ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে রোডম্যাপ তৈরি বাংলাদেশের
মিজানুর রহমান : ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে রোডম্যাপ তৈরি করছে ঢাকা। সমপ্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এ নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন। পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে সমন্বিত উপস্থাপনা (কমিপ্রহেনসিভ প্রেজেন্টেশন) দেন মন্ত্রণালয়ের আমেরিকাস অনুবিভাগের মহা-পরিচালক আবিদা ইসলাম। জ্যেষ্ঠ ওই কূটনীতিক দু’বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে দেখভাল করছেন। আর ৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডনাল্ড ট্রাম্প জয় পাওয়ার পরপরই দেশটি সফর করে এসেছেন পররাষ্ট্র সচিব। কর্মকর্তারা বলছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার ৪ মাসেও প্রশাসন সাজানোর কাজটি পুরোপুরি শেষ হয়নি। বিশেষত স্টেট ডিপার্টমেন্টের মধ্যম সারির কর্মকর্তাদের নিয়োগ এখনো সম্পন্ন হয়নি। প্রশাসন সাজানোর চলমান প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ, সুনির্দিষ্টভাবে বললে স্টেট ডিপার্টমেন্টের রাজনীতি বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি এবং উপ-সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে কারা নিয়োগ পাচ্ছেন তাদের খোঁজখবর নেয়া এবং সম্পর্ক তৈরির চেষ্টার তাগিদ এসেছে কর্মকর্তাদের পর্যালোচনা বৈঠক থেকে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানানো থেকে শুরু করে তার অধীন প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরিতে ঢাকা এ পর্যন্ত যা করেছে তা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ছিল উল্লেখ করে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এসবের ধারাবাহিকতা রক্ষার তাগিদ দেন। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে চলতি মাসে ঢাকার প্রথম বৈঠকে (টিকফা বৈঠক) যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকারের দাবির পক্ষে অকাট্ট যুক্তি তুলে ধরা হয়। বৈঠকে আগামীর পথ চলার বিষয়ে দুই দেশের কর্মকর্তারা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। টিকফা বৈঠকের সূত্র ধরে সেগুনবাগিচার কর্মকর্তারা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ঢাকায় প্রথম বৈঠকে যে আলোচনা হয়েছে দীর্ঘ মেয়াদে এর ফল পাওয়া যাবে। প্রত্যক্ষভাবে বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন কোনো নীতি ট্রাম্প প্রশাসন এখনো নেয়নি। তবে বাংলাদেশে দেয়া আর্থিক সহায়তার বাজেট কমানো, বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিলে প্রতিশ্রুত অর্থ ছাড় না করা এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের বাজেট কাটছাঁটের প্রস্তাবে উদ্বিগ্ন ঢাকা। কর্মকর্তারা মনে করেন সহায়তা কমানো সংক্রান্ত বাজেট প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ২১ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা ১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলারে নেমে আসবে। আর এতে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অনুদানেও ভাটা পড়বে। তবে হলি আর্টিজানে নৃশংস জঙ্গি আক্রমণের পর এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকারের সক্রিয়তা এবং সন্ত্রাস ও উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স নীতি মার্কিন মুল্লুকে প্রশংসা পেয়েছে। ফলে এখানে জঙ্গিবাদ দমনে মার্কিন সহায়তা আরো বাড়ার আভাস মিলেছে। প্রস্তাবিত মার্কিন বাজেটে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সচল রাখতে নতুন করে আরো ৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার বরাদ্দ দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব প্রস্তাব ও উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন দেশীয় কূটনীতিকরা।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল