছে। ফলে অচিরেই বদলে যেতে পারে মার্কিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ