কাঙ্খিত নগর নিউইয়র্ক
স্বর্গ সুলতান : সৃষ্টির উষালগ্ন থেকেই এই বিশ্ব চরাচর তার আপন সৌন্দর্যে উদ্ভাসিত। বিধাতা কর্তৃক সৃষ্টি মানুষ সেই বিশ্ব সৌন্দর্যের এক বিরাট অংশ। অতঃপর মানুষ যখন এলো তখন সে বিশ্ব প্রকৃতিকে দেখে। তার মধ্যে বিশেষ ধারণার উদ্ভব হলো, যা পরবর্তীতে বিজ্ঞান নাম ধারণ করলো। বিজ্ঞান ক্ষেত্র বিশেষ বিশ্ব সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করলো, কোথাও বা অকৃত্রিম সৃষ্টিকে ঢেলে সাজালো। আজকের আমেরিকা ঠিক অনাবিষ্কৃত পৃথিবীর একটি অংশই ছিল। যা কিনা কলম্বাসের অদূরদর্শী চিন্তা এবং দুঃসাহসিক অভিযানের আবিষ্কৃত ফল। যার রাষ্ট্রীয় নাম যুক্তরাষ্ট্র ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা ইউএসএ। এই মহারাষ্ট্রের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, সভ্যতা, মানুষ দিন যাপন, আবহাওয়া একই বিচিত্র এবং বহুমাত্রিক। যা এই স্বল্প পরিসরে তলে ধরা প- শ্রমেরই নামান্তর। খোদ যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি হলেও নিউইয়র্ক কিন্তু গোটা পৃথিবীর রাজধানীতে পরিণত হয়েছে। সেই নরওয়ের হেমীর সেই শহর পুপু–আরেনাস পর্যন্ত বিস্তৃত পৃথিবীর প্রান্ত থেকে আসা মানুষের জীবন-যাপন সংস্কৃতির চর্চা উন্নত সভ্যতায় অংশগ্রহণ মূলত এই শহরকে করেছে দৃষ্টিনন্দিত এবং কর্মমুখর। পৃথিবীর প্রত্যেক জাতিই এখানে তার সমঅধিকার নিয়ে জীবন চলার পথে চলেছে, এখানে মিশ্র জাতির পরিম-লে প্রতিটি মানুষ গোটা পৃথিবীর সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করছে। কেননা প্রতিটি আলাদা জাতি তার নিজস্ব-আচার, বৈশিষ্ট্য ও জীবন চলার সাধারণ নিয়মগুলো ফুটিয়ে তুলেছে যা অন্য সব জাতি তার সংস্কৃতিকে আরো সমৃদ্ধ করছে এবং নিজেকে মিশিয়ে দিচ্ছে মিশ্র সভ্যতার জোয়ারে। শহরটি সারাবিশ্বের মানুষের নিকট অতীব প্রিয়। এর প্রমাণ পাওয়া অগণিত পর্যটকদের আগমন হোক তারা হিমাংকের অনেক নিচে কিংবা ১০০ তার ওপরে তাতে কিছু আসে যায় না দুচোখ ভরে দেখবে মিনি ওয়ার্ল্ড নামে খ্যাত নিউইয়র্ককে। মূলত শহরটি মহাসাগর আটলান্টিককের কোল ঘেঁষা হার্ডসন নদীবিধৌত দ্বীপ। হার্ডসনের রিভার ভিউ অন্য রকম কারণ এখানে রয়েছে সুউচ্চ দালাল-অ্যাম্পেয়ার স্টেট বিল্ডিং টুইন টাওয়ার (আজকের ফ্রিডম টাওয়ার) –ক্লাব বিল্ডিং রয়েছে জাতিসংঘ ভবন। এ শহরে মানুষের চলাচলের জন্য বাস, ট্যাক্সি, ঘোড়ার গাড়ি, রিকশা থেকে ওর কোল বিশালাকায় মেট্রোরেল যা কি কখনওবা মাটির নিচে করে চলেছে কখনওবা ভাইটের সমতলে কখনও বা ভূপৃষ্ঠ থেকে শত ফুট ওপরে এসব বিচিত্রতা খুব সহজেই ট্যুরিস্টদের নজর কাড়ে। এখানে, রয়েছে দৃষ্টিনন্দন অসংখ্য পার্ক-সেন্ট্রাল পার্ক, তাদের মধ্যে অন্যতম রয়েছে মুভি থিয়েটার। যেখানে বিশ্বসেরা চলচ্চিত্র মুক্তি পাওয়ার পরই দেখা সম্ভব বাণিজ্যের দিক থেকে এ নগরী অত্যন্ত পরিচিত। এখানে ডায়মন্ড ডিসট্রিক খ্যাত এভিনিউতে রয়েছে পৃথিবীর অন্যতম হীরার মার্কেট দামিদামি জুয়েলারির শপ। বিশ্বের সকল দেশের সকল চলচ্চিত্র নির্মাতা শুটিং স্পট হিসেবেই বেছে নেয় এই শহরটিকে। রাত আর দিনের ব্যাবধান এ শহরের নিকট থেকে বুঝা অসম্ভব। মূলত নিউইয়র্ক শহর কখনও ঘুমায় না নিউইয়র্ক ইজ দ্য সিটি দ্যাট সেভার সিøপ) মূলত এই ঘুমাক আর না ঘুমাক বিশ্বের অধিকাংশ পর্যটক এবং সাধারণ মানুষের রঙিন স্বপ্ন এই শহরকে ঘিরেই কি এক অজানা টানে নেশার মোহে নামীদামি বিশ্বের অধিকাংশ পর্যটক এবং সাধারণ মানুষের রঙিন স্বপ্ন এই শহরকে ঘিরেই কি এক অজানা টানে নেশার মোহে নামীদামি মানুষগুলো এখানেই ঘুরপাক খায়। যারা আমেরিকা তথা নিউইয়র্ক শহরে এখনও আসেনি তাদের কাছে নিউইয়র্ক কি পৃথিবীর অন্যান্য দেশের শহরের মতই শহর না কি অন্য কোনো কিছু তা সে বিষয়টি সাধারণ মানুষের খুব কাছ থেকে না শুনলে অনুধাবন করা যায় না। যে বিষয়টি বিশ্ব বিবেচনায় এ শহরটিকে বহুমাত্রিকতাযুক্ত করেছে তা হচ্ছে-এতো সব জাতি, অগণিত ভাষা, মিশ্র সংস্কৃতির মিলনকেন্দ্রে গায়ে গায়ে গা, লাগলেও যেন কারও কোনো প্রতিক্রিয়া নেই, নেই কারো নিজস্ব দিন যাপনে বাধা কিংবা স্বাধীন চিন্তার বহিঃপ্রকাশে কোনো রকম বাধা-বিপত্তি। কেননা, খোদ আমেরিকার সংবিধানে মূল প্রস্তাবনায় রয়েছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র যেখানে ৩টি বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে লাইফ (জীবন), লিবার্টি (স্বাধীনতা), পারসুট অব হ্যাপিনেস (সুখের অন্বেষণ)।
স্বর্গ সুলতান ঃ ৩৪৭-৪৭৫-৪৯৩৬
কুইন্স, নিউইয়র্ক।
E-mail: [email protected]
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!