Friday, 19 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’
সব ক্যাটাগরি

ট্যাটুর কারণে মা-ছেলের পুনর্মিলন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 194 বার

প্রকাশিত: October 19, 2013 | 12:56 PM

ডেস্ক: ২৪ বছর আগে মুম্বই রেল স্টেশনে মানুষের ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিলেন। বয়স তখন মাত্র ৬। ১৯৮৯ সালে বাবা-মা’র থেকে আলাদা হওয়ার পর প্রথমে কিছুদিন এক মাছচাষির তত্ত্বাবধানে পরে দুটি এতিমখানায় বড় হয়ে ওঠেন গণেশ রঘুনাথ ধাংগাড়ে। ভাগ্যের পরিহাসে গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে চার মাস অচেতন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর আঘাতের কারণে পরিবার, বাবা-মা’র কথা ঠিকমতো মনে করতে কষ্ট হয় তার। তারপরও নিজ পরিবারকে খুঁজে বের করতে হাল ছাড়েননি তিনি। বছরের পর বছর ধরে পুলিশ স্টেশনগুলোতে হারানো ব্যক্তিদের তালিকা খুঁজে ফেরেন। অবশেষে ২০১১ তে নিজেই পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। নিজ বাবা-মাকে খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা কখনই বাদ দেননি বলে জানালেন গণেশ। তার কাছে ক্লু ছিল একটাই। ডান হাতে তার মা’র নাম লেখা একটি ট্যাটু। সেখান থেকে মা’র নাম ‘মান্ডা’ এতটুকু তথ্য নিশ্চিত হয়ে মাকে খুঁজে ফেরেন তিনি। গাড়ি দুর্ঘটনার পর তাদের বাসার ঠিকানা ভুলে গিয়েছিলেন। প্রথম যে এতিমখানায় ছিলেন সেখানে দেয়া তথ্য থেকে সেটা খুঁজে বের করতে সক্ষম হন তিনি। সেখানে দেশের বাড়ির নাম দিয়েছিলেন, মামা ভাঞ্জা। এলাকাটি মুম্বইয়ের পার্শ্ববর্তী একটি জেলার অরণ্যের মধ্যে অবস্থিত। এ মাসের শুরুতে গণেশ তার সহকর্মীদেরকে সঙ্গে নিয়ে তার মাকে খুঁজতে সেখানে যান। খুঁজতে খুঁজতে কেউ একজন তাদেরকে পাহাড়ের উপরে একটি কুঁড়েঘরের দিকে নির্দেশ করে দেন। সেখানে মান্ডা নামক এক বৃদ্ধা দীর্ঘদিন ধরে বাস করে আসছে বলে জানতে পারেন তারা। ভদ্র মহিলাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি মনে করে বলেন, অনেক বছর আগে তিনি তার এক ছেলেকে হারিয়েছিলেন। নিশ্চিত হওয়ার জন্য গণেশ তাকে প্রশ্ন করেন, ওই ছেলেকে শনাক্ত করার মতো কোন চিহ্ন আছে কিনা। হাতে একটি ট্যাটু ছিল বলে জবাব দেন তিনি বিন্দুমাত্র কালক্ষেপণ না করে গণেশ সঙ্গে সঙ্গে তার ডান হাতের ট্যাটুটি দেখাতেই তার মা মুহূর্তেই চিনতে পারে এই তার ২৪ বছর আগে হারানো ছেলে। কিছুক্ষণের জন্য নেমে আসে অখণ্ড নীরবতা। পর মুহূর্তেই দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরেন। অশ্রুসজল হয়ে ওঠে মা-ছেলে দুজনের চোখ। গণেশ এখন যতটা সম্ভব সময় দেন তার মা ও ফিরে পাওয়া দুই ভাই ও একমাত্র বোনকে। গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনা প্রবাহ এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় বলে জানালেন গণেশ।মানবজমিন 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV