ঘুমের ওষুধের ওপর নির্ভরশীল?
ডা. এস এম আতিকুর রহমান : ঘুম না এলে আমরা অনেক সময় ঘুমের বড়ি খেয়ে থাকি। আপাতদৃষ্টিতে সেটা সমস্যা মনে না হলেও তা অভ্যাসে পরিণত হলে বিপদ ডেকে আনতে পারে। একবার নির্ভরশীল হয়ে পড়লে ঘুমের ওষুধ ছাড়া কষ্টকর হয়ে যায়। ছাড়ব ছাড়ব করেও সেই ওষুধ চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওষুধের ডোজও বাড়তে থাকে।
কী করে বুঝবেন নির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে?
কাঙ্ক্ষিত সময়ের চেয়ে বেশি দিন ওষুধ খেলে।
মাত্রারিক্ত হলে ওষুধ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া সত্ত্বেও বারবার ব্যর্থ হলে। ওষুধ বন্ধ করার পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা, অস্থিরতা বেড়ে গেলে। উজ্জ্বল আলো, ভিড় অসহ্য লাগলে। বমি বমি ভাব, অতিরিক্ত ঘাম ও মাংসপেশির মধ্যে আক্ষেপ অনুভূত হলে। ওষুধ গ্রহণের জন্য তীব্র তাড়না অনুভব করলে।
মুক্তির উপায়?
স্বল্প মাত্রায় ওষুধ সেবন করে থাকলে ধীরে ধীরে বন্ধ করে দিন, আর অধিক মাত্রায় হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ঘুম না এলে কী করবেন?
আপনার ঘুমঘণ্টা নির্ধারণ করুন। সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে চার থেকে ছয় ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ঘুমাতে যান। পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং যথাসম্ভব কোলাহলমুক্ত রাখুন।
ঘুম না এলেও বিছানা ছাড়বেন না, শুয়ে থাকলে ঘুম আসবেই
ঘুম না এলে টিভি দেখা বা অফিসের কাজ করা অথবা কম্পিউটারে গেম খেলা প্রভৃতি থেকে বিরত থাকুন।
মনোরোগবিদ্যা বিভাগ বিএসএমএমইউ/প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’