Sunday, 25 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

গ্রিনকার্ডধারীর সন্তানদের বৈধতার বিল যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 87 বার

প্রকাশিত: November 28, 2012 | 11:02 AM

এনা, নিউইয়র্ক : প্রেসিডেন্ট হিসেবে বারাক ওবামার নির্বাহী আদেশ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে ইমিগ্রেশন রিফর্ম বিল পাশের কোনো সম্ভাবনা নেই। আবার সিনেট এবং হাউজের মধ্যে ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হবার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই ইমিগ্র্যান্টদের মধ্যে গত ৬ নভেম্বরের নির্বাচনে যে অঘোষিত ঐক্য জাগ্রত হয়েছে তা ধরে রাখতে হবে আরো কয়েক মাস। বার্তা সংস্থা এনার কাছে ২৭ নভেম্বর এ অভিমত পোষণ করেছেন নিউইয়র্কে ইমিগ্রেশনবিষয়ক বিশিষ্ট এটর্নি নাজমুল আলম। এটর্নি আলমের এ বক্তব্যের সমর্থন পাওয়া গেছে ন্যাশনাল ডে লেবার অর্গানাইজেশন নেটওয়ার্কের নির্বাহী পরিচালক পাবলো এলভারেডোর বিবৃতিতেও। ২৬ নভেম্বর প্রদত্ত বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী বিস্তৃত হিসপ্যানিক ইমিগ্র্যান্টদের প্রতিনিধিত্বকারী এ সংগঠনের প্রধান পাবলো এলভারেডো বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ওবামা যদি সত্যিকার অর্থেই ইমিগ্রেশন রিফর্ম করতে চান তাহলে ৬টি বিষয়ে তাকে মনোযোগ দিতে হবে। এগুলো হচ্ছে ১. বার্ষিক ৪ লাখ ইমিগ্র্যান্টকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া স্থগিত, ২. নানা কারণে ইমিগ্র্যান্টদের বিরুদ্ধে অভিযান বন্ধ, ৩. ‘সিকিউর কম্যুনিটি প্রোগ্রাম’ প্রত্যাহার, ৪. ইমিগ্রেমন এন্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট এবং ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির শীর্ষ পদে রদবদল, ৫. পুলিশ অফিসার যো আরপাইয়োকে বিচারের সম্মুখীন এবং ৬. মানবাধিকার ও শ্রমিক অধিকার নিয়ে কর্মরতদের আইনগত স্ট্যাটাস দিতে হবে। এসব প্রক্রিয়া অবলম্বন করার মাধ্যমেই সোয়া  কোটি অবৈধ ইমিগ্রান্টের সমস্যার সমাধানের পথ সুগম হতে পারে এবং বহুল প্রত্যাশিত ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোও সম্ভব হবে। ইতিমধ্যেই ডেমক্র্যাট এবং রিপাবলিকানদের মধ্যেকার ঐক্যের সুর উঠেছে ইমিগ্রেশন ইস্যুতে-তাকে আরো জোরদার করতে কাজ করতে হবে হোয়াইট হাউজকে। যদিও সিনেটের মত হাউজে তেমন ঐক্যের বাতাস এখনও বইতে শুরু করেনি।স্পীকারের খোলামেলা আহবান সত্বেও প্রভাবশালী অনেক রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান তাদের এলাকার ভোটারের মতামত বিশ্লেষণ করছেন। একইসাথে রিপাবলিখানরা সামনের সপ্তাহে ইমিগ্রেশনের নতুন একটি বিলে ভোট দেয়ার চিন্তা করছেন। সেটি হচ্ছে বিদেশের মেধাসম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রীদের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণের ভিসার কোটা বৃদ্ধির সাথে সাথে ডিগ্রি গ্রহণের পর গ্রীনকার্ড প্রাপ্তির পথ সুগম এবং গ্রীনকার্ডধারীদের নিকটাত্মীয়দেরও স্বল্প সময়ে আমেরিকায় আনার ব্যবস্থা করা। তবে তারা রিফর্মের ব্যাপারে ততটা নড়েচড়ে উঠেননি এখনও। উল্লেখ্য, ‘সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড ম্যাথমেটিক্স’ অর্থাৎ ‘স্টেম’ বিলের উপর বর্তমান হাউজে ভোট হয় গত সেপ্টেম্বর মাসে। কিন্তু তা আইনে পরিণত দরকার ছিল দুই-তৃতীয়াংশ ভোট। সেটি পাওয়া যায়নি। কারণ, ডেমক্র্যাটদের ৮০% ওই বিলে ভোট দেননি। আপত্তির বিষয়গুলো পরিহার করে নতুন বিল উঠানো হয়েছে। নতুন বিষয়টি হচ্ছে, গ্রীনকার্ডধারীর স্ত্রী-স্ব¡ামী অথবা অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানেরা যুক্তরাষ্ট্রে নির্দ্বিধায় বাস করতে পারবেন গ্রীনকার্ড না পাওয়া পর্যন্ত। উল্লেখ্য, প্রতি বছর গ্রিনকার্ডধারীর নিকটাত্মীয়দের গ্রিনকার্ড প্রদানের কোটা হচ্ছে ৮০ হাজার। অপরদিকে পেন্ডিং আবেদনের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৩ লাখ ২২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। অপেক্ষার সময় ৬ বছর পর্যন্ত বাড়তে পারে বিধায় তাদের টেনশন কাটাতে এ বিধি করা হচ্ছে। এ বিল পাশ হয়ে আইনে পরিণত হলে গ্রীনকার্ডধারীরা তাদের নিকটাত্মীয়কে স্পন্সরের আবেদনের এক বছরের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে আনতে পারবেন। সে সময় তাদেরকে অস্থায়ী কার্ড দেয়া হবে। এ কার্ডে অবশ্য কাজ করার অনুমতি থাকবে না। সত্যিকারের গ্রীনকার্ড হাতে পাবার পর তারা কাজকর্ম করতে পারবেন। স্বজনের মিলন ত্বরান্বিত করতে এসব সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে রিপাবলিকানরা দাবি করেন। হাউজে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলনেতা কংগ্রেসম্যান এরিক ক্যান্টর (রিপাবলিকান-ভার্জিনিয়া) এর মুখপাত্র মেগান হুইটমোর বলেছেন, বিলটি পরিবারকে একত্রে রাখার সুযোগ সৃষ্টি করবে। যারা ডিটেনশন সেন্টারে রয়েছেন তারাও রেহাই পাবেন। এবার বিলটি সহজেই পাশ হবে এবং গতবারের মত দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হবে না তা আইনে পরিণত হতে। এর ফলে বার্ষিক ৫৫ হাজার গ্রিনকার্ড ইস্যু হবে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী এবং মাস্টার্স করা ছাত্র-ছাত্রীর জন্যে। তবে ডিভি লটারি চালুর পক্ষে এখন আর কেউই কথা বলছেন না। এটর্নী নাজমুল আলম যুক্তির অবতারণা করে এনাকে আরো বলেছেন, মন্দা কাটিয়ে উঠতে প্রেসিডেন্ট তার নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন। সবার জন্যে স্বাস্থ্যসেবা বিলও পরিত্যক্ত হয়েছিল কংগ্রেসে। সেখানেই তিনি তার নির্বাহী আদেশ প্রয়োগ করেছেন। শিশুকালে মা-বাবার হাত ধরে আমেরিকায় আসার পর এ দেশের আলো-বাতাসে বড় হওয়া প্রজন্মকে বৈধতা প্রদানেও ওবামা তার নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন। ইমিগ্রেশন রিফর্ম ইস্যুতেও একটি পদক্ষেপ নিতে তিনি কার্পণ্য করবেন না বলেই মনে হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ