কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৯ জুলাই। ২০১২ সালের এই দিনে তিনি নিউইয়র্কের বেলভিউ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
নিউইয়র্কের হুমায়ূন আহমেদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে আগামী রোববার এক স্মরণ সভার আয়োজন করেছে। জ্যামাইকা ১৬৫-২৩ হিলসাইড এভিনিউয়ের স্মার্ট একাডেমিয়াতে আয়োজিত এই স্মরণসভায় দোয়া মহফিল ছাড়াও হুমায়ূন আহমেদের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে মরহুমের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও তার দুই সন্তানও উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠান শুরু হবে সন্ধ্যা আটটায়।
হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে দুস্থ-এতিম বাচ্চাদের খাওয়াবেন। সকাল থেকে হুমায়ূন আহমেদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া-দরুদ পড়া হবে। দুই ছেলে নিষাদ ও নিনিতকে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করবেন শাওন।
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালে ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ও গীতিকার। আধুনিক বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের পথিকৃৎ বলা হয় তাঁকে। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও তিনি সমাদৃত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত।
সত্তর দশকের শেষভাগ থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তাঁর গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। তাঁর সৃষ্ট হিমু এবং মিসির আলী ও শুভ্র চরিত্রগুলো বাংলাদেশের তরুণদের কাছে বেশ প্রিয় হয়ে ওঠে।
হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোও দর্শকপ্রিয়তা পায়। তবে তাঁর টেলিভিশন নাটকগুলো ছিল সর্বাধিক জনপ্রিয়। সংখ্যায় বেশি না হলেও তাঁর রচিত গানগুলোও জনপ্রিয়তা লাভ করে। তাঁর অন্যতম উপন্যাস হলো নন্দিত নরকে, মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া ইত্যাদি।
হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত উল্লেখ্যযোগ্য চলচ্চিত্র হলো দুই দুয়ারী, শ্রাবণ মেঘের দিন, ঘেটুপুত্র কমলা ইত্যাদি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন। লেখালেখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে তিনি অধ্যাপনা ছেড়ে দেন।
তাঁর শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে ২০১১ সালে। দেশ ও দেশের বাইরে অনেক চিকিৎসার পরও সুস্থ হয়ে ওঠেননি তিনি। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের বেলভিউ হাসপাতালে মারা যান কিংবদন্তি এই লেখক। তাঁকে সমাহিত করা হয় নুহাশপল্লীর লিচুতলায়।
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK