ডায়ানার মৃত্যুর সঙ্গে বৃটিশ সামরিক বাহিনীর জড়িত থাকার অভিযোগ
রেফায়েত হোসাইন: বৃটেনের প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নতুন ষড়যন্ত্র তত্ত্বের আভাস পাওয়া গেছে। তার মৃত্যুর সঙ্গে এবার বৃটিশ সামরিক বাহিনীর জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। সিএনএন এক রিপোর্টে জানিয়েছে, বৃটিশ স্পেশাল ফোর্সের এক অজ্ঞাতনামা স্নাইপার বেশ দম্ভের সঙ্গে তার স্ত্রীকে বলেছিলেন, ১৯৯৭ সালের ৩১শে আগস্ট প্রিন্সেস ডায়ানা, তার বন্ধু দোদি আল ফায়েদ ও গাড়িচালকের মৃত্যুর সঙ্গে এলিট বৃটিশ স্পেশাল এয়ার সার্ভিস কমান্ডো ইউনিট জড়িত। সিএনএন এ সংবাদের সূত্র হিসেবে সানডে পিপলস পত্রিকার ওয়েবসাইটের এক রিপোর্টকে উদ্ধৃত করেছে। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ওই স্নাইপারের বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর তার শ্বশুর-শাশুড়ির হাতে লেখা ৭ পৃষ্ঠার একটি চিঠি সানডে পিপলসের হাতে এসেছে। এ চিঠিতেই এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা গেছে। তবে সানডে পিপলস তাদের সংবাদের কোন সূত্র উল্লেখ করেনি। তারা ওই স্নাইপার বা তার শ্বশুর-শাশুড়িরও নাম প্রকাশ করেনি। তবে এ চাঞ্চল্যকর সংবাদে আরও দাবি করা হয়েছে, ডায়ানার মৃত্যুতে বৃটিশ সামরিক বাহিনীর সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি বৃটিশ পুলিশ খুব ভালভাবে নেয়নি। তারা কেবল বলেছেন, বিষয়টির প্রাসঙ্গিকতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা তারা খতিয়ে দেখছেন। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে। সেখান থেকে কেবল বলা হয়েছে, কর্মকর্তারা নতুন এ দাবি খতিয়ে দেখবেন। একই সঙ্গে বৃটিশ পুলিশ এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে তারা বিষয়টি পুনঃতদন্ত করে দেখবেন না। রাজপরিবারের এক মুখপাত্র বলেছেন, এ ব্যাপারে প্রিন্স উইলিয়াম বা প্রিন্স হ্যারি অথবা ক্ল্যারেন্স হাউস থেকে কোন মন্তব্য করা হবে না। প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে ১৯৯৬ সালে প্রিন্সেস ডায়ানার ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছিল। এরপর দোদি আল ফায়েদের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়। ২০০৮ সালে বৃটেনের একটি জুরি রায় দিয়েছিলেন যে, নেশাগ্রস্ত চালকের অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানার কারণেই ডায়ানাসহ অন্যদের মৃত্যু ঘটেছে। এ মৃত্যুর জন্য পাপারাজ্জিদেরকেও দায়ী করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরও এ মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নানা ষড়যত্রের অভিযোগ থেমে থাকেনি। অনেকেই এ মৃত্যুর পেছনে বৃটিশ ও ফরাসি গোয়েন্দা সংস্থার হাত ছিল বলে মনে করেন। অনেকে আবার মনে করেন, ডায়ানার মৃত্যুর পেছনে রাজপ্রাসাদের সদস্যদেরও ষড়যন্ত্র ছিল। আর দোদির বাবা মোহাম্মদ আল ফায়েদ দাবি করেন, বৃটেনের নির্দেশেই তার ছেলে ও প্রিন্সেস ডায়নাকে হত্যা করা হয়েছে।মানবজমিন
- New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election
- ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights
- নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে
- দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ব্রঙ্কসে ‘সেলিম-আলী’ পরিষদের সমাবেশ; মামলার কারণে আর্থিক ক্ষতি ও ভোটাধিকার ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ
- নিউইয়র্কে আ্যসালের ১৯তম বার্ষিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত; শ্রমিক অধিকার, নাগরিক ক্ষমতায়ন ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের অঙ্গীকার
- নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন
- হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান