ডেমোক্রেটদের জাতীয় কনভেনশনে হিলারিকে বন্ধু বললেন মিশেল
যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটদের জাতীয় কনভেনশনের মধ্যমণি হয়ে উঠেছিলেন ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামা। সোমবার সম্মেলনের শুরুতেই আবেগঘন বক্তব্য রাখেন তিনি। সুচিন্তিত রাজনৈতিক বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। তার স্বামী, প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ‘লেগ্যাসি’র পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরলেন। ওবামার উত্তরসূরি হতে চাইছেন হিলারি ক্লিনটন। তার প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন দিলেন মিশেল। হিলারিকে যিনি পরাজিত করতে চাইছেন তাকে পরিত্যাগ করার কথা বললেন। তিনি আহ্বান জানালেন, কোনো ব্যক্তিকে বলার সুযোগ দেবেন না যে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রেট নয়। এর মধ্য দিয়ে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। মিশেল ওবামা যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ফিলাডেলফিয়ার হলঘর ভরে যায় বেগুনি রঙের প্ল্যাকার্ডে। তাতে লেখা ‘মিশেল’। এ সময় এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সূচনা হয়। তার মাঝে মিশেল বলেন, একজন প্রেসিডেন্টের কাজ হলো আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সৃষ্টি করা। বারাক ওবামা তার প্রেসিডেন্সির মেয়াদে সেই কাজটিই করেছেন। এই নির্বাচনে আমরা সেই দিকেই যেতে চাই। মিশেল বলেন, কোনো ডেমোক্রেট নন, কোনো রিপাবলিকান নন, কোনো ডান বা বাম নন, দোরগোড়ায় এই নির্বাচনে আমাদেরকে নির্ধারণ করতে হবে আগামী চার থেকে আট বছর আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের ক্ষমতা কার হাতে তুলে দেয়া হবে। আমি এমন মাত্র একজনকেই চিনি, যিনি এই দায়িত্ব নিতে পারেন। তিনি হলেন আমাদের বন্ধু হিলারি ক্লিনটন।
হিলারি ক্লিনটনের বিষয়ে এতটা উষ্ণতা মিশেল ওবামার সবসময়ই ছিলো, তেমনটা নয়। ২০০৮ সালে তারই স্বামী বারাক ওবামার বিরুদ্ধে যথেষ্ট লড়াই করেছেন হিলারি। কিন্তু মিশেল ওবামার এ প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন বার্নি স্যান্ডার্স সমর্থকদের এক বার্তা দিতে, যারা সম্মেলনস্থলে হিলারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যাচ্ছিল। মিশেল বলেন, ‘আট বছর আগে তিনি যখন মনোনয়ন পাননি, তখন তিনি রেগে যাননি বা হতাশ হননি। হিলারি ব্যাগ গুছিয়ে বাড়ি চলে যাননি। কারণ, একজন সত্যিকার জনগণের সেবক হিসেবে হিলারি জানেন এটি তার ব্যক্তিগত প্রত্যাশা ও হতাশার চেয়েও আরো বড় জিনিস।’
তিনি আরো বলেন, ‘হিলারি একটি বিষয় বোঝেন: প্রেসিডেন্সি একটি, শুধুমাত্র একটি বিষয়কেন্দ্রিক। এটা হলো আমাদের সন্তানদের জন্য আরেকটু ভালো কিছু করে রেখে যাওয়া।’ তবে ফার্স্টলেডির বেশির ভাগ বক্তব্য সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ছিল ট্রামেপর বিরুদ্ধে।
তিনি বলেন, ‘যখন আমার মেয়ে ও সব সন্তানের জন্য কী ধরনের প্রেসিডেন্ট চাই, তা ভাবি, তখন আমি এমন প্রেসিডেন্ট চাই যিনি জানেন যে, প্রেসিডেন্ট যেসব বিষয়ের মুখোমুখি তা এতটা সাদামাটা নয়। ১৪০ শব্দে সেসব সমাধা করা যায় না। কারণ, আপনার হাতে নিউক্লিয়ার কোড থাকবে ও নেতৃত্বে থাকবে সেনাবাহিনী। তখন আপনার চামড়া এত হালকা হলে চলবে না। সবকিছুর দিকে তেড়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকলে চলবে না। আপনাকে ধীর সুস্থির হতে হবে, ভালো জানাশোনা থাকতে হবে।’
নিজের বক্তব্যের শেষদিকে এসে তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠি এমন ঘরে, যেটি কিনা বানিয়েছে দাসরা। আমি দেখি আমার দুই মেয়ে, যারা কিনা সুন্দর বুদ্ধিমতী দুই কৃষ্ণাঙ্গ তরুণী, তারা হোয়াইট হাউসের লনে তাদের কুকুরকে নিয়ে খেলছে। হিলারি ক্লিনটনের কারণেই, আমার মেয়েরা, ও আমাদের সবার ছেলেমেয়েরা এখন এটি ধরেই নিতে পারে যে, একজন নারীও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে পারে।’ মানবজমিন
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া