Saturday, 20 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

জলবায়ুর কবলে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য :সমাধানের পথ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 150 বার

প্রকাশিত: February 17, 2014 | 3:44 PM

কামরুল ইসলাম চৌধুরী : জলবায়ু পরিবর্তনের কবলে গোটা যুক্তরাষ্ট্র। পূর্ব উপকূল জুড়ে তুষার ঝড়, বন্যা আর হাড় কাঁপানো শীতে বিপন্ন মানুষ। মধ্যাঞ্চলে চলছে খরা ও তাপদাহ। বিমানের হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল এখন নিত্যদিনের ঘটনা। এমন অনিশ্চিত আবহাওয়ার খেয়ালিপনার মধ্যে রওনা দেই যুক্তরাষ্ট্রের পথে। ওয়াশিংটন ডিসির আকাশে সকালের সূর্য উঁকি দিচ্ছে সবে। শূন্য ডিগ্রির হাড় কাঁপানো শীতে পটোমেক নদীর সাদা বরফ জলে পাখির খেলা চলছে। রাস্তাঘাটে মানুষ চলাচল থমকে গেছে। ভাগ্যদেবী সুপ্রসন্ন। জানুয়ারির সাতাশ সকালে মিষ্টি রোদ উঠেছে ওয়াশিংটন ডিসিতে। আমি নির্ধারিত সময়ের দেড় ঘণ্টা আগেই নামতে পেরেছি। ব্রিটেনের সাবেক পরিবেশ মন্ত্রী লর্ড জন গামারের ফ্লাইটতো কয়েক দফা বাতিল হলো। ডিসির আকাশে এসেও তুষার ঝড়ে গোত্তা খেয়ে কয়েক দফা নামতে পারেনি। ফরাসী প্রেসিডেন্টের জলবায়ু উপদেষ্টা মারিয়া হেলেন ওবার্ট প্রচণ্ড শীতে কাবু। গলা দিয়ে স্বর বেরুচ্ছে না। আমরা তিনজনই মার্কিন জাতীয় বিজ্ঞান ও পরিবেশ কাউন্সিলের জলবায়ু সম্মেলনে আমন্ত্রিত বক্তা। সাবেক মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী গভর্নর বিল রিচার্ডসন বিশ্বজুড়ে জলবায়ুর এই খেয়ালিপনার চিত্র তুলে ধরে উদ্বোধনী ভাষণে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশংসা করলেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার আহবান জানালেন।

ব্রিটেনের জলবায়ু কমিটির চেয়ার লর্ড জন তার ভাষণে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ নানা শিল্পোন্নত দেশে জলবায়ু নাস্তিকদের নানা ফন্দি-ফিকির কূটরাজনীতির কথা ও হাস্যরস আর কৌতুকের সঙ্গে চমত্কারভাবে উপস্থাপন করলেন। তিনি মার্গারেট থ্যাচার আর জন মেজরের সময়ে মন্ত্রী ছিলেন। এখন লর্ড সভার সদস্য। বললেন, জলবায়ু পরিবর্তনে প্রয়োজন কঠিন, কঠোর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম। প্রয়োজন নতুন বিশ্ব জলবায়ু সমঝোতা—চুক্তি। কমাতে হবে কার্বন ব্যবহার। বাড়াতে হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি। ব্রিটেন চাইলে ২০৩০ সালের মধ্যে সে দেশে ৬৫ ভাগ কার্বন কমাতে পারে একাই। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮ দেশ ইতোমধ্যে ৪০ ভাগ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। আমি বললাম— ইইউ’র ২৮ দেশই তো ৬৫ ভাগ কমাতে পারে ২০৩০ সালের মধ্যে। ২০২০ সালের মধ্যে ২০ ভাগ কমানোর কথা ইইউ’র। গত বছরেই তোমরা ২০ ভাগ কমিয়ে ফেলেছো। এ ছ’বছর তাহলে কী তোমরা বসে থাকবে? আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন ডেকেছেন। বললাম, সেই সম্মেলন সফল করতে হবে। রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রয়োজন।
ফরাসী প্রেসিডেন্টের জলবায়ু উপদেষ্টা মারিয়া হেলেন ওবার্ট জানালেন, আগামী বছর প্যারিসে জলবায়ু চুক্তি করতে তার দেশ সম্ভাব্য সবকিছু করবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই হাজারেরও বেশি বিজ্ঞানী, শিক্ষক, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক আমাদের নানা প্রশ্ন করলেন। আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিটি জলদি করতে বললেন। মার্কিন এনভায়রনমেন্ট প্রটেকশন এজেন্সির প্রধান মিস গিনা বললেন, প্রেসিডেন্ট ওবামা প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় আশু পদক্ষেপ নেবেন। সম্মেলনে মার্কিন বিজ্ঞানীরা জলাবায়ু সমাধানের নানা পথ বাতলে দেন। তাদের নানা গবেষণার কথা জানান। মার্কিন জলবায়ু নীতির ব্যাপক পরিবর্তন দাবি করেন। বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ুতাড়িত বিপন্নতা ও ঝুঁকি মোকাবেলায় উন্নত দেশগুলোর ঐতিহাসিক দায়ের কথা তুলে ধরেন। জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন ২০১৫ সালে প্যারিসে নয়া জলবায়ু চুক্তি করতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাগিদ দিয়েছেন। বিশ্ব জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় ব্যাপক অর্থায়নও বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। জলবায়ু মনষ্ক উন্নয়নে দ্রুত অর্থায়ন ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন না হলে বিশ্ব অগ্রগতি ও শান্তি ব্যাহত হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
জাতিসংঘ জলবায়ু সনদের ১৯তম অধিবেশনে পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ’তে তিনি এই তাগিদ দিয়েছেন, হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মন্ত্রিপর্যায়ের সম্মেলনে। সম্মেলন সভাপতি পোল্যান্ডের মন্ত্রী করোলেক মারচিনোর সভাপতির ভাষণে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির জরুরি প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার পাশাপাশি জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় অতিদ্রুত ব্যাপক অর্থ সংগ্রহ, অভিযোজন অর্থায়ন জোরদার, কার্বন নিঃসরণ কমাতে নানা উত্স থেকে অর্থায়নও বিনিয়োগের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, নয়া জলবায়ু চুক্তিতে পৌঁছানো খুব সহজ কাজ নয়। ব্যাপক অর্থায়নও এ কঠিন কাজ।
জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা যতো কঠিনই হোক না কেনো, তার সমাধান আমাদের নাগালের বাইরে নয়। বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে জলবায়ু সংকটের সমাধান করতে হবে অতিদ্রুত সময় হারিয়ে যাওয়ার আগে। নইলে হারিকেন স্যান্ডি, সিডর-আইলা আর টাইফুন হাইয়ানের মতো জলবায়ু তাড়িত দুর্যোগ দেশে-দেশে হানা দেবে। জনপদের পর জনপদ হবে লণ্ডভণ্ড। বান কি মুন জানান, জলবায়ু অর্থায়নের ওপর তিনি আগামী সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠক ডেকেছেন। তিনি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব ওয়ারশ’ জলবায়ু সম্মেলনে সরকারি-বেসরকারি অর্থায়ন, গ্রীণ ক্লাইমেট ফান্ড অবিলম্বে চালু এবং প্যারিস চুক্তির আদল আকার কাজ চট জলদি সারতে তাগিদ দেন। কিন্তু বান কি-মুনের সে ডাকে তেমন সাড়া মেলেনি ওয়ারশ’ জলবায়ু সম্মেলনে। এখন অপেক্ষা আগামী সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠেয় শীর্ষ পর্যায়ের অর্থায়ন সম্মেলন।
ওয়ারশ’ জলবায়ু সম্মেলনে বান কি মুন দফায় দফায় মন্ত্রিপর্যায়ের নানা বৈঠক ও শলাপরামর্শে ব্যস্ত সময় কাটান। ওয়ারশ’ পৌঁছেই তিনি আসেন ১৩৪ উন্নয়নশীল দেশের জোট ৭৭-জাতি মন্ত্রিপর্যায়ের প্লেনারিতে ১৯ নভেম্বর সাত সকালে। পৌনে ৯টায় তার আসার কথা থাকলেও বান কি মুন সোয়া ৮টায় সম্মেলনস্থল ওয়ারশ’ স্টেডিয়ামের প্লেনারি হলে এসে পৌঁছান। নানা দেশের মন্ত্রী-প্রতিনিধিদের সঙ্গে করমর্দন ও কুশল বিনিময় করেন ঘুরে ঘুরে। আমার কাছে জানতে চান বাংলাদেশের জলবায়ু পরিস্থিতি, সংকট মোকাবেলায় আমাদের নানা উদ্যোগের কথা।
৭৭-জাতি গোষ্ঠীর সভাপতি ফিজির মন্ত্রী বৈঠকের শুরুতে সূচনা বক্তা হিসেবে আমাকে ডাকলে আমি বান কি মুনকে উন্নত দেশগুলোর রাষ্ট্রনায়কদেরকে অধিকতর জলবায়ু মনষ্ক উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণের ব্যাপারে জোর পরামর্শ দেয়ার ডাক দেই। ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি করতে হলে ধনী দেশগুলোকে আগামী বছরের মধ্যে তাদের কার্বন ব্যবহার কমানোর অঙ্গীকার করতে হবে। ২০১০-১২ সালের ফাস্ট স্টার্ট ফাইনান্সের পরবর্তী অর্থায়নের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি জানাতে হবে কার্বন নিঃসরণকারী ধনী দেশগুলোকে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত আর অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় অভিযোজন অর্থায়ন, প্রশমন অর্থায়ন, প্রযুক্তি আর ক্যাপাসিটি তৈরি সহায়তা জরুরিভাবে জোগাতে হবে। এ অর্থায়ন হবে শর্তবিহীন, অনুদান, সহজ ও সুলভ আর বর্তমান বৈদেশিক সাহায্যের অধিক ও অতিরিক্ত। কারণ, ধনী শিল্পোন্নত দেশগুলোর কার্বন নিঃসরণের জন্যই আজ বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত, দ্বীপরাষ্ট্র আর উন্নয়নশীল দেশগুলো চরম জলবায়ু ঝুঁকিতে গোত্তা খাচ্ছে। দায়ী না হয়েও বাংলাদেশ-ফিলিপাইনকে হারিকেন , সিডর-আইলা-মহাসেন আর টাইফুন হাইয়ানের আঘাত সইতে হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে। এ জন্য উন্নত দেশগুলোকে দায় স্বীকার করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহায়তায় দ্রুত এগিয়ে আসতে হবে। বান কি মুনকে সে ব্যাপারে জোর উদ্যোগ নিতে হবে।
বিশ্ব বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ লর্ড স্যার নিকোলাস স্টার্ন সম্মেলনে উচ্চ পর্যায়ের অর্থায়ন প্লেনারিতে উন্নত দেশগুলো থেকে সরকারি অর্থায়ন উন্নয়নশীল দেশগুলোতে দ্রুত পৌঁছে দেয়ার তাগিদ দিয়ে বলেন, বেসরকারি অর্থায়নের বাধাগুলোও অপসারণ করতে হবে। ডেনমার্কের মন্ত্রী মার্টিন লিডেগাড ও উগান্ডার মন্ত্রী মারিয়া কিওযালেকার সঞ্চালনায় উচ্চ পর্যায়ের এই অর্থায়ন সংলাপে জার্মান মন্ত্রী পিটার আলট মায়ার উন্নত দেশগুলোর অঙ্গীকারকৃত ১০০ বিলিয়ন ডলার দেয়ার জন্য মন্ত্রী ও প্রতিনিধিদের পরামর্শ দেন। তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলেতে জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় বেসরকারি বিনিয়োগ পাঠাতেও অনুরোধ জানান। ওয়ারশ’ সম্মেলনের এই সংলাপে যুক্তরাজ্যের মন্ত্রী এ্যাডওয়ার্ড ডাবি স্বল্পোন্নত দেশগুলোর তহবিল আর বায়োকার্বন তহবিলে ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ড প্রদানের ঘোষণা দিলে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর শীর্ষ নেগোসিয়েটার হিসেবে সম্মেলনের প্লেনারিতে আমি স্বাগত ও ধন্যবাদ জানাই। যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য দেশকে অধিকতর সহায়তা প্রদানের দাবি জানাই। নরওয়ের মন্ত্রী টিনে সানড্রপ তার দেশের জলবায়ু অর্থায়ন কমপক্ষে ২০১০-১২ সালের পর্যায়ে থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দিলেও ২০২০ সাল পর্যন্ত কী পরিমাণ অর্থায়ন নরওয়ে করবে সে ঘোষণা দেননি। যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু দূত টড স্টার্ন জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় অর্থায়ন সংগ্রহে তার দেশের নানা উদ্যোগের কথা বলেন। কিন্তু তিনি আগামী কয়েক বছরে কতো জলবায়ু অর্থায়ন তার দেশ থেকে আসবে সে কথা জানাননি।
স্যার নিকোলাস স্টার্ন ওয়ারশ’তে জাতিসংঘ প্রথম বার্ষিক অভিযোজন ফোরামের উদ্বোধনী অধিবেশনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন। তিনি জানান, এক দশক আগে জলবায়ু তাড়িত প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি বছরে ২০০ বিলিয়ন ডলার ছিলো। এখন তা বেড়ে বছর প্রতি ৩০০ থেকে ৪০০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। খুব দ্রুত ও কার্যকর কার্যক্রম হাতে নেয়া না হলে বিশ্বজুড়ে এমন জলবায়ু তাড়িত ক্ষয় ও ক্ষতির অংক হু হু করে বেড়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। তাই প্রয়োজন সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই চটজলদি প্যারিস চুক্তির ব্যাপারে বিশ্ব নেতাদের মতৈক্য। জলবায়ু অর্থায়নে বড় রকমের তহবিল জোগাড়। দ্বিতীয় অভিযোজন ও প্রশমন কার্যক্রম গ্রহণ ও দ্রুত বাস্তবায়ন। জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন কী পারবেন আগামী কয়েক মাসে বিশ্ব নেতাদের এক করতে? ওয়ারশ’ জলবায়ু সম্মেলনে কয়েক নিশিরাতের সঙ্গী ড. এম আসাদুজ্জামান, রিয়াজ হামিদুল্লাহ ও জিয়াউল হক সে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় আমাকে। ইইউ কমিশনার এবং ডেনমার্কের সাবেক মন্ত্রী বন্ধু কনি হেভেগার্ড আমাকে আশ্বস্ত করলেন বান কি মুনের উদ্যোগ সফল হবে। অনেক দিনের বন্ধু কনির সে আশ্বাসে বলি, ধন্য আশা কুহকিনি।ইত্তেফাক
লেখক :জাতিসংঘ জলবায়ু অভিযোজন কমিটির
সদস্য, এফইজেবি ও আফেজ চেয়ারম্যান 
ই-মেইল— [email protected]

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV