Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

টিনএজারদের হতাশার কারণ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 30 বার

প্রকাশিত: April 19, 2014 | 12:23 AM

হতাশা একটি মানসিক রোগ। যে কোনো বয়সেই হতাশা মানুষকে গ্রাস করতে পারে। তবে সাধারণত উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীদেরই এ রোগে ভোগার পরিমাণ বেশী। এ বয়সে মানুষের স্বপ্নের পরিধি থাকে বিশাল আর তা ভেঙে গেলে সেই মানসিক চাপ নেবার ক্ষমতা অধিকাংশ তরুণ-তরুণীদেরই থাকে না।

কিছু লক্ষণ দেখলে সহজেই বোঝা সম্ভব আপনার সন্তানটি হতাশায় ভুগছে কিনা-

১. সারাক্ষণই মন খারাপ থাকা এবং নিজেকে অসহায় মনে করা

২. রাগের পরিমাণ মাত্রারিক্ত বেড়ে যাওয়া

৩.  নিজেকে পরিবার, বন্ধু-বান্ধব সবকিছু থেকে গুটিয়ে নেওয়া

৪. আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া

৫. সবকিছু থেকে মনোযোগ হারিয়ে ফেলা

৬. ওজন হ্রাস পাওয়া

৭. ঘুম ও খাবারের অভ্যাসে পরিবর্ত‌ন

৮. নিজেকে সবসময়ই ক্লান্ত অনুভব করা

৯. সেলফ ডিসট্রাকটেড ও আত্মহত্যার চিন্তা সর্ব‌ক্ষণ করা

উপরের লক্ষণগুলো যদি কারো মধ্যে দেখা যায় তবে নিঃসন্দেহে সে হতাশা রোগে আক্রান্ত। তবে এর মধ্যে যে কোনো একটি/দুটি লক্ষণ দেখা গেলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। আপনার সন্তানটি যদি হতাশাগ্রস্ত হয়ে থাকে অবশ্যই তাকে চিকিৎসা করানো প্রয়োজন। যদি তার যথাযথ চিকিৎসা না হয় তাহলে এর ফলাফলটাও যথেষ্ট ভয়াবহ হতে পারে! যেমন- পড়াশুনা ও অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে সে পিছিয়ে পরতে পারে। সবার সাথে হয়ত সঠিক সম্পর্ক‌ বজায় রেখে চলতে না পারবে না। যৌনতা বিষয়ক সমস্যা হতে পারে। সর্বো‌পরি যে কোনো সময় আত্মহত্যার মতো ধ্বংসাত্মক কর্ম‌কান্ডে লিপ্তও হতে পারে।বাংলাদেশ প্রতিদিন 

 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV