জেবিবিএ নির্বাচন ‘কূটকৌশল’ নিয়ে এগুচ্ছে উপদেষ্টা পরিষদ!
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস এসোসিয়েশনের (জেবিবিএ) আসন্ন নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে ‘কূটকৌশল’ নিয়ে এগুচ্ছে উপদেষ্টা পরিষদ। তাদের এই ‘কৌশলের’ লক্ষ্য হিসাবে যা প্রতীয়মান হচ্ছে তা হলো গতবারের পরাজিত সভাপতি প্রার্থী আবুল ফজল মুহাম্মদ দিদার ও তার সাথে সংশ্লিষ্টদের বিজয়ী করা। এই লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই তারা একটি ছক তৈরি করেছেন বলে জানা গেছে। উপদেষ্টা পরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য সাংবাদিকদের কাছে এ ছক নিয়ে কথাও বলেছেন। ওই উপদেষ্টা বলেন, জেবিবিএ’তে যা চলছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। ২৯ ডিসেম্বর গঠনতান্ত্রিকভাবে উপদেষ্টা পরিষদের কাছে ক্ষমতা চলে আসার পর দৃশ্যপট বদলে যাবে। এর পর উপদেষ্টা পরিষদ একটি সাধারণ সভার (এজিএম) আয়োজন করবে। এ সভায় সাধারণ সদস্যদের ‘ম্যান্ডেট’ নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। এতে ১৯৫ জন ভোটার হয়েছেন। এর মধ্যে অন্তত ৫০ জন প্রকৃত ব্যবসায়ী নন। গঠনতন্ত্রের বাধ্যবাধকতার কারণে আমরা অন্যদের নিয়ে এজিএম করতে পারব না। কিন্তু এই ১৯৫ জনকে সাধারণ সভায় আমন্ত্রণ জানাতে পারবো। এর মধ্যে প্রকৃত ব্যবসায়ী নন এমন অন্তত ৫০জন হয়তো সভায় আসবে না। কিন্তু ১৪০জন থেকে ১৫০ জন উপস্থিত হবেন। এই ১৫০ জনের মধ্যে অধিকাংশ সদস্যই আমাদের কথা রাখবেন। ফলে ওই সাধারণ সভায় আমরা তাদের ‘ম্যান্ডেট’ পাব।
ওই উপদেষ্টা বলেন, আমরা সাধারণ সভায় ‘ম্যান্ডেট’ পাওয়ার পর নতুন করে সদস্য হওয়ার আহ্বান জানাব। প্রয়োজনে সংস্কার করবো নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হলে এখন যে ১৯৫ জনের কথা শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে অন্তত ৫০ জন বাদ যাবে। অন্য প্যানেলের হাতে ১০০-এর অধিক ভোটার রয়েছে। তারা যদি ভোটার হন তাহলে দিদার প্যানেলের জয় নিশ্চিত হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। ওই উপদেষ্টা বলেন, জেবিবিএতে সব সময় গ্রোসারি মালিকরাই কর্তৃত্ব করেছে। এবারও তাই হবে।
প্রভাবশালী ওই উপদেষ্টা বলেন, এখন যারা ‘লাফালাফি’ করছেন তারাই সেদিন নির্বাচনে আসবে না। কারণ তাদের কোন ভোটারই থাকবে না। বর্তমান কার্যকরী কমিটির বিরুদ্ধে বিরূপতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, তাদের এখন আর কিছুই করার থাকছেনা। তারা চাইলে আগেই নির্বাচন দিয়ে দিতো পারতো। কিন্তু এখন আর সময় নেই। নির্বাচন কমিশনও তফসিল ঘোষণা করেনি। ২৯ ডিসেম্বরের পর এ কার্যকরী কমিটি ‘বিগত’ হয়ে যাবে এমন মন্তব্য করে ওই উপদেষ্টা সজোরে করে হেসে ওঠেন।
তিনি বলেন, ২৯ ডিসেম্বরের পর এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে অর্থ দিয়ে যারা সদস্য হয়েছেন তাদের অধিকাংশই সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিতে চাইবেন। অর্থ ফেরত চাইবেন।
এদিকে জেবিবিএ সূত্রে জানা গেছে তাদের সদস্য নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৬ ডিসেম্বর মধ্যরাত (রাত ১২টা) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২৩১টি সদস্য ফরম জমা পড়েছে। বিগত নির্বাচনে ভোটার ছিল ২৫৭ জন। এবার নির্বাচনে সম্ভাব্য একটি প্যানেলের প্রার্থীরা সদস্য ফরম জমা দেননি। তারা কার্যকরী কমিটির কাছে কয়েক দফা সময় বাড়ানোর দাবি আদায় করে শেষ অব্দিও কেন সদস্য ফরম জমা দেননি সে রহস্য নিয়ে জ্যাকসন হাইটসের ব্যবসায়ী মহলে নানা ধরনের জল্পনা চলছে। উল্লেখ্য তাদের দাবী অনুযায়ী কার্যকরী কমিটি তিন দফা সময় বাড়িয়েছে।
এ ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের জন্য যত সংখ্যক সদস্য প্রয়োজন তা তারা সংগ্রহ করতে পারেননি। এ কারণে তারা সদস্য ফরমই নেননি। এর আগে একটি গ্রুপের সম্ভাব্য সভাপতি প্রার্থী শাহ নেওয়াজ ও তার প্যানেলের প্রার্থীরা জেবিবিএ’র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ২ শতাধিক সদস্য ফরম নবায়ন করে নিয়ে আসেন। অপরদিকে আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম ও তার সমর্থকরা সদস্য ফরম নবায়ন কাজে সক্রিয় ছিলেন না। কার্যকরী কমিটির কর্মকর্তাদের অন্তর্বিরোধকে কাজে লাগিয়ে ‘দিদার গ্রুপ’ দাবি-দাওয়া নিয়েই ব্যস্ত ছিল বেশি। যে উদ্দেশ্যে তারা এই ভূমিকা নিয়েছেন তা হলো এই কমিটির মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে উপদেষ্টাদের তত্ত্বাবধানে নির্বাচনে অংশ নেয়া। কিন্তু কার্যকরী কমিটির কর্মকর্তারা তাদের মেয়াদ বহাল থাকতেই (গঠনতন্ত্র অনুযায়ী) ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং নির্বাচন কমিশন গঠনে অনড় ভূমিকায় ছিলেন। এক সময় কমিটির কর্মকর্তাদের মধ্যে বিরোধ কমে আসে। ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির ১০ কর্মকর্তাই এক কাতারে চলে আসেন। ফলে সংগঠনিক কর্মকান্ড পরিচালনায় কোন বেগ পেতে হয়নি কমিটিকে। সর্বশেষ উপদেষ্টারাও ১৬ ডিসেম্বর মধ্য রাত অব্দি সদস্য নবায়নের সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেছিলেন কমিটির কর্মকর্তাদের কাছে। কমিটির কর্মকর্তারা সকলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে এই অনুরোধ রক্ষা করেছেন। তাতেও কাজ হয়নি। সংগঠনের উপদেষ্টারা তাদের নিজেদের সদস্য নবায়ন ফরম জমা দিয়েছেন। এই সদস্য ফরম যাচাই-বাছাইয়ের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা কার্যকরী কমিটি নির্বাচন কমিশনের কাছে হস্তান্তর করবে বলে সূত্র জানিয়েছেন।। নির্বাচন কমিশন এরপর নির্বচনের তফসিল ঘোষণা করবে। এদিকে উপদেষ্টাদের কূটকৌশলের কথা জানাজানি হওয়ার খবরে সাধারণ সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তারা বলছেন, গ্রোসারি ব্যবসায়ীরা জেবিবিএ নিয়ন্ত্রণ করবে তা হবে না। অন্য ব্যবসায়ীদের ছোট করে দেখলে তাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে। আজকাল
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!