Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

থ্যাংকসগিভিং ডে এবং ব্ল্যাক ফ্রাইডে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 71 বার

প্রকাশিত: November 26, 2014 | 9:53 PM

ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন : নভেম্বর মাসের তৃতীয় বৃহস্পতিবার আমেরিকার ধন্যবাদ দিবস (থ্যাংকস গিভিং ডে)। টার্কিভোজ আমেরিকার ধন্যবাদ দিবসের অন্যতম অনুসংগ। বেশ ঘটা করে মোরগ সদৃশ্য এ প্রণীটি রান্না করা হয় নানা ব্যঞ্জনায়। মশলা দিয়ে সেদ্ধ করা টার্কি ধন্যবাদ দিবসের খুবই জনপ্রিয় আহার আমেরিকানদের কাছে। পরিবার বিচ্ছিন্ন মানুষগুলো দুর দুরান্ত থেকে ছুটে আসে। স্বজনদের সাথে নৈশভোজে টার্কি ভোজের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা রীতিমত ঐতিহ্যের অংশ।
নৈশভোজের আগে এখনো প্রার্থনা করা হয় রক্ষনশীল পরিবারগুলোতে। তো একবার প্রার্থনা পরিচালনার ভার পড়েছে দশ বছরের বালিকা কেটির উপর।
ডিনার টেবিলে গোল হয়ে বসেছেন স্বজনরা। পানীয় এবং খাবার প্রস্তুত। বিশাল অকৃতির টার্কি ডিশ শোভা পাচ্ছে টেবিলে। হে ইশ্বর- বলে বালিকা কেটির হাত উর্দ্ধগামী। দ্রুত অন্যরাও হাত উঠিয়েছে। টার্কি রান্না করতে কত সময় লেগেছে, কতটা মশলা পাতি দিতে হয়েছে-তার বর্ণনা আগেই দিয়ে ফেলেছেন কেটির দাদীমা। যা তিনি প্রতি বছরই বলে থাকেন পরম উতসাহ নিয়ে।
কেটির মোনাজাত, হে ইশ্বর-তুমি মহান। তুমি মহান বলেই হে ইশ্বর আমরা প্রতিদিন ভালো খাবার খেতে পারি। আমরা তোমার কাছে কৃতজ্ঞ হে মহান।ইশ্বর,তুমি তো জানোই টার্কির চেয়ে মোরগ সুস্বাদু। তারপরও তোমার কৃপা বর্ণনাতীত ইশ্বর।তুমি আমার দাদুকে সুমতি দাও । দাদু বহু কষ্ট করে টার্কিকে সুস্বাদু করার চেষ্টা করেছেন।এখন খাবারের সময় এ টার্কি যেন গলায় আটকে না যায় হে ইশ্বর। তুমি আমাদের সহায় হও প্রভুÑআমেন।
টার্কি ভোজে বসে, কি ভাবে এ প্রাণীটি রান্না করা হলে স্বাদ বাড়বে তা নিয়েও আলোচনা চলে। স্বজনহীন রবার্ট গিয়েছে প্রতিবেশীর অমন্ত্রনে টার্কি ভোজের জন্য।
রান্না করার নানা সব পদ্ধতি নিয়ে আরোচনা শুরু হয়েছে। রবার্টের উপদেশ, পরের বছর যেন টার্কি রান্নার আগে তাকে ডাকা হয়।“ ওভেনে দেয়ার আগে দু পা ফাঁক করে মাঝখানে মশলা দিয়ে অন্তত মিনিট বিশেক ঢলা দিতে হবে।”-রবার্টের এ উপদেশ বাক্যের মধ্যে অশ্লীলতার ঘন্ধ পেয়ে চোখ মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল প্রতিবেশী গৃহিনীর।
দুশ বছরেরও বেশী সময় থেকে আমেরিকায় ধন্যবাদ দিবস পালিত হয়ে আসছে। বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছুটির দিন। সরকারী বেসরকারী সব প্রতিষ্টান বন্ধ থাকে। দুরান্ত থেকে লোকজন ছুটে চলে নিকটজনের সান্নিধ্যে । পরদিন শুক্রবার এখানে ব্ল্যাক ফ্রাইডে নামে পরিচিত । মৌসুমের কেনা কাটার উতসব শুরু হয় এ দিনটিতে । রাতভর দোকান পাট খুলে বিরাট মূল্যছাড়ের আয়োজন।বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যের দিনটি ব্ল্যাক ফ্রাইডে । লোকজন যেন হুমড়ি খেয়ে পড়ে প্রায় অর্ধেক মুল্যে জিনিস পত্র কেনা কাটার জন্য । কোন কোন দোকানে সিমীত পণ্যের মওজুদ দেখিয়ে বিরাট মূল্যছাড়ের বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। একদিন আগে থেকে লোকজন দাঁড়িয়ে থাকে শীত বৃষ্টি উপেক্ষা করে। অভিবাসনের দেশ আমেরিকায় ধন্যবাদ দিবসটি পালিত হয় সব বর্ণ,সব ধর্ম ,সব জাতীর মিলিত উতসব আনন্দের মাধ্যমে।ছুটির এ দিনটিতে কোন রাজনীতি বা ধর্মের আবহ না থাকায় ধন্যবাদ দিবস আমেরিকার এক সার্বজনীন সামাজিক সাংস্কৃতিক উতসব।
ধর্ম প্রচারে আসা পুণ্যার্থীরা আমেরিকা আবিষ্কারের প্রথম দিকে বহু বৈরীতায় পড়তে হয়। স্থানীয় লোকজন এক পর্যায়ে বসতী স্থাপনের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। জানা তথ্য মতে,১৬২১ সালে ধর্ম প্রচারকরা প্রথমবারের মত স্থানীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য ধন্যবাদ দিবসের সুচনা করেন। ১৭৮৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মত রাষ্ট্রিয়ভাবে দিবসটি পালিত হয়। কংগ্রেসের সুপারিশ অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন থ্যাংকস গিভিং ডে কে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের ঘোষনা প্রদান করেন।১৮৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের সময় দিবসটি জতীয় ছুটির দিন হিসাবে স্বীকৃতি পায়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV