Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

জাতিসংঘ ও মিয়ানমারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্বারককে স্বাগত যুক্তরাষ্ট্র’র

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 179 বার

প্রকাশিত: June 8, 2018 | 2:52 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : জাতিসংঘ ও মিয়ানমারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্বারককে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘের দুটি এজেন্সি  ও মিয়ানমার সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্বারককে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করে মিয়ানমার সরকারকে উৎসাহিত করা হয়েছে জাতিসংঘের ওই দুটি এজেন্সি ইউএনএইচসিআর এবং ইউএনডিপির সঙ্গে প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য। যাতে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান নেতৃত্বাধীন এডভাইজরি কমিশন অন রাখাইন স্টেটের করা সব সুপারিশ বাস্তবায়ন করা যায়। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিদার নুয়েদার এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া নির্যাতিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে, মর্যাদার সঙ্গে, মিয়ানমারে স্থিতিশীল প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার মতো পরিবেশ সৃষ্টিতে ইউএনএইচসিআর, ইউএনডিপি এবং মিয়ানমার সরকার যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তার প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের আদি জন্মস্থান যা-ই হোক না কেন এবং তারা যে স্থানকেই বেছে নিক না কেন তা ধর্তব্যের মধ্যে আনা যাবে না।

হিদার নুয়েদার বলেন, এটা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। আমরা এই সমঝোতা চুক্তিকে একটি আস্থা গঠনের পদক্ষেপ হিসেবে দেখছি যাতে, যদি তা বাস্তবায়িত হয় তাহলে মিয়ানমারে আক্রান্ত সব সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা অনুমোদন করবে। মিয়ানমারকে সহায়তা করবে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ সৃষ্টি করতে। এতে সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে সহায়তা হবে। রাখাইনে বসবাসকারী সব সম্প্রদায়ের সুবিধার জন্য হবে স্থিতিস্থাপক উন্নয়ন। 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV