Tuesday, 20 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

চোখে চোখ রেখে কথা বললে কাজ হয়?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 179 বার

প্রকাশিত: October 26, 2013 | 2:33 PM

প্রচলিত বিশ্বাস হলো, কথা বলা উচিত চোখে চোখ রেখে। এতে কথার ওজন বাড়ে, গ্রহণযোগ্য হয় বক্তব্য। কিন্তু ঠিক এর উল্টো ধারণাই দিয়েছেন দুই জন মনোবিজ্ঞানী ।
মনোবিজ্ঞান বিষয়ে শীর্ষস্থানীয় সাময়িকী সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স-এ সম্প্রতি এ নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড কেনেডি স্কুল অফ গভর্নমেন্ট-এর সহযোগী অধ্যাপক জুলিয়া মিনসন এবং কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিটিশ কলম্বিয়া’র সহযোগী অধ্যাপক ফ্রান্সিস চেন যৌথভাবে এ গবেষণা পরিচালনা করেন। আলাদাভাবে চালানো দুটি গবেষণায় দেখা যায় যে, বক্তা-শ্রোতার মতপার্থক্য থাকলে বক্তা শ্রোতার দিকে সরাসরি না তাকিয়ে কৌণিকভাবে তাকিয়ে কথা বললে অথবা শ্রোতা বক্তার চোখের পরিবর্তে মুখের দিকে তাকিয়ে কথা শুনলে, মতামত বক্তার অনুকূলে আসে বেশি।
প্রথম গবেষণায় ২০ শিক্ষার্থীকে কয়েকটি বিতর্কিত বিষয়ের ওপর বক্তৃতার ভিডিওচিত্র দেখতে দেয়া হয়। গবেষকরা দেখতে পান, যে সকল বক্তা সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে কথা বলেছেন, শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্য গ্রহণ করেননি। অন্যদিকে যে সকল বক্তা কৌণিকভাবে তাকিয়ে কথা বলেছেন, শিক্ষার্থীরা তাদের সাথে একমত হয়েছেন বেশি।
দ্বিতীয় গবেষণা চালানো হয় ৪২ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে। তাদের ৮টি বক্তৃতার ভিডিওচিত্র দেখতে দেয়া হয় যেখানে বক্তারা কথা বলেছেন সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে। এবার গবেষকরা দেখতে পান, কোনো শ্রোতাই বক্তার সাথে একমত হননি। এরপর শিক্ষার্থীদের বক্তার চোখের দিকে না তাকিয়ে মুখের দিকে তাকিয়ে কথা শুনতে বলা হয়। এক্ষেত্রে গবেষকরা দেখতে পান, শিক্ষার্থীরা বক্তার সাথে বেশি একমত হচ্ছেন।
মিনসন এবং চেন জানান, প্রচলিত বিশ্বাসের উল্টো হলেও গবেষণার ফলাফলে আশ্চর্য হননি তারা । কারণ, কেউ যখন দ্বিমত পোষণ করে এবং এক দৃষ্টিতে চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলে, তখন মনে হয়, সে তার ধারণা চাপিয়ে দিতে চাইছে। 
মিনসন বলেন, এখন থেকে আমি যখন কিছু বলতে চাইব, এক দৃষ্টিতে চোখের দিকে না তাকিয়েই বলব।কালের কণ্ঠ
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ