‘ক্রিকেট ঈশ্বর’ শচীন টেন্ডুলকার টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে

স্পোর্টস ডেস্ক:ক্রিকেটের প্রতি শচীন টেন্ডুলকারের আত্মনিবেদনের তুলনা নেই। মাঠে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে ভাবনায় এখনও বিনিদ্র রাত কাটান শচীন। টাইম ম্যাগাজিনের চলতি সংখ্যায় প্রচ্ছদ করা হয়েছে শচীন টেন্ডুলকারকে। টাইমের বিশেষ এ সংস্করণটি পাওয়া যাবে শুধু ভারতীয় উপমহাদেশ, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে। ম্যাগাজিনটিতে শচীনের একটি সাক্ষাৎকারও ছাপা হয়েছে। সেখানে শচীন বলেছেন, ‘কীভাবে নিজের প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করব? কীভাবে নিজের তৈরি মানদণ্ড ছুঁতে পারব? কীভাবে পারফর্ম করব_ এই প্রশ্নটা এখনও আমাকে শান্তিতে থাকতে দেয় না। আর সেটাই আমার সেরাটা বের করে নিয়ে আসে।’ এদিকে টাইম ম্যাগাজিনের যুক্তরাষ্ট্র সংস্করণে সন্তানকে মায়ের দুধ খাওয়ানো নিয়ে প্রচ্ছদ করায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ২০১০ সালে টাইম ম্যাগাজিনের জরিপে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায়ও উঠে
এসেছিল শচীনের নাম। ১৯৮৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকেই প্রচণ্ড চাপ নিয়ে ক্রিকেট খেলছেন শচীন। রাতে না ঘুমিয়ে বিছানায় ছটফট করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে শচীন বলেন, ‘এখনও এটা হয়। তবে এখন আমি জানি ব্যাপারটা খুব স্বাভাবিক। তাই রাতে উঠে পড়ি, না হয় টিভি দেখি, না হয় অন্য কিছু করি। আসলে এখন আমি নিজেকে অনেক ভালো করে চিনি।’ কঠিন সময় কীভাবে সামলান এমন প্রশ্নে শচীনের মন্তব্য_ ‘মাঝে মাঝে মাঠ ও মাঠের বাইরে এমন সব ঘটনা ঘটে যে, আপনি খেলাটাকে উপভোগ করতে ভুলে যান। তখনই সমস্যা দেখা দেয়। আমার সামনেও কঠিন মুহূর্ত এসেছে। তখন নিজেকে বলেছি, কী ঘটছে না ঘটছে, তাতে কিছু এসে যায় না। খেলাটাকে উপভোগ করি। যখন বাইশ গজে থাকি, তখন একটা বল দেখে খেলার জন্য হাফ সেকেন্ডেরও কম সময় হাতে থাকে। ওই সময় আমার সম্পর্কে কে কী বলছে, ভাবার সুযোগ থাকে না। আমার সম্পর্কে কে কী বলেছে বা লিখেছে, পরে কখনও চোখে পড়লে তো ঠিক আছে। কখনও আগ বাড়িয়ে দেখতে যাই না ওসব।’
সাক্ষাৎকারে শচীন জানান, তার মতোই ক্রিকেট অন্তঃপ্রাণ হয়ে উঠছে ছেলে অর্জুন টেন্ডুলকার। ১১ বছর বয়সী সন্তান অর্জুনও নাকি এখন ক্রিকেট বলতে পাগল। ছেলে ক্রিকেটের প্রেমে পড়েছে বলেই মনে করেন শচীন। সম্প্রতি ‘টাইম’ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘যতক্ষণ সে ক্রিকেটটাকে ভালোবাসতে পারবে, ততক্ষণ ঠিক আছে। তখন তাহলে সে সময় গুনে গুনে অনুশীলন করবে না। খেলাটার প্রতি ভালোবাসা ও তৃপ্তি নিয়েই সে মাঠে থাকবে। আর আমিও তার জন্য সেটাই চাই। আমার মনে হয়, ক্রিকেটটা শুরু হয় একেবারে হৃদয় থেকে। তারপর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটা আপনার মাথায় ছড়িয়ে যেতে থাকে। তার জন্য প্রথমে আপনাকে খেলাটার প্রেমে পড়তে হবে। আর আমার ছেলে ক্রিকেটের প্রেমেই পড়েছে।’
টেন্ডুলকার অবশ্য তার সন্তানকে কখনই ক্রিকেট খেলার জন্য জোর করেননি। তারপরও বাবার মতোই ক্রিকেটপ্রেমী হয়ে উঠছে অর্জুন। টেন্ডুলকার চান বড় ক্রিকেটার হওয়ার পাশাপাশি ছেলে যেন বড় মানুষও হয়ে ওঠে। বলেছেন_ ‘ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি সব সময়ই একজন ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করা উচিত। তাহলে মানুষ তোমাকে খেলাটা ছেড়ে দেওয়ার পরও সম্মান করবে। আমিও আমার সন্তানদের এ কথাই বলি।’সমকাল
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
- বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী