Sunday, 25 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

জাতিসংঘে বাংলাদেশ’র প্রধানমন্ত্রীর শান্তি মডেল পাস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 133 বার

প্রকাশিত: December 18, 2012 | 4:24 PM

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশ’র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ এবং ‘শান্তির সংস্কৃতি’ শীর্ষক দুটি প্রস্তাব জাতিসংঘে পেশ করার মধ্য দিয়ে ‘শান্তিকেন্দ্রিক উন্নয়নের’ যে মডেল তুলে ধরেছিলেন, তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় গত সোমবার বিকেলে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্র প্রস্তাব দুটি সমর্থন করে। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। খবর বাসসের। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাধারণ পরিষদের এক সভায় সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সমর্থনে ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ প্রস্তাব পাস হয়। এরপর ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাবটি রেজুলেশন আকারে পাস করা হয়। প্রস্তাব দুটির প্রথমটি শেখ হাসিনা গত বছর জাতিসংঘের ৬৬ ও ৬৭তম অধিবেশনে এবং পরেরটি আওয়ামী লীগের ক্ষমতার বিগত মেয়াদে ২০০১ সালে উত্থাপন করেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রস্তাব পাস হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আবদুল মোমেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘বিষয়টি ঐতিহাসিক। কারণ, এ রেজুলেশন লিপিবদ্ধ হওয়ার সময় শেখ হাসিনার নামও উল্লেখ করা হয়েছে, যা সচরাচর ঘটে না।’ প্রস্তাবের সাতটি বিশেষ বিষয় তুলে ধরে আবদুল মোমেন বলেন, ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’—এই তত্ত্বটি রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ‘দার্শনিক মাইলস্টোন’ হিসেবে কাজ করবে। আবদুল মোমেন প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবের সামগ্রিক দিক এবং রেজুলেশন আকারে গ্রহণের পর এর কার্যকারিতা কী হবে, তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত আগস্টে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন এবং গত জুনে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত রাইয়ো প্লাস ২০ সম্মেলনে ‘কী ধরনের বিশ্ব চাই আমরা’ শীর্ষক আলোচনার পর শেখ হাসিনার ওই মডেল আন্তর্জাতিক মহলে সমাদৃত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত অধিবেশনের রেজুলেশনকে আরও যুগোপযোগী করে আবারও পাস করা হলো বলে মোমেন জানান। আবদুল মোমেন আরও জানান, জাতিসংঘের ৬৬ ও ৬৭তম সাধারণ অধিবেশনের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ তত্ত্ব তুলে ধরেন। সমাজ-রাষ্ট্রের সাতটি বিশেষ উপাদানের আন্তসম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ তৎপরতার মাধ্যমে মানুষের আত্মোন্নয়ন, ক্ষমতায়ন ও স্থিতিশীল উন্নয়ন এবং শান্তি নিশ্চিত করার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার এই তত্ত্বে মানুষের ক্ষমতায়নের জন্য দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই, বৈষম্য নিরসন, বঞ্চনা রোধ, সবার জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সমাজের বিশেষ নজরে আনা, শ্রমবাজারে আগতদের দক্ষ করে গড়ে তোলা, শিক্ষার প্রসার ও শ্রেণী বিভাজনভিত্তিক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে সামগ্রিকভাবে গোটা জনগোষ্ঠীর সরকার পরিচালনায় ভূমিকা রাখার প্রয়াস চালানো এবং তাদের আন্তর্জাতিক আইন মান্য করার পাশাপাশি সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামী করে গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। আবদুল মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই তত্ত্বের মূল দর্শন হচ্ছে দারিদ্র্য ও দারিদ্র্য অভিগামিতা থেকে মানুষের মুক্তি নিশ্চিত করা গেলে সমাজ-রাষ্ট্রে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রীর ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাবটি আওয়ামী লীগ সরকারের আগের মেয়াদের শেষ দিকে ২০০১ সালে প্রথম উপস্থাপিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ‘শান্তির সংস্কৃতি দশক’ বিশ্বব্যাপী উদ্যাপিত হয়। ২০০১ থেকে প্রতিবছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করে আসছে এবং তা প্রতিবছরই সর্বসমঞ্চতিক্রমে গৃহীত হয়ে আসছে। এ বছরের প্রস্তাবে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক প্রতিবছর আয়োজন করার বিধান রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ