জাতিসংঘের পরিবেশ-বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জাতিসংঘের পরিবেশ-বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রীকে এই পুরস্কার দেয়া হয়। ‘পলিসি লিডারশিপ’ ক্যাটাগরিতে তিনি এ পুরস্কার পেয়েছেন। জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশন উপলক্ষে নিউ ইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার পুরস্কারটি গ্রহণ করেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থার পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) নির্বাহী পরিচালক অ্যাচিম স্টেইনার শেখ হাসিনার হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন। পরিবেশ বিষয়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৪ সাল থেকে জাতিসংঘ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দিয়ে আসছে। নীতি নির্ধারণ, বিজ্ঞান, ব্যবসা ও সুশীল সমাজ- ওই চার ক্যাটিগরিতে পুরস্কার দেয়া হয়। এ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার বন রক্ষায় নিয়োজিত নারী সেনা দল ব্ল্যাক মাম্বা এন্টি পোচিং ইউনিট, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি, ব্রাজিলের প্রসাধন কোম্পানি নাচুরা ব্রাজিল এই পুরস্কার পেয়েছে।
হাসিনা ‘অনুপ্রেরণাদায়ক’ নেতা; ইউনেপ নির্বাহী: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘অনুপ্রেরণাদায়ক’ নেতা আখ্যা দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তার প্রশংসা করেছেন ইউনেপ নির্বাহী পরিচালক অ্যাচিম স্টেইনা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুরস্কার তুলে দেয়ার পর তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কাজ করার প্রয়োজনীয়তা শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন। বাংলাদেশ হচ্ছে প্রথম দেশ যারা জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং আরও অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নিউ ইয়র্কের হোটেল সিপ্রিয়ানি লো স্পেসিয়ালিতায় বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় শেখ হাসিনাসহ চারজন পরিবেশ বিষয়ক নেতার হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। বাসস জানিয়েছে, পুরস্কার গ্রহণ করে শেখ হাসিনা তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বিশ্ব যখন সকলের জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যতের কথা বলে তখন আমরা আমাদের পৃথিবীর সুরক্ষা ও লালনের লক্ষ্যে অঙ্গীকারে আমাদের দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত। তার পাওয়া পুরস্কারকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জনগণের চেতনা ও সহিষ্ণুতার একটি স্বীকৃতি হিসাবে উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আমার জনগণের পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ করছি। তাদের সমর্থন ছাড়া এ অর্জন পুরোপুরি অসম্ভব ছিল। চলতি বছরের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির (ইউনেপ) গুডউইল অ্যাম্বাসেডর অভিনেতা আয়ান সোমারহালডার, মডেল গিসেল বুন্ডশেন ও অভিনেত্রী নিকি রীড। অনুষ্ঠানে নতুন গৃহীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ সমর্থন করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বাংলাদেশ কখনও বিদেশী তহবিলের জন্য অপেক্ষা করেনি। এ জন্য উন্নত দেশগুলো পর্যাপ্ত অর্থ দেয়ার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার বজায় রাখেনি। তিনি বলেন, তার সরকার নিজস্ব বাজেট থেকে ঝুঁকি মোকাবিলার লক্ষ্যে ব্যবস্থা রেখেছে। বাংলাদেশের জনগণ সময়োচিত দায়িত্ব হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সুরক্ষায় বিশ্বাসী জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলা ব-দ্বীপে শত শত বছরে বাঙালির বিশ্বাস, চর্চা ও সংস্কৃতি থেকে তা উঠে এসেছে। জলবায়ু পরিবর্তনে প্রতিকূল প্রভাব স্বীকার করে নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার ২০০৯ সাল থেকে বিদ্যমান হুমকি মোকাবিলার লক্ষ্যে নিজস্ব সম্পদ আহরণ ও জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে চলেছে। বাংলাদেশের উদ্ভাবনী জনগণ ও স্থানীয় সমাধান জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য এনেছে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশের ৪০ লাখ বাড়িতে সোলার সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে এ দেশ এখন বিশ্বে প্রথম ‘সোলার জাতি’ হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি জনসংখ্যার প্রবৃদ্ধির হার ছাড়িয়ে গেছে। ফলে ১৬ কোটি মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। এটি উন্নয়নের আরেকটি অভূতপূর্ব নজির। ইউনেপ নির্বাহী পরিচালক অ্যাচিম স্টেইনার বলেন, এই সপ্তাহান্তে আমরা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত প্রত্যক্ষ করেছি। ১৯৩টি দেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ গ্রহণ করার মাধ্যমে এই পৃথিবী ও তার মানুষের জন্য একটি টেকসই পথে অগ্রসর হওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এটি একটি বড় সাফল্য তবে এখন কঠিন কাজ শুরু করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশের সকল দিক সমন্বিত করে গৃহীত ১৭টি লক্ষ্য অর্জনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে।
এসডিজি বাস্তবায়নে ‘কার্যকর জলবায়ু চুক্তি’ প্রয়োজন: এদিকে রোববার জাতিসংঘ সদর দফতরে ২০১৫-পরবর্তী উন্নয়ন এজেন্ডা বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলনে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি আসন্ন প্যারিস সম্মেলনে জলবায়ু চুক্তি কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, মানুষের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা (এসডিজি) বাস্তবায়নে জলবায়ু চুক্তি সহায়ক হবে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্যারিসে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের সকল উন্নয়ন কর্মসূচি ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ সকল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে এবং মানুষের বর্তমান ও ভবিষ্যতের নিরাপত্তায় নতুন করে জলবায়ু চুক্তি করতে হবে। গাম্বিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ব্রাজিল, ভেনেজুয়েলা, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া, কাতার, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর ও সৌদি আরবের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগণও বক্তব্য রাখেন। শেখ হাসিনা বলেন, এসডিজি এজেন্ডা-২০৩০ গ্রহণ একটি বিশাল অর্জন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নতুন বৈশ্বিক এজেন্ডার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৭ম পঞ্চমবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী ২০৩০ সালের জন্য একটি গণমুখী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য গ্রহণে অবদানকারী সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের একটি সার্বজনীন উন্নয়ন এজেন্ডা গ্রহণ খুবই জটিল কাজ। এজন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট এজেন্ডা গ্রহণের সময়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তার উপস্থিতির উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গত ১৫ বছরে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছে। শেখ হাসিনা দারিদ্র্য বিমোচন, শিশু মৃত্যুহার হ্রাস ও সংক্রামক রোগসহ এমডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, এমডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তর করতে পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্য লাভে মূলচালিকা শক্তি ছিল তার সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ সম্পদ অর্জন করেছে এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষমতা অর্জন ও জনগণের ক্ষমতায়ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কিছু সমাধান এবং অভিজ্ঞতা এখন বৈশ্বিক সমাধানের অংশ হয়েছে। এখন আমরা অবশ্যই এজেন্ডা-২০৩০ এবং আদ্দিস আবাবা অ্যাকশন এজেন্ডার পূর্ণ ও কার্যকর বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে আর্থিক, প্রযুক্তি, সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং ঋণ সহায়তা প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক শাসন নিশ্চিত করব। শেখ হাসিনা অধিবেশনে এসডিজি গ্রহণের ক্ষেত্রে যেমন সহমর্মিতা দেখানো হয়েছে, তেমনি আসন্ন প্যারিস সম্মেলনে জলবায়ুচুক্তিকে অর্থবহ করতে সংশ্লিষ্ট মহল একই ধরনের আচরণ ও প্রতিশ্রুতি দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
শেখ হাসিনার জাতিসংঘ ভাষণে যা থাকছে: আগামীকাল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা। তার ভাষণে কি থাকছে? তা নিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসস একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে এ বছর জাতিসংঘের চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ পুরস্কার গ্রহণ করে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন শেখ হাসিনা। আর এ জন্য তার ভাষণের খসড়ার প্রস্তুতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈশ্বি নিরাপত্তা, শাসন ব্যবস্থা, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য, অভিবাসী শ্রমিক, জলবায়ু পরিবর্তন, ও সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ জাতিসংঘে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সামনে তার বক্তৃতায় ব্যাপক প্রাধান্য পাবে। চলতি বছর শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ব্যাপক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মধ্যে জাতিসংঘে তিনি এ ভাষণ দিতে যাচ্ছেন। ওই প্রতিবেদনে বৃটিশ প্রভাবশালী দৈনিক গার্ডিয়ানে প্রকাশিত বিভিন্ন রিপোর্ট, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) এর জরিপের বিভিন্ন রেফারেন্সের উল্লেখ রয়েছে।
সংবর্ধনায় ঢাকা-নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট চালুর ঘোষণা: ওদিকে রোববার নিউ ইয়র্কের হোটেল হিলটনে তার সম্মানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকা থেকে নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে কিছু আইনি সমস্যা সমাধানে তার সরকার অব্যাহত প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিমানের এখন পর্যাপ্ত আধুনিক বোয়িং এয়ারক্রাফ্ট রয়েছে। কিন্তু নিউ ইয়র্কের জেকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট চালুতে কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে। ঢাকা-নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট চালু হলে এসব সমস্যার সমাধান হবে। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কষ্টার্জিত স্বাধীনতা ফলপ্রসূ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান। বাংলাদেশ তার নিজের শক্তিতে দাঁড়াতে চায়- এ কথা উল্লেখ করে তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি সবখানে- সব সময় দেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান। বাংলাদেশে সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদের কোন স্থান নেই- উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র অর্জনে যাদের কোন অবদান নেই, দেশের প্রতিও তাদের কোন দরদ থাকবে না। তারা দেশকে ধ্বংস করতে চায়। ব্রুকলিন থেকে নির্বাচিত মার্কিন কংগ্রেসওম্যান ইভেট ক্লার্ক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. দীপু মনি, ড. হাছান মাহমুদ, আবদুস সোবহান গোলাপ ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক চন্দন দত্ত প্রমুখ এতে বক্তৃতা করেন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মশিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নূরুল ইসলাম, প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি ও শাহরিয়ার আলম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ