টাকার দাম বেড়েছে আরও

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অব্যাহত হস্তক্ষেপের পরও টাকার বিপরীতে দাম ধরে রাখতে পারছে না মার্কিন ডলার। ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা রুপির দর যেখানে কমছে; সেখানে বাড়ছে টাকার মান। রফতানি আয়, রেমিটেন্স এবং বিদেশি সাহায্য বাড়ায় টাকার মান বাড়ছে বলে মনে করছেন জ্যেষ্ঠ গবেষক জায়েদ বখত।
আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারেই ডলার-টাকার বিনিময় হার ৭৭ টাকা ৫০ পয়সার নিচে নেমে এসেছে। ব্যাংকগুলো ৭৭ টাকারও কম দরে ডলার কিনছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রাখার পরও পড়ে যাচ্ছে এর দর।
বিআইডিএস-এর গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখত বলেন, আমদানি ব্যয় বাড়ার পরও কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ২২ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ মজুত রয়েছে। এই রিজার্ভ দিয়ে সাত মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। বাংলাদেশের পেক্ষাপটে বিশাল অংকের এই রিজার্ভই টাকাকে শক্তিশালী করছে।
গত বৃহস্পতিবার ৭৭ টাকা ৪৮ পয়সা দরে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এপ্রিল মাসের শেষের দিকে এর দর ছিল ৭৭ টাকা ৭৫ পয়সা। এ হিসাবে গত তিন মাসে ডলারের বিপরীতে টাকার দর ২৭ পয়সা বা দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে প্রায় এক বছর এই একই জায়গায় স্থির ছিল ডলারের দর। মে মাসের শেষের দিকে ডলারের দর কমে ৭৭ টাকা ৬৫ পয়সায় নেমে আসে। গত দুই-আড়াই মাসে তা আরও কমে ৭৭ টাকা ৪৮ পয়সায় নেমে এসেছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক বৃহস্পতিবার ৭৬ টাকা ৯৩ পয়সায় ডলার কিনেছে। বিক্রি করেছে ৭৮ টাকা ১৫ পয়সায়। এইচএসবিসি ৭৮ টাকা ১০ পয়সায় ডলার বিক্রি করেছে; কিনেছে ৭৬ টাকা টাকা ৭৬ পয়সায়। অন্য ব্যাংকগুলোও ৭৭ টাকার কম দরে ডলার বিক্রি করেছে। তবে কিনেছে ৭৮ টাকার উপরে।
জায়েদ বখত বলেন, রফতানিকারক ও রেমিটারদের (যারা রেমিটেন্স পাঠান) উত্সাহ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ফ্লোটিং মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করে টাকা-ডলারের বিনিময় হার ধরে রেখেছিল। ডলারের দর যাতে না পড়ে যায় সেজন্য দিনের পর দিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনেছে। আমদানি ব্যয় বাড়ার পরও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স, রফতানি আয় এবং বিদেশি সাহায্য বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে কেনার পরও কমছে এর দর। শক্তিশালী হচ্ছে টাকা। ‘ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতেই বাজার থেকে ডলার কেনা হচ্ছে’ উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ এন্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, রেমিটেন্স এবং রফতানি আয়ের ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতেই ডলার কেনা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৭ জুলাই পর্যন্ত (১ জুলাই থেকে ৭ অগাস্ট) ২৭ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৫১৫ কোটি ডলার কেনা হয়। ২০১২-১৩ অর্থবছরের কেনা হয়েছিল ৪৭৯ কোটি ডলার। ২০১২ সালের প্রথম দিকে এই ডলারের দর বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে ৮৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।
২০০৩ সালে দেশে ভাসমান মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা (ফ্লোটিং) চালু হয়। অর্থাত্ বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়। এর আগ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার-টাকার বিনিময় হার ঠিক করে দিত। সে দরেই ডলার লেনদেন হতো।
ডলারের দর কমে গেলে রফতানি আয় ও রেমিটেন্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি-না এ প্রশ্নের উত্তরে জায়েদ বখত বলেন, বেশি কমে গেলে প্রভাব পড়বে। তবে এ বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। ডলারের দর কমার ইতিবাচক দিকও আছে। আমদানি পণ্যের দাম কম পড়ে। ২০১২ সালের প্রথম দিকে এই ডলারের দর বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে ৮৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। এরপর থেকে তা কমতে কমতে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে ৮০ টাকার নিচে নেমে আসে।
অন্যদিকে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া শনিবার ৬১ টাকা ৫৫ পয়সায় (রুপি) ডলার কিনেছে। মে মাস শেষে রুপি : ডলারের বিনিময় হার ছিল ৫৯ টাকা। এ হিসাবে দুই মাসে ডলারের বিপরীতে রুপির দর কমেছে ৪ শতাংশের মতো।
২০১৩ সালের আগস্টে রুপির বিপরীতে ডলারের দর বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে ৬৮ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ২০১২ সালের মে মাসে ডলার-রুপির গড় বিনিময় হার ছিল ৫৪ টাকা। বৃহস্পতিবার দিন শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের পরিমাণ ছিল ২২ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার। গত ৭ এপ্রিল অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। বাজার থেকে ডলার কেনা রিজার্ভ বাড়ায় ভূমিকা রেখেছে বলে জানান জায়েদ বখত।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য রফতানি করে ৩০ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। যা ২০১২-১৩ অর্থবছরে চেয়ে ১২ শতাংশ বেশি।
জুলাই মাসে ১৪৮ কোটি ২৪ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা একক মাসের হিসাবে অতীতের যে কোন মাসের চেয়ে বেশি। যদিও ২০১৩-১৪ অর্থবছরে আগের বছরের চেয়ে ১ দশমিক ৬ শতাংশ রেমিটেন্স কম এসেছিল। গত অর্থবছরে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিদেশী সাহায্য দেশে এসেছে। যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।
২০১৩-১৪ অর্থবছরে বিভিন্ন বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানির জিন্য ৩৮ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারের এলসি (ঋণপত্র) খোলা হয়েছে। যা ২০১২-১৩ অর্থবছরের চেয়ে ১২ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।বিডিনিউজ
আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারেই ডলার-টাকার বিনিময় হার ৭৭ টাকা ৫০ পয়সার নিচে নেমে এসেছে। ব্যাংকগুলো ৭৭ টাকারও কম দরে ডলার কিনছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রাখার পরও পড়ে যাচ্ছে এর দর।
বিআইডিএস-এর গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখত বলেন, আমদানি ব্যয় বাড়ার পরও কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ২২ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ মজুত রয়েছে। এই রিজার্ভ দিয়ে সাত মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। বাংলাদেশের পেক্ষাপটে বিশাল অংকের এই রিজার্ভই টাকাকে শক্তিশালী করছে।
গত বৃহস্পতিবার ৭৭ টাকা ৪৮ পয়সা দরে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এপ্রিল মাসের শেষের দিকে এর দর ছিল ৭৭ টাকা ৭৫ পয়সা। এ হিসাবে গত তিন মাসে ডলারের বিপরীতে টাকার দর ২৭ পয়সা বা দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে প্রায় এক বছর এই একই জায়গায় স্থির ছিল ডলারের দর। মে মাসের শেষের দিকে ডলারের দর কমে ৭৭ টাকা ৬৫ পয়সায় নেমে আসে। গত দুই-আড়াই মাসে তা আরও কমে ৭৭ টাকা ৪৮ পয়সায় নেমে এসেছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক বৃহস্পতিবার ৭৬ টাকা ৯৩ পয়সায় ডলার কিনেছে। বিক্রি করেছে ৭৮ টাকা ১৫ পয়সায়। এইচএসবিসি ৭৮ টাকা ১০ পয়সায় ডলার বিক্রি করেছে; কিনেছে ৭৬ টাকা টাকা ৭৬ পয়সায়। অন্য ব্যাংকগুলোও ৭৭ টাকার কম দরে ডলার বিক্রি করেছে। তবে কিনেছে ৭৮ টাকার উপরে।
জায়েদ বখত বলেন, রফতানিকারক ও রেমিটারদের (যারা রেমিটেন্স পাঠান) উত্সাহ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ফ্লোটিং মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করে টাকা-ডলারের বিনিময় হার ধরে রেখেছিল। ডলারের দর যাতে না পড়ে যায় সেজন্য দিনের পর দিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনেছে। আমদানি ব্যয় বাড়ার পরও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স, রফতানি আয় এবং বিদেশি সাহায্য বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে কেনার পরও কমছে এর দর। শক্তিশালী হচ্ছে টাকা। ‘ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতেই বাজার থেকে ডলার কেনা হচ্ছে’ উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ এন্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, রেমিটেন্স এবং রফতানি আয়ের ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতেই ডলার কেনা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৭ জুলাই পর্যন্ত (১ জুলাই থেকে ৭ অগাস্ট) ২৭ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৫১৫ কোটি ডলার কেনা হয়। ২০১২-১৩ অর্থবছরের কেনা হয়েছিল ৪৭৯ কোটি ডলার। ২০১২ সালের প্রথম দিকে এই ডলারের দর বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে ৮৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।
২০০৩ সালে দেশে ভাসমান মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা (ফ্লোটিং) চালু হয়। অর্থাত্ বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়। এর আগ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার-টাকার বিনিময় হার ঠিক করে দিত। সে দরেই ডলার লেনদেন হতো।
ডলারের দর কমে গেলে রফতানি আয় ও রেমিটেন্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি-না এ প্রশ্নের উত্তরে জায়েদ বখত বলেন, বেশি কমে গেলে প্রভাব পড়বে। তবে এ বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। ডলারের দর কমার ইতিবাচক দিকও আছে। আমদানি পণ্যের দাম কম পড়ে। ২০১২ সালের প্রথম দিকে এই ডলারের দর বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে ৮৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। এরপর থেকে তা কমতে কমতে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে ৮০ টাকার নিচে নেমে আসে।
অন্যদিকে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া শনিবার ৬১ টাকা ৫৫ পয়সায় (রুপি) ডলার কিনেছে। মে মাস শেষে রুপি : ডলারের বিনিময় হার ছিল ৫৯ টাকা। এ হিসাবে দুই মাসে ডলারের বিপরীতে রুপির দর কমেছে ৪ শতাংশের মতো।
২০১৩ সালের আগস্টে রুপির বিপরীতে ডলারের দর বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে ৬৮ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ২০১২ সালের মে মাসে ডলার-রুপির গড় বিনিময় হার ছিল ৫৪ টাকা। বৃহস্পতিবার দিন শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের পরিমাণ ছিল ২২ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার। গত ৭ এপ্রিল অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। বাজার থেকে ডলার কেনা রিজার্ভ বাড়ায় ভূমিকা রেখেছে বলে জানান জায়েদ বখত।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য রফতানি করে ৩০ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। যা ২০১২-১৩ অর্থবছরে চেয়ে ১২ শতাংশ বেশি।
জুলাই মাসে ১৪৮ কোটি ২৪ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা একক মাসের হিসাবে অতীতের যে কোন মাসের চেয়ে বেশি। যদিও ২০১৩-১৪ অর্থবছরে আগের বছরের চেয়ে ১ দশমিক ৬ শতাংশ রেমিটেন্স কম এসেছিল। গত অর্থবছরে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিদেশী সাহায্য দেশে এসেছে। যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।
২০১৩-১৪ অর্থবছরে বিভিন্ন বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানির জিন্য ৩৮ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারের এলসি (ঋণপত্র) খোলা হয়েছে। যা ২০১২-১৩ অর্থবছরের চেয়ে ১২ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।বিডিনিউজ
সর্বশেষ সংবাদ
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
- নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব
- Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
- যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট
- Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan