Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

ড. নীনা আহমেদ জয়ী হতে পারেননি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 117 বার

প্রকাশিত: May 17, 2018 | 6:15 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : এক লাখ ৮২ হাজার ২৩৩ ভোট পেয়েও জয়ী হতে পারলেন না ড. নীনা আহমেদ। ভোটের সংখ্যা আরো বাড়তো যদি বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টর্নেডো আঘাত না হানতো। তার ভোট ব্যাংক ছিল ফিলাডেলফিয়া মেট্র এলাকা। সেখানেই আছড়ে পড়েছিল এ দুর্যোগ। ‘এ জন্যে খেটে খাওয়া মানুষেরা কাজ শেষে ভোট কেন্দ্রে যাবার চেয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে বাসায় সময় কাটানোকেই শ্রেয় ভেবেছেন’-বলেন ড. নীনা।

পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের বর্তমান লে. গভর্ণর মাইক স্টাককে পেছনে ফেলেছেন প্রথম প্রজন্মের বাংলাদেশী-আমেরিকান ড. নীনা। তবে নীনার চেয়ে এক লাখ ৫ হাজার ভোট বেশী পেয়ে ডেমক্র্যাটিক পার্টির নমিনেশনের যোগ্য হয়েছেন জন ফিটারমেন। ফিটারমেনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার তেমন নেই। ২০১৬ সালে ইউএস সিনেটেও লড়ে হেরেছেন। কিন্তু কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে তার আধিপত্য রয়েছে। সে জোরেই ভোটারদের কাছে টানতে সক্ষম হয়েছেন বলে নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। অপরদিকে, ড. নীনা সময় পেয়েছেন মাত্র ১১ সপ্তাহ। এই সময়ের মধ্যে বিশাল এই অঙ্গরাজ্যের অনেক এলাকাতেই যেতে সক্ষম হননি। ভরসা ছিল মাত্র টিভি বিজ্ঞাপণের ওপর। এছাড়া, ড. নীনা যেহেতু রাজনীতির ময়দানে পরিবর্তনের স্লোগান দিয়েছেন, সেজন্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মত কারো বিরুদ্ধে কিছু বলতে যাননি।
১৫ মে মঙ্গলবার এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সারা আমেরিকার প্রবাসীরাই এ নির্বাচন নিয়ে বেশ কৌতুহলী ছিলেন। কারণ এই প্রথম কোন বাংলাদেশী অঙ্গরাজ্যভিত্তিক কোন পদে লড়ছেন প্রধান একটি রাজনৈতিক দলের টিকিটের জন্যে।

ফলাফল জানার পর ড. নীনার সাথে কথা হয় এনআরবি নিউজের এ সংবাদদাতার। তিনি বলেন, ‘আমি মোটেও হতাশ নই। তবে প্রকৃতি যদি বিরূপ আচরণ না করতো তাহলে ভোট আরো বাড়তো।’ ড. নীনা বলেন, ‘আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ প্রবাসী বাংলাদেশীসহ অভিবাসী সমাজের প্রতি। কারণ, তাদের সমর্থনেই এতটুকু আসতে সক্ষম হয়েছি।’

সামনের পরিকল্পনা কি জানতে চাইলে ড. নীনা বলেন, ‘যারা আমার প্রেরণার উৎস, যারা আমাকে সাপোর্ট দিয়েছেন, তাদের সাথে শীঘ্রই একটি বৈঠকে মিলিত হয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব। তবে ইতিমধ্যেই পেনসিলভেনিয়া ডেমক্র্যাটিক পার্টির নেতারা যোগাযোগ করেছেন। তারাও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন পরবর্তী প্রক্রিয়ায়।’

নিজ নির্বাচনী অফিসে জড়ো হওয়া সমর্থকদের সাথে কথা প্রসঙ্গে ড. নীনা বলেন, ‘আপনারা মন খারাপ করবেন না। আপনারা বিগত কয়েক মাস আমার জন্য যে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, আমার জন্য নির্বাচনি তহবিল সংগ্রহ করেছেন, বুদ্ধি, পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন, তার প্রতিদান আমি কখনো দিতে পারবোনা। আপনারা আমার সাথে একইভাবে সারা জীবন থাকবেন, আমিও আপনাদের সাথে সুখে-দুঃখে থাকতে চাই।’

‘এই নির্বাচনে শিক্ষার মাধ্যমে আমরা আমাদের ভুল ভ্রান্তিগুলি দূর করতে পারবো । আর আমরা প্রবাসে যদি এইভাবে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে পারি, তাহলে আমরা যে কোন বাধাবিপত্তিই অতিক্রম করে আরও বড় কিছু অর্জন করতে পারবো’-উল্লেখ করেন ড. নীনা।

তিনি এক পর্যায়ে আবেগ আপ্লূত হয়ে বলেন, ‘নির্বাচিত হতে পারলে প্রবাসি বাংলাদেশীদের জন্য আমার অনেক কিছুই করার ইচ্ছা ছিল। তবে আমি হাল ছাড়ছি না। সেটা এখন আমি প্রশাসনের বাইরে থেকেই করবো।’নিনা তার পরিবারের সদস্য, বিশেষ করে তার স্বামী, দুই মেয়ে, তার নির্বাচনি সহকর্মিদের ধন্যবাদ জানান এবং তাদের সাহায্য ছাড়া এই পথ চলা তার জন্য কঠিন হয়ে যেত বলে উল্লেখ করেন।

এদিকে, তার নির্বাচনী ক্যাম্পেইন টিমের অন্যতম কর্মকর্তা ড. ইবরুল চৌধুরী বলেছেন, আমরা খুবই খুশী যে, বড় অংকের ভোট পেয়েছেন সারা রাজ্যব্যাপি নির্বাচনে। তিনি জয়লাভ না করলেও আমরা গৌরববোধ করছি ৫ প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় হবার জন্যে। অপর কর্মকর্তা মফিজুল হক বলেন, ‘ড. নীনার মাধ্যমে আমরা সারা পেনসিলভেনিয়ায় নিজেদের পরিচিতি ও অবস্থানকে সংহত করতে সক্ষম হয়েছি।’

ড. নীনার অন্যতম সমর্থক নিউইয়র্ক কম্যুনিটির নেতা ফখরুল আলমও একইভাষায় এনআরবি নিউজকে বলেছেন, ‘ড. নীনার এই ভোট পাবার ঘটনা প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশীরাও সকল পর্যায়েই বহুজাতিক এ বিশ্বে নিজেদের যোগ্যতা প্রদর্শনে সক্ষম। এখন সময় হচ্ছে নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যামাইকা এলাকা থেকে কংগ্রেসে ডেমক্র্যাটিক প্রাইমারিতে বাংলাদেশী মিজান চৌধুরীকে জয়ী করার। এজন্যে সকলকে সবকিছুর উর্দ্ধে উঠার অনুরোধ রাখছি।’ অভিযোগ রয়েছে, মিজান চৌধুরী লড়ছেন কংগ্রেসম্যান গ্রেগরী মিক্স এর পদ কেড়ে নেয়ার জন্যে। কারণ, বাংলাদেশীরা কখনোই তেমন মর্যাদা পান না জ্যামাইকান বংশোদ্ভ’ত গ্রেগরী মিক্স’র কাছে। এনআরবি নিউজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV