Friday, 26 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘মৃত্যুর মর্যাদা’ বিষয়ে আইন পাশ : মৃত্যুপথযাত্রী রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় মৃত্যু নিশ্চিত করা হবে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 40 বার

প্রকাশিত: November 26, 2016 | 11:07 AM

নিউইয়র্ক : ওয়াশিংটন ডিসিতে পাশ হলো মৃত্যুর মর্যাদা বিষয়ক আইন। এই আইন পাশের মধ্যে দিয়ে ওয়াশিংটন ডিসিতে বসবাসকারী মৃত্যু পথযাত্রী রোগীদেরকে চিকিৎসা সহায়তায় মৃত্যু নিশ্চিত করা হবে। ছয় মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তির মৃত্যু নিশ্চিত করা হলে তাকে মর্য্যাদার সাথে মৃত্যুও স্বাধ গ্রহন করার সুযোগ দেওয়া হবে। ওয়াশিংটন ডিসির বাসিন্দাদের মধ্যে শতকরা ৬৭ জন বাসিন্দা এ  আইন সমর্থন করে এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
এর আগে ক্যালিফোর্নিয়া ওরেগন, ওয়াশিংটন, ভারমন্ট এবং মনটানা অঙ্গরাজ্যে এই আইন চালু করা হয়। ওয়াশিংটন ডিসি ৬ষ্ঠ অঙ্গরাজ্য যেখানে ”ডেথ উইথ ডিগনিটি অ্যাক্ট ২০১৫” কন্ঠভোটে পাশ করা হয়েছে। নভেম্বর মাসের ১ তারিখে অনুষ্ঠিত এই ভোট শেষে ওয়াশিংটন ডিসি কাউন্সিল মেম্বার মেরি চেহ বলেন, এই আইন পাশের মধ্যে দিয়ে নিশ্চিত মৃত্যু পথযাত্রীদের কষ্ট লাঘব করার জন্য রোগীদের স্বেচ্ছায় শান্তিপূর্ণ মৃত্যু চিকিৎসা সহায়তায় নিশ্চিত করা হবে। এই পদ্ধতির মধ্যে ৬ মাসের মধ্যে মৃত্যু নিশ্চিত রোগীদের পক্ষ থেকে চিকিৎসকের বরাবরে স্বেচ্ছায় মৃত্যুর মৌখিক অনুরোধ করতে হবে। এই অনুরোধের পর একটি নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করার পর আবারো মৌখিক অনুরোধ জানাতে হবে। দ্বিতীয় মৌখিক অনুরোধের পর লিখিত অনুরোধ জানাতে হবে।
লিখিত অনুরোধ জানানোর পর একটি নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করার পর সর্বনিম্ম ৪৮ ঘন্টা পরে চিকিৎসক প্রেসক্রিপশন লিখবেন। চিকিৎসক প্রেসক্রিপসন লেখার পর রোগী ইচ্ছা করলে ওষুধ সেবন করবেন কি করবেন না সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। যতক্ষন পর্যন্ত রোগী সিদ্ধান্ত না নিবেন ততক্ষন পর্যন্ত এই ওষুধ হাসপালে/ফার্মাসীতে রোগীর তৈরি থাকবে। রোগী চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার পর একটি উপযুক্ত সময়ে রোগীকে স্বেচ্ছায় মৃত্যুর ওষুধ প্রদান করা হবে।
মৃত্যুর সিদ্ধান্ত গ্রহনকারী রোগীকে প্রথমে সচরাচর বড় ডোজের ঘুমের ওষুধের সাথে মিশ্রন করে মৃত্যুর ওষুধ প্রদান করা হয়। ওষুধ প্রদানের কয়েক মুহুর্তে রোগী গভীর ঘুমে অচেতন হয়ে পড়লে দুই মিনিটের মধ্যে রোগীকে ইনজেকশনের মাধ্যমে পুর্ণাঙ্গ ওষুধ প্রদান করা হয়। ঘুমের ওষুধ প্রদানের পর বেশির ভাগ রোগীই শান্তিপুর্ণ ভাবে ঘুমিয়ে পড়েন এবং ১০ মিনিটের মধ্যে শান্তিপূর্ণ ভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তবে এর ব্যতিক্রমও ঘটে মাঝে মধ্যে। কোন কোন রোগী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে ১ থেকে ৩ ঘন্টা সময় নেন। আবার কোন কোন সর্বোচ্চ ৬ ঘন্টা পর্যন্ত সময় নেয়। তবে সময় যতই নিক না কেন পুরোটা সময় রোগী শান্তিপুর্ণ ভাবে ঘুমিয়ে থাকেন বলে হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV