জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণা : ‘ক্লিনটন, বুশ এবং ওবামা কথা রাখেন নি, তিনি রেখেছেন’ বললেন ট্রাম্প
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেম ঘোষণার মত একটি বিতর্কিত ও একতরফা সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিজের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন বলে জানালেন। টুইটারে তার তিন উত্তরসূরির নির্বাচনি প্রচারণায় জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দেয়ার ভিডিও পোস্ট করে ট্রাম্প জানান, ‘তারা কথা রাখেন নি, তিনি রেখেছেন।’
ওই ভিডিওতে ট্রাম্প দেখান, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, জর্জ জব্লিউ বুশ এবং বারাক ওবামা নিজ নিজ নির্বাচনী প্রচারণায় জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও মার্কিন দূতবাস তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে সরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন।
ট্রাম্প লিখেন, ‘আমি আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছি, অন্যরা করে নি।’ যদিও বারাক ওবামা তার প্রচারণায় জেরুজালেমে দূতাবাস স্থানান্তরের কোন কথা সরাসরি উল্লেখ করেন নি তবে তিনি জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে সম্বোধন করেছিলেন।
২০০০ সালে নির্বাচনী প্রচারণায় বুশ বলেছিলেন, ‘আমি ক্ষমতায় যাওয়ার পরপরই মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করব, যে শহরকে ইসরায়েল নিজেদের রাজধানী হিসেবে পছন্দ করেছে।’
ভিডিওতে ট্রাম্প নিজের ক্যাম্পেইনে জেরুজালেম ঘোষণার প্রতিশ্রুতি ও ওভাল অফিসে সেই স্বীকৃতি দেয়ার ফুটেজও যুক্ত করেন। ট্রাম্প আরো বলেন, ‘আমার অগ্রজদের সাহসের অভাব ছিল।’
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলে মার্কিন দূতাবাস তেলআবিব থেকে সরিয়ে জেরুজালেমে নেওয়ার একটি আইন পাশ হয় ১৯৯৫ সালে। কিন্তু সেই আইনে আরো বলা হয়েছিল প্রেসিডেন্ট চাইলে জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক শান্তির খাতিরে এই আইন ছয়মাস পর্যন্ত স্থগিত রাখতে পারেন। এরপর থেকে যত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় এসেছেন তারা ওই আইনের সুযোগে প্রতি ছয় মাস অন্তর এই বিলটি স্থগিতের আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। কিন্তু বুধবার ট্রাম্প এই আইনে স্বাক্ষর করেন। এর পরপরই বিশ্বজুড়ে নিন্দাও সমালোচনার শিকার হন ট্রাম্প। বিশেষ করে, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদে ফেটে পড়ে মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম দেশগুলো।
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার