Sunday, 25 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
সব ক্যাটাগরি

কানাডায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সিনহার অবৈধ প্রবেশ এবং রাজনৈতিক আশ্রয়ে জটিলতা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 102 বার

প্রকাশিত: July 29, 2019 | 12:46 PM

সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল: কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা গত ৪ জুলাই পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই স্ত্রীসহ অবৈধভাবে সড়কপথে আমেরিকা থেকে কানাডায় প্রবেশ করেছেন। সীমান্ত অতিক্রম করেই ‘অ্যাসাইলাম’ (রাজনৈতিক আশ্রয়) এর আবেদন করেন।

উল্লেখ্য, এর আগে তিনি আমেরিকাতেও রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। গত ২৭ জুলাই বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সত্যতা স্বীকার করেন। কিন্তু একসঙ্গে দুই দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়া ইমিগ্রেশন আইনে গ্রহণযোগ্য নয়। মিডিয়ার কাছে দেয়া সিনহার এক বক্তব্যের সঙ্গে আরেক বক্তব্য অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

তার ২৩ জুলাই কোরিয়েরে কানাডিস, ২৬ জুলাই দৈনিক টরন্টো স্টার এবং ২৭ জুলাই বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই অসামঞ্জস্যপূর্ণতা লক্ষণীয়!

অবৈধভাবে কানাডায় অনুপ্রবেশের বিষয়টি কোরিয়েরে কানাডিস এবং টরন্টো স্টারে উল্লেখ করেননি তিনি। আবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মামলা করেছেন এ অভিযোগ উল্লেখ করেছেন। এর প্রেক্ষিতে দ্য স্টার জানিয়েছে, এসব অভিযোগের ব্যাপারে দুদকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা সাড়া দেয়নি। কিন্তু এই বিষয়টি অন্য গণমাধ্যমে উল্লেখ করেননি। অপরদিকে, পাসপোর্টহীন কানাডায় প্রবেশের বিষয়টি কিছু মিডিয়ার কাছে এড়িয়ে গেছেন।

এ সম্পর্কে তিনি বিবিসিকে বলেছেন, ‘আমার ভিসা ছিলো কুটনৈতিক পাসপোর্টে। তা কন্স্যুলার অফিসে জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করি। কিন্তু তারা দেড় বছরেও নতুন পাসপোর্ট দেয়নি। আমি কোন বিকল্প না দেখে চিন্তা করলাম বর্ডার দিয়ে পার হয়ে যাই। কারণ আকাশপথে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে গেলে আমাকে ওখানে আটকাতো।’

আত্মজীবনীমূলক বই ‘এ ব্রোকেন ড্রিম’ লেখা, পাসপোর্টহীন নাগরিক হয়ে অবৈধভাবে কানাডায় প্রবেশ, দেশে তাকে গৃহবন্দি করে রাখা, বাধ্যতামূলক পদত্যাগ করা, হিন্দু হিসেবে তার গ্রামের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া, তার বিরুদ্ধে মামলা, এরকম একাধিক কারণে তার শরণার্থীর আবেদন দ্রুত গ্রহণ হবে বলে সিনহা মনে করেন। বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি আমি। আমার দাবিগুলোর প্রমাণ রয়েছে। এসব যথেষ্ট আমার রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন গ্রহণ করার জন্য।’

সিনহা বিবিসিকে আরও জানিয়েছেন, এক পর্যায়ে তার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমার যেহেতু কোন স্ট্যাটাস ছিল না, আমার কোন ইনস্যুরেন্স ছিল না। ফাইনান্সিয়াল সাপোর্ট কিছু বন্ধু বান্ধবরা করতো। বই এর কিছু রয়্যালটি পেয়েছিলাম, এটা দিয়ে চিকিৎসা করছিলাম। এই কারণে অনেক ভেবেচিন্তে কানাডায় চলে এলাম।’

তিনি আশা প্রকাশ করে আরও জানিয়েছেন, কানাডায় কর্তৃপক্ষ তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়ার ব্যাপারে কাগজপত্র তৈরি থেকে সবকিছুতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘এখানে আসার পরে আমূল পরিবর্তন যেটা পেলাম, কানাডা সরকার স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসে আমার ইন্টারভিউ নিচ্ছে। তারা বলছে স্যার আপনি কোন চিন্তা করবেন না। আমরা আপনার পাশে আছি। থাকার ব্যবস্থা সবকিছু তারা অ্যারেঞ্জ করে দিচ্ছে।’

কিন্তু তার রাজনৈতিক আশ্রয় এক্সেপ্ট হওয়ার ব্যাপারে রয়েছে একটি মারাত্মক জটিলতা। সে সম্পর্কে বিচারপতি সিনহা জানিয়েছেন, কোন একটি দেশে (আমেরিকা) রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থণা করার পর, কানাডায় আশ্রয় চাওয়া যায় না বলে দেশটির আইনে একটি বিধান রয়েছে।

কানাডার সংবাদ মাধ্যমকে সিনহা বলেছেন, দেশে তার জন্য নানামুখী হুমকি রয়েছে। আবার বিবিসিকে ভবিষ্যতে তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান এবং ফিরে তিনি দাতব্য কাজে নিজেকে যুক্ত করতে চান বলে জানিয়েছেন।

ফলে পর্যলোচনা করলে দেখা যায়, মিডিয়ায় দেয়া তার বক্তব্য অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এলোমেলো!

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ