Friday, 23 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

চোরাই ক্রেডিট কার্ডের তথ্য বেচাকেনা : এফবিআইয়ের ফাঁদে আটক ১৩ দেশের ২৪ জন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 35 বার

প্রকাশিত: June 27, 2012 | 8:11 PM

ডেস্ক : ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ১৩টি দেশ থেকে অবৈধভাবে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য পাচারের সঙ্গে জড়িত অন্তত ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো এফবিআইয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে এদের গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে ১১ জন ধরা পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, যুক্তরাজ্যে ধরা পড়েছে ছয়জন। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা গত মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন। বিশ্বের অত্যন্ত সংঘবদ্ধ সাইবার অপরাধীদের ধরার জন্য এফবিআই ২০১০ সালের জুনে ইন্টারনেটে ফাঁদ পাতে। ওই ফাঁদেই ধরা পড়ে এই জালিয়াতরা। এরা চোরাই ক্রেডিট কার্ডের তথ্য কেনাবেচা করছিল।  এফবিআই তাদের অভিযানের নাম দেয় ‘অপারেশন কার্ড শপ’। অভিযানের অংশ হিসেবে এফবিআই ইন্টারনেটে ‘কার্ডার প্রফিট’ নামে ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড প্রদানসংক্রান্ত একটি ভুয়া ফোরাম গড়ে তোলে। পরবর্তী সময়ে এই ফোরামে যারা যোগ দেয়, এফবিআই তাদের আন্তযোগাযোগ ব্যবস্থাটির ওপর নজর রাখা শুরু করে। পাশাপাশি এদের ব্যক্তিগত টেঙ্ট মেসেজ ও আইপি অ্যাড্রেস (ইন্টারনেট প্রটোকল অ্যাড্রেস) রেকর্ড করে। এফবিআই গোয়েন্দারা চুরি হওয়া মোট চার লাখ ক্রেডিট কার্ড শনাক্ত করে। আইনজীবীরা জানান, গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিদের বয়স ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। এদের মধ্যে একজনের নাম মির ইসলাম। অনলাইনে তিনি ‘জশ দ্য গড’ নামে পরিচিত। তিনি একাই ৫০ হাজার চোরাই ক্রেডিট কার্ডের তথ্য কেনাবেচা করেছেন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা ক্রেডিট কার্ডসংক্রান্ত ভুয়া নথিপত্র তৈরিসহ অত্যাধুনিক হ্যাকিং টুলসও সরবরাহ করে থাকে। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৪০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অভিযানের ফলে ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার সাশ্রয় হয়েছে। নিউ ইয়র্কে এফবিআইয়ের সহকারী প্রধান জ্যানিস ফেডারসিক জানান, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার সন্দেহভাজন সাইবার অপরাধীদের লক্ষ্য করে ওই অভিযান চালানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি প্রিট ভারারা এক বিবৃতিতে জানান, ‘ইন্টারনেটের মুখোশের আড়ালে থেকে যেসব চতুর কম্পিউটার অপরাধী অপরাধ করে বেড়াচ্ছে তারা কেউ আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না।’ সূত্র : বিবিসি, আল-জাজিরা।কালের কণ্ঠ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ