ঢাকা-নিউইয়র্ক সাংবাদিকদের আড্ডা
নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস্থ খাবার বাড়ির পালকি সেন্টারে রোববার রাতে বসেছিল ঢাকা ও নিউইয়র্কের সাংবাদিকদের আড্ডা। ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা প্রাপ্তি প্রত্যাশার কোনো বিষয় নয়। মেজাজটা একেবারেই অন্য ধাঁচের। নেই কোনো রাজনৈতিক নেতার বাগ্মিতা। তবে আড্ডায় উঠে এসেছে স্বদেশ-বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ও তার ক্রান্তিকাল। ধ্বংসপ্রাপ্ত-প্রায় সাংবাদিকদের আত্মমর্যাদার জায়গাটি। তোষামোদী সাংবাদিকতার ন্যাক্কারজনক চিত্রটি ফুটে উঠেছে সাংবাদিক নেতাদের মুখ থেকেই। এ লজ্জার দায়ভার তো তাদের বহন করতে হচ্ছেই। দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটটিও বাদ যায়নি বক্তাদের আলোচনায়। প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ উল্লাহ’র সভাপতিত্বে তা চলে মধ্যরাত অবধি। আয়োজক ছিলেন ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম। তাকে সহযোগিতা করেন মুজাহিদ আনসারী, শওকত ওসমান রচি ও বেলাল আহমেদ। সাংবাদিকদের এ আড্ডায় ছিলেন নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী সাংবাদিকরাও। ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম। তিনি ব্যক্তিগত সফরে এখন নিউইয়র্কে রয়েছেন। সাংবাদিকতা পেশায় সক্রিয় আছেন এবং ছিলেন এমন প্রায় ৫০ জন এ আড্ডায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন- বিএফইউজে’র সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, ডিইউজের সভাপতি শাবান মাহমুদ, দৈনিক ইত্তেফাকের স্পেশাল করেসপনডেন্ট আজমল হোসেন ফারাজী, দৈনিক অবজারভারের বিশেষ প্রতিনিধি সেলিম সামাদ, প্রথম আলোর যুক্তরাষ্ট্র ব্যুরো প্রধান হাসান ফেরদৌস, প্রবীণ সাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ, টাইম টিভি’র সিইও আবু তাহের, বর্ণমালার সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, আজকালের প্রকাশক ও সিইও জাকারিয়া মাসুদ জিকু, সাপ্তাহিক প্রবাসের সম্পাদক আবু সাঈদ, জন্মভূমির সম্পাদক রতন তালুকদার, ঠিকানার নির্বাহী সম্পাদক জাভেদ খসরু, আবুল কাশেম, সাংবাদিক এনামুর রেজা দিপু, মুজাহিদ আনসারি, শওকত ওসমান রচি, ফাহিম রেজা নূর, রেখা আহমেদ, সুমন শাওন, আবু জাফর, আলমগীর হোসেন, বিশ্বজিৎ সাহা, প্রখ্যাত ফটো সাংবাদিক লুৎফর রহমান বিনু, শাহ ফারুক রহমান (চ্যানেল আই), শেখ দীপু (এটিএন বাংলা), সংগ্রাম, টিবিএন-এর শামীম আর আমীন, মঞ্জুরুল ইসলাম, সাবেথ সাথী, ফজলে নোমানী (বাসস), শামসুল আলম লিটন, শামীম আহমেদ (ভোরের কাগজ), ইশতিয়াক বাবর (নিউজ ডট কম)। আলোচনায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, বাংলাদেশের সংবাদপত্র ও মিডিয়া আজ আত্মমর্যাদার জায়গাটি হারিয়েছে। তুষ্ট নীতির সাংবাদিকতা এ জন্যই দায়ী। সাংবাদিকদের কাছে জনগণের আকাঙক্ষাটিও ধুলিসাৎ হয়েছে। বিএফইউজে’র সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে বেশ কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিকের তোষামোদী-সুলভ প্রশ্ন শুনে বিস্মিত হতে হয়েছে। সাংবাদিকতার দৃষ্টিতে সেটা কোনো সংবাদ সম্মেলন নয়। আর এ জন্য আমাদের সাংবাদিকদের তোষামোদীতাই দায়ী। ডিইউজে’র সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদ বলেন, তুষ্টনীতির সাংবাদিকতা জাতিকে সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি মাহমুদ বলেন, সাংবাদিক অনৈক্যের কারণেই মিডিয়ার মর্যাদা মুখ থুবড়ে পড়েছে। হাসান ফেরদৌস বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধে করণীয়তার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। মাহফুজুর রহমান প্রবাসেও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির উত্থান (প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে) নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। ফরাজী আজমল হোসেন সরকারের রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। জনাব ফারাজী বলেন, সংবাদ সম্মেলন শেষে সাংবাদিকরা প্রধানমন্ত্রীর সামনে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। এসব দেখে লজ্জিত হতে হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো