কেরি’র ফোনেও বাংলাদেশ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় মার্কিন সিনেটে উদ্বেগ
কাউসার মুমিন, যুক্তরাষ্ট্র : বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কারের জরুরি প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে একমত পোষণ করে ‘সেন্স অব দি ইউএস সিনেট রিগার্ডিং দ্য ক্রিটিক্যাল নিড ফর পলিটিক্যাল রিফর্ম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে। ইলিনয়ে অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত ডেমোক্রেটিক সিনেটর রিচার্ড ডার্বিন কর্তৃক উত্থাপিত এ বিলটি (সিনেট রেজ্যুলেশন ৩১৮) পাসের বিষয়ে গতকাল কংগ্রেসের সিনেট কমিটি অন ফরেন রিলেশন্সের চেয়ারম্যান সিনেটর রবার্ট ফার্নান্দেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিনেট কমিটির ‘বিজনেস মিটিংয়ে’ বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
একটি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী েেশখ হাসিনাকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি’র টেলিফোনের পরও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির দৃশ্যমান কোন উন্নতি না হওয়ায় সিনেট কমিটির বৈঠকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ-তারানকো তার সাম্প্রতিক ঢাকা সফরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপি নেতাদের সমঝোতায় আসার যে পরামর্শ দিয়েছেন, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে কিনা- তা গুরুত্ব পায় বৈঠকে।
সিনেট কমিটি অন ফরেন রিলেশনসের গতকালের বৈঠকে বাংলাদেশ ছাড়াও ইরান, মিশরসহ ৭টি বিষয়ের ওপর উত্থাপিত পৃথক পৃথক বিল নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ বিষয়ক সিনেট রেজ্যুলেশন ৩১৮ গত ১১ই ডিসেম্বর সিনেটে উত্থাপন করেন ডেমোক্রেটিক সিনেটর রিচার্ড ডার্বিন। বিলটি সিনেটে উত্থাপনের দিন এ বিলে তার সঙ্গে কো-স্পন্সর হিসেবে ছিলেন উইমিং অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান সিনেটর মাইকেল এঞ্জি ও কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত ডেমোক্রেটিক সিনেটর ক্রিস্টোফার মারফি। পরে গত ১৭ই ডিসেম্বর এ বিলটিতে কো-স্পন্সর হিসেবে আরও স্বাক্ষর করেন ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্রেটিক সিনেটর বারবারা বক্সার ও আরিজোনা অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান সিনেটর জন বুজম্যান। বাংলাদেশবিষয়ক সিনেট রেজ্যুলেশন ৩১৮ গত ১১ই ডিসেম্বর ২০১৩ সিনেটে উত্থাপনের দিনই বিলটি বিবেচনার জন্য সিনেট কমিটি অন ফরেন রিলেশনসে পাঠানো হয়। গতকাল বিলটির ওপর সিনেট কমিটি বিস্তারিত আলোচনা করে।
এ বিলের সামারিতে বলা হয়েছে, ১) বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সংলাপ চালিয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে আহ্বান জানায়। এ উদ্দেশ্যে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ-তারানকোর মধ্যস্থতায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চলমান সংলাপ উদ্যোগকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা জানায়। ২) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, মানবাধিকার কর্মীদের হয়রানি বন্ধ এবং গ্রামীণ ব্যাংকের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারকে আহ্বান জানায়। ৩) নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের বাংলাদেশে প্রবেশ ও দায়িত্ব পালনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে বাংলাদেশের সম্ভাব্য নির্বাচনোত্তর যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশনীতি কেমন হবে- এ ধরনের প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও বাংলাদেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানকেই প্রাধান্য দিচ্ছে।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!