Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

গুগলকে ভেঙে ফেলার ভোট

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 46 বার

প্রকাশিত: November 28, 2014 | 2:30 AM

ইউরোপে গুগলের একচ্ছত্র আধিপত্য কমাতে ভোট দিলেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যরা। গতকাল বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টের সদস্যরা ইউরোপে গুগলের ক্ষমতা কমানোর একটি খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে ভোট দেন। ওই খসড়ায় ইউরোপে গুগলকে ভেঙে দেওয়ার ও গুগলের বাকি ব্যবসা থেকে সংস্থাটির সার্চ ইঞ্জিন আলাদা করার প্রস্তাবও রয়েছে।
ইউরোপ থেকে ওয়েবে যত অনুসন্ধান করা হয়, এর ৯০ শতাংশই গুগল ব্যবহার করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গুগল সার্চ বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রেও এতটা ক্ষমতাধর নয়।
খসড়া প্রস্তাবে ‘গুগলের অবৈধ ও পক্ষপাতমূলক আচরণ’ বন্ধ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, গুগলের ব্যবসার জন্য যেটা সুবিধা হয়, সেভাবেই অনুসন্ধানে ফল দেখানো হয় ও র‌্যাংকিং করা হয়। এতে ব্যবহারকারীর কথা ভাবা হয় না। এ প্রস্তাবে অনলাইন বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরির কথাও বলা হয়েছে।
গুগলের র‌্যাংকিং অ্যালগরিদম সরিয়ে ফেলে ক্রমপরিবর্তনশীল অনুসন্ধান ফল দেখানো বা ইউরোপে গুগলের কার্যক্রম আলাদা করতে বাধ্য করার লক্ষ্যেই ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্যরা ভোট দেন।

অবশ্য ভোট পাস হয়ে গেলেও এই খসড়া প্রস্তাবটি শুধু সুপারিশ হিসেবে গৃহীত হবে। ইউরোপীয় কমিশন যদি এই সুপারিশ মেনে নেয়, তবেই গুগলকে ইউরোপে তাদের নীতি বদলাতে বাধ্য করা যাবে।
গতকালের এই ভোট প্রসঙ্গে গুগল কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, এমনিতে এ বিষয়ে নতুন করে আইন তৈরির ক্ষমতা ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নেই। এখতিয়ার নেই কোনো সংস্থাকে টুকরো করার। এমনকি নিজেদের তৈরি প্রস্তাব গুগলকে মানতে বাধ্যও করতে পারে না তারা।
কে ঠেকাবে গুগলকে?
কিন্তু তাতে কী? গুগলের বিরুদ্ধে এত বড় পদক্ষেপ নিলে নিশ্চয়ই চাপ বাড়বে। এ ছাড়া গুগলকে ভেঙে ফেলতে ইউরোপীয় কমিশনের ওপরও চাপ বাড়বে।
গুগল কর্তৃপক্ষ এমনিতেই ইউরোপের বাজারে স্বস্তিতে নেই। এর আগে কর ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে আবার কখনো অভিযোগ উঠেছে প্রাইভেসি না মানার বিষয়টি নিয়েও। গুগলের একচেটিয়া ব্যবসা নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। এসব অভিযোগদাতার মধ্যে মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানের নামও রয়েছে।
গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না বললেও গত অক্টোবর মাসে গুগলের চেয়ারম্যান এরিক স্মিড বলেছিলেন, যারা গুগলের দিকে একচ্ছত্র আধিপত্যের অভিযোগ তোলে, তারা এ ক্ষেত্রটি ঠিকমতো বুঝতে পারেনি বলেই এই অভিযোগ তোলে। বাস্তবতা হচ্ছে, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো নজরদারি বা ধরাবাঁধা কাজকর্মের পদ্ধতির চেয়ে গুগল সম্পূর্ণ আলাদা পন্থায় কাজ করে। আমরা কোনো ফেরি বা রেললাইন নয় বা টেলিকম নেটওয়ার্ক বা বৈদ্যুতিক গ্রিড নই যে, আপনার বাড়িতে একটি লাইন হিসেবে গিয়ে অন্য কোনো লাইন ঢুকতে দেব না। এখন কেউ আর শুধু গুগল ব্যবহার করেই সীমাবদ্ধ থাকে না।
ভোটের পর এখন দেখার বিষয়, গুগল এ নিয়ে কতদূর কী করে। এ ছাড়া পার্লামেন্ট ও কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেটাও দেখার জন্য অধীর হয়ে আছে প্রযুক্তি বিশ্ব। সিএনএন, রয়টার্স।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV