Saturday, 27 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

খান শওকতের নাট্যগ্রন্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদালয়ের পাঠ্যপুস্তক হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 80 বার

প্রকাশিত: July 9, 2017 | 11:20 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : প্রবাসের পরিচিত মুখ খান শওকত রচিত ঐতিহাসিক নাট্যগ্রন্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রকাশ হয় ২০১৬ সালে। এরপর এই গ্রন্থখানা বাংলাদেশ ও পশ্চিম-বঙ্গের বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ড এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরন করেন তিনি। উদ্দেশ্য গ্রন্থখানিকে পাঠ্যপুস্তক হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করানোর চেষ্টা। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যায় কর্তৃপক্ষের সাথে তার প্রাথমিক আলোচনাও চলছিলো। অবশেষে নিউইয়র্কে বেড়াতে এলেন ঢাকার উত্তরাস্থ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ষ্টামফোর্ড এবং ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড: জাকারিয়া লিংকন। চিত্রশিল্পী প্রবীর গুন তাকে নিয়ে এলেন গাঙচিল আসরে। সবার সামনে ড: জাকারিয়া লিংকন ঘোষণা করলেন: জাতির জনকের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন এবং ৭১ উত্তর বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে রচিত ঐতিহাসিক নাটক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গ্রন্থখানা তাদের ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী সাহিত্য বিভাগে পাঠ্যপুস্তক করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং বেঈমান মীর জাফরের ইতিহাস আমরা ভুলে যেতাম, যদি কিনা এবিষয়ে নাট্যগ্রন্থ রচিত না হতো। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে গেঁথে দেবার জন্য বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি নাট্যগ্রন্থ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ্যপুস্তক থাকা উচিত। যেমনটি আছে নীলদর্পন বা সিরাজউদ্দৌলা। দেশ স্বাধীনের পর ৪৭টা বছর পার হয়ে গেলো কিন্তু কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এধরনের একটি গ্রন্থকে পাঠ্য-পুস্তক হিসেবে সিলেবাসে কেন যে আজও অন্তর্ভূক্ত করা হলোনা এটা আমার বোধগম্য নয়। খান শওকত দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ গবেষণার পর এমন একটি চমৎকার গ্রন্থ বাঙ্গালী জাতিকে উপহার দিয়েছেন। গ্রন্থটির মুখবন্ধে: নাট্যব্যক্তিত্ব ও মাননীয় সংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বঙ্গবন্ধু গবেষক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান ড: মুনতাসীর মামুন এবং ২১শে পদকপ্রাপ্ত নাট্য-ব্যক্তিত্ব জামালউদ্দীন হোসেন যেভাবে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন তা পড়ে আমি আকৃষ্ট হয়েছি।এমনকি নিউইয়র্কে এনাটকের ২টি প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলাদেশের দুজন সাবেক মন্ত্রী, বর্তমানে ২টি মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় কমিটির প্রধান এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী নেতা সাবেক আইনমন্ত্রী এ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু এবং সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড: দীপু মনি। বাংলাদেশ থেকেই আমি অবগত হয়েছি: আসন্ন জাতীয় শোক দিবসের (১৫ই আগষ্ট) দিনে এ নাটকটি বাংলাদেশ বেতারের সব ক’টি কেন্দ্র থেকে একযোগে প্রচারিত হবে, এবং আগামী বছরে কলকাতায় অনুষ্ঠিতব্য নাট্য সম্মেলনে শ্রীমতি মিথু দে-র পরিচালনায় এনাটকের প্রদর্শনী হবে। তারা পশ্চিম বঙ্গ সরকারের সংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র ও যোগাড় করেছেন। বাংলাদেশে বিভিন্ন নাট্যগোষ্ঠি ইতিমধ্যেই এ নাটকটি নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এনাটকের সার সংক্ষেপ হচ্ছে ঃ মূল ঘটনা পাকিস্তানের সাথে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অবদান ও জীবনী নিয়ে রচিত এ নাটক। দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করলো, এরপর কিছু স্বার্থপর বেঈমান পাকিস্তানিদের সাথে হাত মিলিয়ে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করতে থাকে। এই কথা নেতার কাছে পৌঁছে দিলে তিনি হেঁসে উড়িয়ে দিয়ে বলেন: বাংলার মানুষের হাতে আমার মৃত্যুর কোন ভয় নাই। কিন্তু তার ধারণা ভুল। তার ধারণা পাল্টে দিয়ে শুধু তাকে নয়, তার গোটা পরিবারকে এদেশের জন্য জীবন দিতে হলো। তার দুই কন্যা বিদেশে ছিলেন বলে প্রাণে বেঁচে যান। এভাবেই এক পর্যায়ে নাটকটির সমাপ্তি ঘটে। এনাটকে অনেক ঐতিহাসিক তথ্য বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দীর্ঘ ২১ বছর যাবৎ যারা এদেশের ইতিহাসকে ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করেছে, তাদের অপচেষ্টা আজও অব্যাহত রয়েছে। নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতার ঘোষণা এবং বঙ্গবন্ধুকে হত্যার বিষয়ের অজানা তথ্যাদি তুলে ধরা দরকার। তাই ঐতিহাসিক নাটক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গ্রন্থখানা ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী সাহিত্য বিভাগে পাঠ্য-পুস্তক করা হচ্ছে। এমন ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য: গাঙচিল এর পক্ষ থেকে ড: জাকারিয়া লিংকন-কে ধন্যবাদ জানান সভাপতি কবি নীখিল কুমার রায় এবং সহ সভাপতি চিত্রশিল্পী প্রবীর গুন। এরপর গত ৭/৫/২০১৭ তাং এ নাট্যকার খান শওকত এর কাছে এবিষয়ে একটি পত্র হস্তান্তর করেন ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা ড: জাকারিয়া লিংকন। এসময়ও উপস্থিত ছিলেন প্রবীর গুন।

উক্ত পত্রে বলা হয়: “জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জীবন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে সমৃদ্ধ আপনার রচিত ঐতিহাসিক নাটক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গ্রন্থখানি আমরা পাঠ করেছি। মঞ্চে বা পর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে বঙ্গবন্ধুকে তুলে ধরার জন্য গ্রন্থটি সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ এ গ্রন্থটিকে ইংরেজী সাহিত্য বিভাগে পাঠ্যপুস্তক হিসেবে অন্তর্ভূক্তির জন্য সম্মত হয়েছে এবং গ্রন্থখানিকে ইংরেজীতে অনুবাদের দায়িত্ব্ পালন করবেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা এবং ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য্য অধ্যাপক ড: জাকারিয়া লিংকন। অনুবাদ এর কাজ শেষ হলে আপনার কাছে ইমেইল-এ প্রেরন করা হবে। ইংরেজী অনুবাদটি আপনার চূড়ান্ত অনুমোদনের পর, অত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইংরেজী গ্রন্থখানা প্রকাশ করবে। আমরা আশা করছি ২০১৮ সালের জানুয়ারী মাস থেকে পাঠ্য-পুস্তক হিসেবে গ্রন্থখানিকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া সম্ভব হবে। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং মহাবিদ্যালয় গুলোর কাছেও গ্রন্থটি তুলে ধরার চেষ্টা করবো আমরা। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় সকল খরচ-এর দায়িত্ব পালন করবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ইংরেজীতে গ্রন্থখানা প্রকাশের পর প্রতিবছর বিক্রীত গ্রন্থ থেকে ৪০% শতাংশ লভ্যাংশের অর্থ লেখক হিসেবে আপনাকে সম্মানী প্রদান করা হবে। আমরা আপনার সর্বাঙ্গীন সহযোগিতা কামনা করছি।”

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত কোন নাট্য-গ্রন্থ এই প্রথম কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য-পুস্তক হিসেবে সিলেবাসে অন্তর্ভূক্ত হতে যাচ্ছে। এটি যেমন লেখক সমাজের জন্য একটি বড় অর্জন, একইভাবে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনার পক্ষেরও একটি বড় বিজয়। নাট্যকার খান শওকত-কে এবং ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন জানানোর জন্য আহবান জানিয়েছেন: গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ, গাঙচিল থিয়েটার এবং বঙ্গবন্ধু থিয়েটার। গত ৮ই জুলাই পর্যন্ত খান শওকত এর ফেইসবুকে বাংলাদেশ ও প্রবাস থেকে দুই শতাধিক ষ্টাটাস এবং অসংখ্য টেলিফোনে অভিনন্দন এসেছে। এক বিবৃতিতে নাট্যকার খান শওকত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আর্শীবাদ চেয়েছেন। গ্রন্থটি সংগ্রহে আগ্রহী বা নাটকটি মঞ্চায়নে আগ্রহীদেরকে (৯১৭)- ৮৩৪-৮৫৬৬ নং এ যোগাযোগের আহবান জানানো হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV