‘কেবলমাত্র যুদ্ধ করে সন্ত্রাসবাদ দমন করা যাবে না’ : নোবেলজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস
মতিউর রহমান চৌধুরী : নোবেলজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সন্ত্রাসবাদ বিশ্বের নতুন এক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ কেবলমাত্র যুদ্ধের মাধ্যমে মোকাবিলা করা সম্ভব না। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদের কারণ তিনটি। দরিদ্রতা, ধর্ম ও রাজনীতি। মেক্সিকো সিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রফেসর ইউনূস বলেন, যে গরিব সে বেশি বেপরোয়া। সে সামনে আর কিছু দেখতে পায় না। তখন তার হাতে কেউ বন্দুক ধরিয়ে দেয়। বাড়তি টাকা পাওয়ার নেশায় সে বিভোর থাকে। কোন কোন সময় তার পরিবারও এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। সামাজিক অবিচার সন্ত্রাসবাদের আরেকটি কারণ। ন্যায়বিচার না থাকলে মানুষকে সন্ত্রাসের দিকে ঠেলে দেয়। ধর্মীয় দিক তো আছেই। কেউ যদি মনে করে তার ধর্মের ওপর আঘাত করছে, তখন সে প্রতিশোধস্পৃহায় মেতে ওঠে। ধর্মীয় গোঁড়ামি থেকে বের হতে না পারলে সন্ত্রাসবাদ রোধ করা সত্যিই কঠিন। রাজনৈতিক কারণেও সন্ত্রাসবাদ হয়। কেউ যদি মনে করে তার দেশ কোন না কোনভাবে আক্রান্ত হচ্ছে, তখন সে সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয়। বেকারত্ব দূর করতে না পারলে শুধু যুদ্ধ করে এ সমস্যা সমাধান যে সম্ভব না এটা বোধকরি বিশ্বনেতারা বুঝতে সক্ষম হবেন।
তিনি বলেন, সারা বিশ্বে এখন যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তা দমাতে হলে এক ধরনের সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন। মানুষকে বোঝাতে হবে সন্ত্রাসবাদ কোন সমাধান নয়। এতে সমাজ, রাষ্ট্র, জাতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বহুজাতিক কোম্পানি সামাজিক ব্যবসায় যোগ দিচ্ছে- এর পেছনে কি কারণ রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা বাস্তবতা উপলব্ধি করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আমরা তাদের কাছে যাই নি। তারাই আমাদের কাছে এসেছেন।
উল্লেখ্য, মেক্সিকো সিটিতে লক্ষ্য অর্জনের ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ষষ্ঠ বিশ্ব সামাজিক ব্যবসা সম্মেলন। এবারের সম্মেলনে বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশের সাড়ে সাত শ’ প্রতিনিধি অংশ নেন। আগামী বছর এ সম্মেলন হবে জার্মানির বার্লিনে।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!