জাপানে ভূমিকম্প ও সুনামির আঘাতে ৩০ হাজার কোটি ডলারের বেশি ক্ষয়ক্ষতি
ইউএসএনিউজ ডেস্ক : ভূমিকম্প ও সুনামির আঘাতে জাপানের ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক মূল্য ৩০ হাজার কোটি ডলারের বেশি।সোমবার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট সলুশন কোম্পানি এ তথ্য দেয়। অন্যান্য কোম্পানি ও সংস্থার সঙ্গে বীমা কোম্পানি তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রাথমিক মূল্যায়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মোট ক্ষয়ক্ষতির অন্তত ২০ শতাংশ এসব বীমা কোম্পানিকে বহন করার কথা। যা প্রায় ১৫০ কোটি ডলার। খবর বিবিসি ও ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল অনলাইনের।তবে বীমা কোম্পানির সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে। বীমা কোম্পানিগুলোর দাবি সুনামি এবং ভূমিকম্পের ক্ষতির চেয়ে পারমাণবিক কেন্দ্রের বিস্ফোরণের কারণে সম্পদ ও জীবনহানি বেশি ঘটেছে। পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো পরিচালনা করছে সরকার। সে কারণে আর্থিক ক্ষতি সরকারকেই বহন করা উচিত বলে তাদের দাবি। সব উৎস থেকে পূর্ণাঙ্গ তথ্য নেওয়ার পর ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১১ মার্চ এ দুর্যোগের পরদিন বিভিন্ন তথ্যের বরাত দিয়ে ক্ষতি ১০ ট্রিলিয়ন ইয়েনের সমপরিমাণ ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছিলেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা। তবে এ ক্ষতি ছাড়াও বিশ্বের তৃতীয় এ অর্থনৈতিক শক্তি দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন বলে সতর্ক করেছিলেন তারা।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী জাপানে আর্থিক ক্ষতি ৭০ কোটি ডলার। তবে কিস্তির দিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বীমা কোম্পানি ফ্রান্সভিত্তিক মিউনিখ রি এবং হ্যানোভার রি দুর্যোগের ১০ দিন পর গত সোমবার জানিয়েছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি যে, এখনও তার আর্থিক মূল্য নিরূপণ করার মতো সময় আসেনি।ব্রিটেনের বার্কলেস ক্যাপিটাল বলেছে, জাপানে তাদের কোম্পানির শেয়ারের ক্ষতি ২০০ কোটি ডলারের মতো। তবে এ ক্ষতি সহজে মিটিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছে তারা।এদিকে বিশ্ব ব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, জাপানের ঘটনায় সারাবিশ্বের সাপ্লাই চেইনে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। পূর্ব এশিয়ার দেশ থেকে বিশ্ববাজারে রফতানি কমে যাবে অন্তত ১ দশমিক ৫ শতাংশ হারে। এছাড়া জাপানের ঘটনায় বিশ্ব অর্থনীতির ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে তার কারণে এতদিনের প্রাক্কলিত এ বছরের ৪ দশমিক ৪ শতাংশের প্রবৃদ্ধিও হারাবে বিশ্ব অর্থনীতি। তবে প্রবৃদ্ধি নিয়ে আইএমএফের পূর্বাভাসকে আগেও অবাস্তব বলেছে বিশ্বব্যাংক।এদিকে জাপানের বিশ্ববিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা এবং নিশান মটরস, হোন্ডা মটরস এবং সাবারুসহ সব মোটর কোম্পানির শিল্প প্লান্ট বন্ধ রয়েছে। কবে নাগাদ এসব কারখানা খুলে দেওয়া যাবে এ বিষয়ে কিছু জানাতে পারছেন না কোম্পানির কর্মকর্তারা।
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের