Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 101 বার

প্রকাশিত: May 7, 2014 | 12:27 PM

বাংলাদেশে প্রধান বিরোধী দল ও সরকারের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেরি হার্ফ নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-, রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অব্যাহতভাবে আলোচনা চালিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা, বাংলাদেশ সহ সর্বত্র মিডিয়ার স্বাধীনতা সমর্থন করি। এটা এমন একটি ইস্যু যা নিয়ে আমরা সরকারের সঙ্গে সব সময় কথা বলছি। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল, সুশীল সমাজসহ সবারই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আছে। মেরি হার্ফ বলেন, তাই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যে কোন স্থানে সহিংসতার বিষয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার। আমরা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এসব কথা বহু বলেছি। সহিংসতার বিষয়ে আমাদের উদ্বেগ ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার। আমরা এসব বিষয় সরকারের সঙ্গে আলোচনায় অব্যাহতভাবে তুলে ধরবো। বাংলাদেশে নতুন নির্বাচন হলে তাতে প্রধান বিরোধী দল ও সরকারের মধ্যে যে উত্তেজনা বিরাজ করছে তা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসতো- এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মেরি হার্ফ বলেন, আমরাও তো উত্তেজনা অবসান ঘটুক, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক তা-ই চাই। এখানে মেরি হার্ফের বাংলাদেশ বিষয়ক প্রশ্নোত্তর তুলে ধরা হলো:
প্রশ্ন: আরেকজন আরশাদ এখন ফিরেছেন। 
মেরি হার্ফ: জানি, দেখা যাক। 
প্রশ্ন: আমাকে এ সুযোগ দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। প্রথমত এটা দুঃখজনক যে,  আপনাকে জানাতে হচ্ছে আমার পত্রিকার সম্পাদক এখনও রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিচারের অপেক্ষায় জেলে রয়েছেন। এর শেষ হতে পারে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদ- দেয়ার মাধ্যমে। তাই এই হলো বাংলাদেশে বর্তমানে সংবাদ মাধ্যমের অবস্থা। সেখানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার মুখাবরোধ করে রাখা হযেছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতাও এখনও মারাত্মক বিতর্কের মুখে। কারণ, এ সময়ে সরকার বিচার বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে অথবা হস্তক্ষেপ করেছে। গণতন্ত্রের নামে এখন প্রায় ০০৭ স্টাইলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- ও অপহরণের প্রায় পাস দেয়া হয়েছে। ০০৭ অনুমোদন বলতে বোঝায় হত্যার নির্দেশ। সরকারের বিরুদ্ধে কাউকে প্রতিবাদ করতে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেয়া হয়েছে র‌্যাবকে। ফলে এই হলো বাংলাদেশ। ১৯৭৫ সালে আমরা এক স্বাধীনতার লড়াই করেছি। বাংলাদেশের মানুষ গণতান্ত্রিক, তারা গণতন্ত্রকে ভালবাসে।
মেরি হার্ফ: আপনার কি কোন প্রশ্ন আছে?
প্রশ্ন: আছে- এটাই আমার প্রশ্ন: সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- নিয়ে যেদিকে এগোচ্ছে পরিস্থিতি তাতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান কি? 
মেরি হার্ফ: প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনাকে এই প্রেস ব্রিফিংয়ে ফিরে পেয়ে ভাল লাগছে। এর আগে আজকের মতো অনেক বার আমি বলেছি, আমরা মুক্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতা, বাংলাদেশ সহ সর্বত্র মিডিয়ার স্বাধীনতাকে সমর্থন করি। এ ইস্যুতে আমরা সব সময় সরকারের সঙ্গে কথা বলি। বিরোধী দল ও সুশীল সমাজের নেতাদের সঙ্গে কথা বলি। কারণ, এক্ষেত্রে সবারই দায়বদ্ধতা আছে। আমরা যেখানেই দেখি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বিপন্ন অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আমরা কথা বলি। তাই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও যে কোন স্থানের সহিংসতার বিষয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার। আমরা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনেক কথা বলেছি। কিন্তু সহিংসতার বিষয়ে আমাদের উদ্বেগ পরিষ্কার। সরকারের সঙ্গে আমরা এসব ইস্যু অব্যাহতভাবে তুলে ধরবো। 
প্রশ্ন: এ অবস্থার প্রেক্ষিতে, এ অবস্থায় বাংলাদেশ পরিস্থিতি কি হতে পারে বলে আপনি আন্দাজ করেন? নতুন নির্বাচনের দাবি উঠেছে, যা হলে প্রধান বিরোধী দল ও সরকারের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনা স্বাভাবিক হতে পারে। 
মেরি হার্ফ: ভাল কথা। আমরাও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক তা-ই চাই। এটাই সব, ঠিক আছে?
প্রশ্ন: এমন কোন জায়গা আছে, আলোচনার, আপনাদের উদ্যোগে…
মেরি হার্ফ: আমার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারবো। একেবারে খোলাখুলি বলছি, এ বিষয়ে বিস্তারিত কি আছে সে সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV