Friday, 19 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’
সব ক্যাটাগরি

গ্রিণকার্ডের টোপ দিয়ে মার্কিন বিনিয়োগ ভিসার নামে প্রতারণা?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 67 বার

প্রকাশিত: October 19, 2013 | 10:09 PM

এনা : ইউএসসিআইএস (ইউনাইটেড স্টেট সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস) থেকে বিনিয়োগ ভিসা (ইবি-৫) নিয়ে প্রতারণার ব্যাপারে একটা ”ইনভেস্টর এলার্ট” প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোন কোন মিডিয়ায় এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে বা হচ্ছে যে. মিলিয়ন ডলারের বাড়ি/ব্যবসা ক্রয় করলেই যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে গ্রিণকার্ড পাওয়া যাচ্ছে। এ ধরনের অঙ্গিকারকে নিতান্তই প্রতারণার সামিল বলে উল্লেখ করেছে ইউএসসিআইএস। অনেক ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এ ব্যপারে জানতে চাচ্ছেন সংশ্লিষ্টদের কাছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বার্তা সংস্থা এনার পক্ষ থেকে নিউইয়র্কের প্রখ্যাত মানবাধিকার ও ইমিগ্রেশন বিষয়ক আইনজীবী এটর্নী অশোক কে. কর্মকারের এ সাক্ষাতকার গ্রহণ করা হয় এবং এখানে তা উপস্থাপন করা হলো।

প্রশ্ন: সম্প্রতি ইউএসসিআইএস ((ইউনাইটেড স্টেট সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস) থেকে বিনিয়োগ ভিসা নিয়ে প্রতারণার ব্যাপারে একটা ”ইনভেস্টর এলার্ট” প্রকাশ করা হয়েছে। একটু সংক্ষেপে এটা ব্যখ্যা বা বর্ননা করবেন আমাদের পাঠকদের জন্য?
এটর্নী কর্মকার : পুরো প্রতারণার বিষয়টি নিয়ে বলার আগে একটু পেছনে গিয়ে বর্নণা করলে যেমন বিষয়টি পরিস্কার হবে বোঝার জন্য, তেমনি বাংলাদেশীদের মধ্যে যারা এদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে গ্রিণকার্ডের কথা চিন্তা করছেন তারাও লাভবান হবেন বলে আমার বিশ্বাস। নব্বই দশকের শেষ দিক থেকে শুরু হলেও ইবি-৫ প্রোগ্রাম বেশ জনপ্রিয়তা পায় বর্তমানকালে, বিশেষ করে অর্থনৈতিক মন্দার সময়। এখন অনেক দেশেই ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেকেই অনেক অর্থের মালিক হয়েছেন। পৃথিবীর অনেক দেশেই আপনি বিনিয়োগ করতে পারলেও আমেরিকাতে বিনিয়োগ এখনও সিকিউরড বা নিশ্চিত থাকে, তাছাড়া এখানেই বিনিয়োগের সুবিধা এখনও পৃথিবীর যে কোন দেশের চাইতে অনেক বেশী। একারণেই পৃথিবীর সকল প্রান্ত থেকে মানুষ আসে আমেরিকায়, কেউ শুধু থাকার জন্য, কেউবা থাকা ও ব্যবসার জন্য।
অর্থাৎ যারা সফল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তারা হয় আমেরিকাতে তাদের ব্যবসা প্রসার করতে চান, অথবা তাদের জমানো অর্থ বিনিয়োগ করে এই দেশে নিজের ও পরিবারের সকলের জন্য (স্বামী/স্ত্রী ও ২১ বছরের কম বয়েসী ছেলে-মেয়ে) গ্রিণকার্ডের ব্যবস্থা করতে চান। মূলত: এই প্রোগ্রামটির অধীনে আপনাকে এক মিলিয়ন ডলার (৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা) বিনিয়োগ করতে হবে এবং কমপক্ষে ১০ জনের (আমেরিকান সিটিজেন/গ্রিণকার্ডধারী) কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এটা যদি আপনি সরাসরি নিজে ব্যবসা করতে চান। কিন্তু অনেকেই আছেন যারা নিজেরা সরাসরি ব্যবসা করতে চান না, কারণ তাদের নিজের দেশে ব্যবসা অনেক বেশী লাভজনক ও তাতে তাদের ব্যক্তিগত ইনভলভমেন্ট অনেক বেশী থাকে। সেজন্য এমন ব্যবসায়ী বিনিয়োগকারীগণ সরাসরি বিনিয়োগের চেয়ে পরোক্ষ বিনিয়োগে বেশী আগ্রহী। তাদের সুবিধার জন্য সরকার এক মিলিয়নের পরিবর্তে ৫ লাখ ডলার বিনিয়োগের ব্যবস্থা রেখে আইন প্রনয়ন করেছেন। পরোক্ষ বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও আপনাকে তার ব্যবস্থাপনার সাথে যুক্ত থাকতে হয়। সেটা অন্য কথা। এই দ্বিতীয় বা পরোক্ষ বিনিয়োগ নিয়েই প্রতারণার ফাঁদ পাতে কিছু অসৎ লোক। কিভাবে, সেটা এখন বিশ্লেষণ করছি একটু বিশদভাবে। এই বিশেষ সুবিধা বা এক মিলিয়ন ডলারের পরিবর্তে ৫ লাখ ডলার পরোক্ষ বিনিয়োগের সুবিধা কিন্তু একেবারে শর্তমুক্ত নয়, এটা শর্তসাপেক্ষ। এই পরোক্ষ বিনিয়োগের সুবিধা নিতে হলে আপনাকে এই পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে সরকারের কিছু নির্ধারিত এলাকায়-যাকে বলা হয় টার্গেটেড এমপ্লয়মেন্ট এরিয়া (বা টিইএ) নামে পরিচিত। যেহেতু এই এলাকাগুলো অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর, এখানে এককভাবে ব্যবসা শুরু করা একটু বেশী ঝুঁকিপূর্ণ এসব এলাকাতে কর্মসংস্থান বাড়ানোর পন্থা হিসেবে সরকার অনুমোদন দিয়েছেন কিছু কোম্পানীকে (বর্তমানে যাদের সংখ্যা প্রায় ২০০), যারা এসব এলাকাতে বড় কোন প্রজেক্ট নেয়। এসব কোম্পানীকে বলা হয় রিজিওনাল সেন্টার। এদের নিজেদের কোন বিনিয়োগ নাও থাকতে পারে। এরা শুধু যারা বিনিয়োগ করতে চান তাদের অর্থ সংগ্রহ করে এই প্রজেক্টগুলো সম্পন্ন করেন। যেমন তারা এই অর্থ দিয়ে একটা বড় হোটেল করলেন যাতে অনেক বিনিয়োগকারী বিনিয়োগ করবেন এবং প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবেন। আমরা আগেই বলেছি যে প্রায় ২০০-এর মতো রিজিওনাল সেন্টার রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে কোন সেন্টারের অধীনে বিনিয়োগ করা আপনার জন্য নিরাপদ ও কম ঝুঁকিপূর্ণ-এই বিষয়েই আপনাকে সাবধান হতে হবে এবং দক্ষ ও সৎ এটর্নী ও ফিন্যান্সিয়্যাল এক্সপার্টের সহয়তা নিতে হবে। কারণ, অনেক রিজিওনাল সেন্টার মানুষকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন ও বিভ্রান্ত করছে। এরকম একটি প্রতারক চক্রকে চিহ্নিত করেছে ফেডারেল সরকার, যারা কিনা বিনিয়োগকারীদের ধোঁকা দিয়ে তাদের অর্থ লোপাটের সাথে জড়িত।
প্রশ্ন: এই প্রোগ্রামের অধীনে আমেরিকাতে বসতবাড়ী কিনে কি গ্রিণকার্ড পাওয়ার সুবিধা আছে?
এটর্নী কর্মকার: আমি শুনেছি বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রচার করছে যে আমেরিকাতে বসতবাড়ী কিনে গ্রিণকার্ড পাওয়ার সুবিধা আছে। এটা সম্পূর্ন অসত্য। তবে কেউ যদি রিয়্যাল এস্টেট-এর ব্যবসা করেন এবং অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে পারেন তবে সেটা ভিন্ন কথা। মনে রাখতে হবে ব্যবসার জন্য কেনা ও থাকার জন্য কেনার মধ্যে পার্থক্য আছে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV